৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ দ্বিগুণ করল কেন্দ্র। ২৩ মার্চ থেকে ৯ এপ্রিলের মধ্যে ৮.৯ লক্ষ ইউনিট বিতরণ, ৭ এপ্রিল রেকর্ড বিক্রি।
নয়াদিল্লি : দেশজুড়ে পরিযায়ী শ্রমিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানির প্রাপ্যতা বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নিল পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক (MoPNG)। ৫ কেজি ফ্রি ট্রেড এলপিজি (FTL) সিলিন্ডারের সরবরাহ বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি, দৈনিক বরাদ্দও দ্বিগুণ করা হয়েছে। ৭ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে শহর ও আধা-শহরাঞ্চলে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মন্ত্রক জানিয়েছে, আগে নির্ধারিত সরবরাহের সর্বোচ্চ সীমা তুলে নেওয়া হয়েছে। মার্চের শুরুর সরবরাহের ভিত্তিতে নতুন বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে বাজারে ঘাটতি না হয়। পাশাপাশি, সিলিন্ডার সংগ্রহের প্রক্রিয়াও অনেকটাই সহজ করা হয়েছে। এখন আধার বা প্যান কার্ডের মতো একটি পরিচয়পত্র এবং একটি স্ব-ঘোষণাপত্র দিয়েই ৫ কেজির সিলিন্ডার পাওয়া যাবে। ফলে স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ দেওয়ার ঝামেলা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন পরিযায়ী শ্রমিক, দিনমজুর ও শিক্ষার্থীরা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩শে মার্চ থেকে ৯ই এপ্রিলের মধ্যে দেশজুড়ে ৮.৯ লক্ষেরও বেশি ৫ কেজির সিলিন্ডার বিতরণ করা হয়েছে; যার মধ্যে ৭ই এপ্রিল একদিনেই ১.১ লক্ষেরও বেশি ইউনিট বিক্রির সর্বোচ্চ রেকর্ড নথিবদ্ধ হয়েছে। এই পরিসংখ্যানই বাড়তি চাহিদা এবং দ্রুত সরবরাহ ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এছাড়াও, সিলিন্ডারের ব্যবহার বাড়ানো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে ১৬০০-রও বেশি সচেতনতামূলক শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। রাজ্য সরকারগুলিও তেল বিপণন সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে শেষ ধাপ পর্যন্ত সঠিকভাবে সরবরাহ পৌঁছে দিতে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ শুধু রান্নার জ্বালানির সহজলভ্যতাই বাড়াবে না, বরং নিম্নআয়ের মানুষের জীবনে স্বস্তি এনে দেবে এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহারও আরও বাড়াবে।
নয়াদিল্লি : দেশজুড়ে পরিযায়ী শ্রমিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানির প্রাপ্যতা বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নিল পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক (MoPNG)। ৫ কেজি ফ্রি ট্রেড এলপিজি (FTL) সিলিন্ডারের সরবরাহ বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি, দৈনিক বরাদ্দও দ্বিগুণ করা হয়েছে। ৭ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে শহর ও আধা-শহরাঞ্চলে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মন্ত্রক জানিয়েছে, আগে নির্ধারিত সরবরাহের সর্বোচ্চ সীমা তুলে নেওয়া হয়েছে। মার্চের শুরুর সরবরাহের ভিত্তিতে নতুন বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে বাজারে ঘাটতি না হয়। পাশাপাশি, সিলিন্ডার সংগ্রহের প্রক্রিয়াও অনেকটাই সহজ করা হয়েছে। এখন আধার বা প্যান কার্ডের মতো একটি পরিচয়পত্র এবং একটি স্ব-ঘোষণাপত্র দিয়েই ৫ কেজির সিলিন্ডার পাওয়া যাবে। ফলে স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ দেওয়ার ঝামেলা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন পরিযায়ী শ্রমিক, দিনমজুর ও শিক্ষার্থীরা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩শে মার্চ থেকে ৯ই এপ্রিলের মধ্যে দেশজুড়ে ৮.৯ লক্ষেরও বেশি ৫ কেজির সিলিন্ডার বিতরণ করা হয়েছে; যার মধ্যে ৭ই এপ্রিল একদিনেই ১.১ লক্ষেরও বেশি ইউনিট বিক্রির সর্বোচ্চ রেকর্ড নথিবদ্ধ হয়েছে। এই পরিসংখ্যানই বাড়তি চাহিদা এবং দ্রুত সরবরাহ ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এছাড়াও, সিলিন্ডারের ব্যবহার বাড়ানো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে ১৬০০-রও বেশি সচেতনতামূলক শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। রাজ্য সরকারগুলিও তেল বিপণন সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে শেষ ধাপ পর্যন্ত সঠিকভাবে সরবরাহ পৌঁছে দিতে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ শুধু রান্নার জ্বালানির সহজলভ্যতাই বাড়াবে না, বরং নিম্নআয়ের মানুষের জীবনে স্বস্তি এনে দেবে এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহারও আরও বাড়াবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন