চিন সফরে যাচ্ছেন ভ্লাদিমির পুতিন, শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তুতি। এদিকে, ট্রাম্প ফের তেহরানকে সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত চুক্তির পথে না এলে ভয়াবহ সামরিক পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে।


উদয় বাংলা ডেস্ক : চিনের রাজধানী বেজিং গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। একদিকে গ্রেট ওয়াল ম্যারাথনে অংশ নিতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে দৌড়বিদেরা বেজিংয়ে ভিড় জমিয়েছেন, অন্যদিকে বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ নেতারাও সেখানে পৌঁছচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের উদ্দেশ্যে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের পর এবার চিন সফরে যাচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন ওয়াশিংটন ও বেজিংয়ের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা স্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চিন অন্তত ১৭ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্য আমেরিকা থেকে কিনতে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের অক্টোবরে করা সয়াবিন কেনার প্রতিশ্রুতিও। ফলে বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে নতুন সমঝোতার ইঙ্গিত মিলছে।
তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে ইরান সংঘাত। ট্রাম্প ফের তেহরানকে সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত চুক্তির পথে না এলে ভয়াবহ সামরিক পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে। যদিও এর আগেও একাধিকবার এমন হুঁশিয়ারি দেওয়া হলেও পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, চিন ইরান ইস্যুতে কতটা প্রভাব খাটাতে পারবে বা আদৌ সক্রিয় ভূমিকা নেবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এরই মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা, বিভিন্ন ব্যাঙ্ক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এতে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগতে পারে। সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে দেখা যায়। মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০৮.৬৩ ডলারে পৌঁছয়। ব্রেন্ট ক্রুডের দামও ২ শতাংশের বেশি বেড়ে দাঁড়ায় ১১১.৯২ ডলারে।
তেলের দামের এই উল্লম্ফনের প্রভাব পড়েছে এশিয়ার শেয়ার বাজারেও। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক বাজার খোলার পরই ৩ শতাংশের বেশি পড়ে যায়। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরা এখন চিনের বেকারত্ব, খুচরো বিক্রি ও শিল্প উৎপাদনের তথ্যের দিকেও নজর রাখছেন।
অন্যদিকে, আমেরিকা থেকেও উঠে এসেছে একটি তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে রেকর্ড সংখ্যক মার্কিন নাগরিক দেশ ছেড়েছেন। গত অন্তত ৫০ বছরের মধ্যে এই প্রথম আমেরিকায় যত মানুষ এসেছেন, তার চেয়ে বেশি মানুষ দেশ ছেড়ে বাইরে চলে গিয়েছেন।


উদয় বাংলা ডেস্ক : চিনের রাজধানী বেজিং গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। একদিকে গ্রেট ওয়াল ম্যারাথনে অংশ নিতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে দৌড়বিদেরা বেজিংয়ে ভিড় জমিয়েছেন, অন্যদিকে বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ নেতারাও সেখানে পৌঁছচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের উদ্দেশ্যে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের পর এবার চিন সফরে যাচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন ওয়াশিংটন ও বেজিংয়ের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা স্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চিন অন্তত ১৭ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্য আমেরিকা থেকে কিনতে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের অক্টোবরে করা সয়াবিন কেনার প্রতিশ্রুতিও। ফলে বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে নতুন সমঝোতার ইঙ্গিত মিলছে।
তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে ইরান সংঘাত। ট্রাম্প ফের তেহরানকে সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত চুক্তির পথে না এলে ভয়াবহ সামরিক পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে। যদিও এর আগেও একাধিকবার এমন হুঁশিয়ারি দেওয়া হলেও পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, চিন ইরান ইস্যুতে কতটা প্রভাব খাটাতে পারবে বা আদৌ সক্রিয় ভূমিকা নেবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এরই মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা, বিভিন্ন ব্যাঙ্ক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এতে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগতে পারে। সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে দেখা যায়। মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০৮.৬৩ ডলারে পৌঁছয়। ব্রেন্ট ক্রুডের দামও ২ শতাংশের বেশি বেড়ে দাঁড়ায় ১১১.৯২ ডলারে।
তেলের দামের এই উল্লম্ফনের প্রভাব পড়েছে এশিয়ার শেয়ার বাজারেও। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক বাজার খোলার পরই ৩ শতাংশের বেশি পড়ে যায়। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরা এখন চিনের বেকারত্ব, খুচরো বিক্রি ও শিল্প উৎপাদনের তথ্যের দিকেও নজর রাখছেন।
অন্যদিকে, আমেরিকা থেকেও উঠে এসেছে একটি তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে রেকর্ড সংখ্যক মার্কিন নাগরিক দেশ ছেড়েছেন। গত অন্তত ৫০ বছরের মধ্যে এই প্রথম আমেরিকায় যত মানুষ এসেছেন, তার চেয়ে বেশি মানুষ দেশ ছেড়ে বাইরে চলে গিয়েছেন।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন