পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভায় সপ্তম পে কমিশন গঠনের নীতিগত অনুমোদন। সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক ও পেনশনভোগীদের বেতন ও ডিএ কাঠামোয় আসতে পারে বড় পরিবর্তন।


কলকাতা : নতুন সরকার গঠনের মাত্র দেড় সপ্তাহের মধ্যেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবিপূরণে বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘সপ্তম পে কমিশন’ গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, পুরসভা ও কর্পোরেশনের কর্মী এবং বিভিন্ন সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অশিক্ষক কর্মীদের বেতন কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রতি দশ বছর অন্তর সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনা করার কথা থাকলেও, দীর্ঘদিন ধরে সেই প্রক্রিয়া কার্যত থমকে ছিল। এর ফলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছিল। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় ডিএ-র ব্যবধান নিয়ে রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছিল। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চসহ বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং সপ্তম পে কমিশন চালুর দাবিতে আন্দোলন জারি রেখেছিল।
বর্তমানে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় বেতন পাচ্ছেন। চলতি বছরের শুরুতে অন্তর্বর্তী বাজেটে ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির পর বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ২২ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন। তবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় সেই হার এখনও অনেকটাই কম। নতুন পে কমিশন গঠনের ফলে কর্মচারীদের মূল বেতন যেমন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে, তেমনই দীর্ঘদিন ধরে চলা ডিএ সংক্রান্ত জটিলতারও স্থায়ী সমাধান সূত্র মিলতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বেতন কাঠামো, ডিএ এবং বেতন বৈষম্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই বিহার, ওড়িশা ও তামিলনাড়ুর মতো কয়েকটি রাজ্য তাদের কর্মচারীদের জন্য ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার নতুন সরকারের এই সিদ্ধান্ত সরকারি মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি নেত্রী Agnimitra Paul বলেন, সরকার গঠনের পর থেকেই মানুষের জন্য কাজ শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি ফের রাজ্যে চালু করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রিসভার এই ঘোষণার পর রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক ও পেনশনভোগীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। বহুদিনের অপেক্ষার পর অবশেষে বেতন ও ডিএ সংক্রান্ত জট কাটার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সরকারি মহলে খুশির আবহ তৈরি হয়েছে।


কলকাতা : নতুন সরকার গঠনের মাত্র দেড় সপ্তাহের মধ্যেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবিপূরণে বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘সপ্তম পে কমিশন’ গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, পুরসভা ও কর্পোরেশনের কর্মী এবং বিভিন্ন সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অশিক্ষক কর্মীদের বেতন কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রতি দশ বছর অন্তর সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনা করার কথা থাকলেও, দীর্ঘদিন ধরে সেই প্রক্রিয়া কার্যত থমকে ছিল। এর ফলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছিল। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় ডিএ-র ব্যবধান নিয়ে রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছিল। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চসহ বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং সপ্তম পে কমিশন চালুর দাবিতে আন্দোলন জারি রেখেছিল।
বর্তমানে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় বেতন পাচ্ছেন। চলতি বছরের শুরুতে অন্তর্বর্তী বাজেটে ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির পর বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ২২ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন। তবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় সেই হার এখনও অনেকটাই কম। নতুন পে কমিশন গঠনের ফলে কর্মচারীদের মূল বেতন যেমন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে, তেমনই দীর্ঘদিন ধরে চলা ডিএ সংক্রান্ত জটিলতারও স্থায়ী সমাধান সূত্র মিলতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বেতন কাঠামো, ডিএ এবং বেতন বৈষম্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই বিহার, ওড়িশা ও তামিলনাড়ুর মতো কয়েকটি রাজ্য তাদের কর্মচারীদের জন্য ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার নতুন সরকারের এই সিদ্ধান্ত সরকারি মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি নেত্রী Agnimitra Paul বলেন, সরকার গঠনের পর থেকেই মানুষের জন্য কাজ শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি ফের রাজ্যে চালু করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রিসভার এই ঘোষণার পর রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক ও পেনশনভোগীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। বহুদিনের অপেক্ষার পর অবশেষে বেতন ও ডিএ সংক্রান্ত জট কাটার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সরকারি মহলে খুশির আবহ তৈরি হয়েছে।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন