টিকিট না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ ভুলে দলের কাজে মন দেওয়ার বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নওদায় অভিষেকের ‘লাল কার্ড’ সতর্কতা, শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তৃণমূলের কড়া অবস্থান।
উদয় বাংলা : নির্বাচনের প্রাক্কালে দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্যের প্রশ্নে আরও একবার কড়া অবস্থান নিল তৃণমূল নেতৃত্ব। বেলদার সভামঞ্চ থেকে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্পষ্ট বার্তা— দল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে, আর সেই দলই সবার জন্য। টিকিট বণ্টন নিয়ে যে ক্ষোভের সুর কিছু ক্ষেত্রে শোনা যাচ্ছে, তা কার্যত এক ঝটকায় থামিয়ে দিতে চান দলনেত্রী।
প্রসঙ্গত, রবিবার নওদার সভা থেকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরের দিনই বেলদা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, প্রার্থী বদল কোনও ব্যতিক্রম নয়, বরং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ারই অংশ। তাঁর কথায়, কখনও কখনও নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন, যাতে সমাজের সব স্তরের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা যায়। নারী, সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও তফশিলি সম্প্রদায়ের মানুষকে রাজনীতির মূল স্রোতে আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
মমতার বার্তায় স্পষ্ট সতর্কতা—দলকে কেন্দ্র করেই রাজনীতি, ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা নয়। তিনি বলেন, কেউ যদি মনে করেন যে তিনি চিরকাল একাই সুযোগ পেয়ে যাবেন, তবে সেই ধারণা ভ্রান্ত। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, আর সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোই প্রকৃত দলীয় কর্মীর পরিচয়। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, যাঁরা টিকিট পাননি তাঁদের অবদান অস্বীকার করা হবে না; অন্যভাবে তাঁদের সম্মান জানানো হবে।
টিকিট না পেয়ে প্রকাশ্যে বিরোধিতার পথ নেওয়ার প্রবণতারও কড়া সমালোচনা করেন দলনেত্রী। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষ এই ধরনের আচরণ ভালো চোখে দেখেন না। একটি আসনে একজন প্রার্থীই দাঁড়াতে পারেন—এটাই স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক বাস্তব, এবং তা মেনে নেওয়াই উচিত।
অন্যদিকে, নওদায় তৃণমূল প্রার্থী সাইনা মুমতাজের সমর্থনে সভা করতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্নে অনড় অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, যে দলের প্রতীকে কেউ রাজনীতি করছেন, তাঁর দায় সেই দলের পক্ষেই কাজ করা। অন্যথা হলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর ‘লাল কার্ড’ মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, রবিবার নওদার সভা থেকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরের দিনই বেলদা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, প্রার্থী বদল কোনও ব্যতিক্রম নয়, বরং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ারই অংশ। তাঁর কথায়, কখনও কখনও নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন, যাতে সমাজের সব স্তরের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা যায়। নারী, সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও তফশিলি সম্প্রদায়ের মানুষকে রাজনীতির মূল স্রোতে আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
মমতার বার্তায় স্পষ্ট সতর্কতা—দলকে কেন্দ্র করেই রাজনীতি, ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা নয়। তিনি বলেন, কেউ যদি মনে করেন যে তিনি চিরকাল একাই সুযোগ পেয়ে যাবেন, তবে সেই ধারণা ভ্রান্ত। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, আর সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোই প্রকৃত দলীয় কর্মীর পরিচয়। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, যাঁরা টিকিট পাননি তাঁদের অবদান অস্বীকার করা হবে না; অন্যভাবে তাঁদের সম্মান জানানো হবে।
টিকিট না পেয়ে প্রকাশ্যে বিরোধিতার পথ নেওয়ার প্রবণতারও কড়া সমালোচনা করেন দলনেত্রী। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষ এই ধরনের আচরণ ভালো চোখে দেখেন না। একটি আসনে একজন প্রার্থীই দাঁড়াতে পারেন—এটাই স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক বাস্তব, এবং তা মেনে নেওয়াই উচিত।
অন্যদিকে, নওদায় তৃণমূল প্রার্থী সাইনা মুমতাজের সমর্থনে সভা করতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্নে অনড় অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, যে দলের প্রতীকে কেউ রাজনীতি করছেন, তাঁর দায় সেই দলের পক্ষেই কাজ করা। অন্যথা হলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর ‘লাল কার্ড’ মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন