তারকেশ্বরে সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে সরকারি যন্ত্র অপব্যবহার ও বেআইনি প্রচারের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়েও কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ।
উদয় বাংলা : হুগলির তারকেশ্বরে নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে সরকারি যন্ত্র অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ আসলে বিজেপির পক্ষেই একটি বেআইনি রাজনৈতিক প্রচার, যা নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল।
উদয় বাংলা : হুগলির তারকেশ্বরে নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে সরকারি যন্ত্র অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ আসলে বিজেপির পক্ষেই একটি বেআইনি রাজনৈতিক প্রচার, যা নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল।
মমতার কথায়, “গতকাল সরকারি যন্ত্র ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রচার করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা করছি এবং নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করব।”
প্রসঙ্গত, লোকসভায় ২০২৯ সাল থেকে ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার বিল পাস না হওয়ার পরদিনই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ভাষণে কংগ্রেস ও তার সহযোগীদের তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, নারী ভ্রূণ হত্যার “পাপের” জন্য দেশের মহিলারা তাদের কঠোর শাস্তি দেবে।
প্রসঙ্গত, লোকসভায় ২০২৯ সাল থেকে ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার বিল পাস না হওয়ার পরদিনই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ভাষণে কংগ্রেস ও তার সহযোগীদের তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, নারী ভ্রূণ হত্যার “পাপের” জন্য দেশের মহিলারা তাদের কঠোর শাস্তি দেবে।
এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই মমতা প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য আদৌ সরকারি দায়িত্বের অংশ, নাকি দলীয় স্বার্থে করা প্রচার। তিনি সরাসরি বলেন, “আপনাকে দেশের মানুষের কাছে জবাব দিতে হবে, কেন আপনি নিজের দলের জন্য বেআইনি প্রচার করছেন।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও মনে করিয়ে দেন, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরেই মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ হয়েছিল এবং তাতে সব দলই সমর্থন জানিয়েছিল। তাঁর প্রশ্ন, এতদিন পরও কেন সেই বিল কার্যকর করা হয়নি। একই বিল বারবার পাস করানোর প্রয়োজন কী, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও মনে করিয়ে দেন, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরেই মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ হয়েছিল এবং তাতে সব দলই সমর্থন জানিয়েছিল। তাঁর প্রশ্ন, এতদিন পরও কেন সেই বিল কার্যকর করা হয়নি। একই বিল বারবার পাস করানোর প্রয়োজন কী, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে ডিলিমিটেশন বিলের সঙ্গে মহিলা সংরক্ষণ বিলকে জুড়ে দিয়েছে, যাতে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়া যায়।
এছাড়াও তিনি দাবি করেন, প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও লোকসভায় এই বিল আনা হয়েছে, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ। তাঁর কথায়, বিজেপির পতনের সূচনা হয়ে গিয়েছে এবং মানুষই তার জবাব দেবে।
এছাড়াও তিনি দাবি করেন, প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও লোকসভায় এই বিল আনা হয়েছে, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ। তাঁর কথায়, বিজেপির পতনের সূচনা হয়ে গিয়েছে এবং মানুষই তার জবাব দেবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন