নির্বাচন কমিশনের নতুন আধিকারিকদের বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থার অপব্যবহার ও ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটার অভিযোগও করেন তিনি।
বড়ঞা : বিধানসভা নির্বাচনের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুললেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার রাজ্যের একাধিক নির্বাচনী সভা থেকে তিনি দাবি করেন, কমিশনের সদ্য নিয়োগ করা আধিকারিকদের একটি অংশকে তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বীরভূমের নানুরে এক জনসভায় তিনি কর্মীদের সতর্ক করে বলেন, মনোনয়ন জমা দিতে গেলে আইনজীবী সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে, যাতে কোনওভাবে তা বাতিল না করা যায়।
একইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থার অপব্যবহার এবং বাইরে থেকে লোক এনে ভোটে প্রভাব খাটানোর অভিযোগও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “দিল্লি থেকে লোক এনে বাংলার দখল নেওয়া যাবে না, যতদিন আমি আছি।” বিশেষ করে মহিলাদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, বিজেপি নারী-বিরোধী দল, তাই তাদের সমর্থন না করার আহ্বান জানান।
ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সরব হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বহু মানুষের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দিনহাটায় প্রায় ৩০ হাজার এবং ভবানীপুরে প্রায় ৪০ হাজার নাম বাদ পড়েছে। যদিও সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পর এখনও পর্যন্ত প্রায় ২২ লক্ষ নাম পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি। বাকি নাম পুনর্বহালের জন্য ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হবে এবং সেই খরচ রাজ্য সরকার বহন করবে বলেও আশ্বাস দেন।
এদিন তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে দরিদ্র মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে বিজেপি, যা আর্থিক অপব্যবহারের আশঙ্কা তৈরি করছে। শান্তিনিকেতনে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের জমি সংক্রান্ত বিষয়েও হস্তক্ষেপের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বিজেপিকে পরাস্ত করার ডাক দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ২৯৪টি আসনেই তাঁকে প্রার্থী হিসেবে ভাবতে এবং তৃণমূলকে জয়ী করতে মানুষের কাছে আবেদন রাখেন।
![]() |
| বুধবার নবগ্রামে নির্বাচনী জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। |
বড়ঞা : বিধানসভা নির্বাচনের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুললেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার রাজ্যের একাধিক নির্বাচনী সভা থেকে তিনি দাবি করেন, কমিশনের সদ্য নিয়োগ করা আধিকারিকদের একটি অংশকে তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বীরভূমের নানুরে এক জনসভায় তিনি কর্মীদের সতর্ক করে বলেন, মনোনয়ন জমা দিতে গেলে আইনজীবী সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে, যাতে কোনওভাবে তা বাতিল না করা যায়।
একইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থার অপব্যবহার এবং বাইরে থেকে লোক এনে ভোটে প্রভাব খাটানোর অভিযোগও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “দিল্লি থেকে লোক এনে বাংলার দখল নেওয়া যাবে না, যতদিন আমি আছি।” বিশেষ করে মহিলাদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, বিজেপি নারী-বিরোধী দল, তাই তাদের সমর্থন না করার আহ্বান জানান।
ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সরব হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বহু মানুষের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দিনহাটায় প্রায় ৩০ হাজার এবং ভবানীপুরে প্রায় ৪০ হাজার নাম বাদ পড়েছে। যদিও সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পর এখনও পর্যন্ত প্রায় ২২ লক্ষ নাম পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি। বাকি নাম পুনর্বহালের জন্য ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হবে এবং সেই খরচ রাজ্য সরকার বহন করবে বলেও আশ্বাস দেন।
এদিন তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে দরিদ্র মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে বিজেপি, যা আর্থিক অপব্যবহারের আশঙ্কা তৈরি করছে। শান্তিনিকেতনে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের জমি সংক্রান্ত বিষয়েও হস্তক্ষেপের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বিজেপিকে পরাস্ত করার ডাক দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ২৯৪টি আসনেই তাঁকে প্রার্থী হিসেবে ভাবতে এবং তৃণমূলকে জয়ী করতে মানুষের কাছে আবেদন রাখেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন