কেরলের ত্রিশূর বিধানসভা কেন্দ্রে ২০২৬ নির্বাচনে সিপিআই, কংগ্রেস ও বিজেপির ত্রিমুখী লড়াই। পদ্মজা ভেনুগোপালের দলবদল ও করুণাকরণের উত্তরাধিকার ঘিরে জমে উঠেছে রাজনৈতিক লড়াই।
ত্রিশূর : কেরলের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে
ত্রিশূর কেন্দ্র এবার রাজ্যের অন্যতম হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক লড়াইয়ের মঞ্চ হয়ে উঠেছে। ৯ এপ্রিলের ভোটকে ঘিরে এখানে সিপিআই প্রার্থী আলানকোড লীলাকৃষ্ণন, কংগ্রেসের রাজন পল্লান এবং বিজেপির পদ্মজা ভেনুগোপালের মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের দ্বৈরথ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপির উত্থানে এই কেন্দ্রটি এখন অনিশ্চিত ত্রিকোণ লড়াইয়ের কেন্দ্রে।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অভিনেতা-রাজনীতিক সুরেশ গোপীর জয়ের পর বিজেপি এই অঞ্চলে নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করেছে। ফলে ‘সাংস্কৃতিক রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত ত্রিশূর এবার বিশেষ নজরে। অতীতের নির্বাচনী ফলাফলও এই কেন্দ্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতার তীব্রতা বোঝায়—২০২১ সালে সিপিআই প্রার্থী পি বালাচন্দ্রন মাত্র ৯৪৬ ভোটে কংগ্রেসের পদ্মজা ভেনুগোপালকে হারিয়েছিলেন, যেখানে বিজেপিও খুব কাছাকাছি ব্যবধানে তৃতীয় স্থানে ছিল।
এবারের নির্বাচনে অন্যতম বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা কে. করুণাকরণের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার। তাঁর মেয়ে পদ্মজা ভেনুগোপাল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। একদিকে তাঁর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, অন্যদিকে বিজেপির প্রতি সংখ্যালঘু ভোটারদের একাংশের অনীহাও স্পষ্ট।
ত্রিশূরে খ্রিস্টান ভোটব্যাঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, এবং সেই ভোট কোন দিকে যাবে তা এখনও অনিশ্চিত। কংগ্রেস তাদের পুরনো সংগঠনের উপর ভরসা রাখছে, অন্যদিকে বাম শিবিরও ত্রিমুখী লড়াইয়ের সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া। সব মিলিয়ে ত্রিশূরে এবারের নির্বাচন শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়, বরং আবেগ, ঐতিহ্য ও বাস্তব রাজনীতির জটিল সমীকরণের এক আকর্ষণীয় পরীক্ষাক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
![]() |
| ভোটপ্রচারে এনডিএ প্রার্থী পদ্মজা বেনুগোপাল। |
ত্রিশূর : কেরলের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে
ত্রিশূর কেন্দ্র এবার রাজ্যের অন্যতম হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক লড়াইয়ের মঞ্চ হয়ে উঠেছে। ৯ এপ্রিলের ভোটকে ঘিরে এখানে সিপিআই প্রার্থী আলানকোড লীলাকৃষ্ণন, কংগ্রেসের রাজন পল্লান এবং বিজেপির পদ্মজা ভেনুগোপালের মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের দ্বৈরথ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপির উত্থানে এই কেন্দ্রটি এখন অনিশ্চিত ত্রিকোণ লড়াইয়ের কেন্দ্রে।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অভিনেতা-রাজনীতিক সুরেশ গোপীর জয়ের পর বিজেপি এই অঞ্চলে নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করেছে। ফলে ‘সাংস্কৃতিক রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত ত্রিশূর এবার বিশেষ নজরে। অতীতের নির্বাচনী ফলাফলও এই কেন্দ্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতার তীব্রতা বোঝায়—২০২১ সালে সিপিআই প্রার্থী পি বালাচন্দ্রন মাত্র ৯৪৬ ভোটে কংগ্রেসের পদ্মজা ভেনুগোপালকে হারিয়েছিলেন, যেখানে বিজেপিও খুব কাছাকাছি ব্যবধানে তৃতীয় স্থানে ছিল।
এবারের নির্বাচনে অন্যতম বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা কে. করুণাকরণের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার। তাঁর মেয়ে পদ্মজা ভেনুগোপাল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। একদিকে তাঁর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, অন্যদিকে বিজেপির প্রতি সংখ্যালঘু ভোটারদের একাংশের অনীহাও স্পষ্ট।
ত্রিশূরে খ্রিস্টান ভোটব্যাঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, এবং সেই ভোট কোন দিকে যাবে তা এখনও অনিশ্চিত। কংগ্রেস তাদের পুরনো সংগঠনের উপর ভরসা রাখছে, অন্যদিকে বাম শিবিরও ত্রিমুখী লড়াইয়ের সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া। সব মিলিয়ে ত্রিশূরে এবারের নির্বাচন শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়, বরং আবেগ, ঐতিহ্য ও বাস্তব রাজনীতির জটিল সমীকরণের এক আকর্ষণীয় পরীক্ষাক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন