ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্যের নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ তুলে কমিশনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে তৃণমূলের কড়া অবস্থান।
উদয় বাংলা : নির্বাচন চলাকালীন ভোটার তালিকা নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলে ফের সরব হল তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তরে বৈঠকের পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার নামে পরিকল্পিতভাবে ভিনরাজ্যের ভোটারদের বাংলার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।
ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ জানান, সকাল থেকে মাত্র ৬-৭ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার ফর্ম ৬ জমা পড়েছে, যার অনেকগুলিই এমন ব্যক্তিদের নামে, যাঁদের নাম ইতিমধ্যেই বিহার ও উত্তরপ্রদেশের ভোটার তালিকায় রয়েছে। তাঁর মতে, এটি একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়া, যার লক্ষ্য বাংলার ভোটব্যবস্থাকে প্রভাবিত করা।
এই প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নিয়মের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ফর্ম ৬ বৈধভাবে জমা দিতে হলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের সশরীরে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন। এত বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়ার ক্ষেত্রে সেই নিয়ম আদৌ মানা হয়েছে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এই কারণেই কমিশনের দপ্তরের ২৪ ঘণ্টার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করার দাবি জানান অভিষেক, যাতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বৈঠকের পর তিনি জানান, এই বিষয়ে কমিশনের তরফে সন্তোষজনক কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তাঁর অভিযোগ, গোটা প্রক্রিয়াটিই অবৈধ এবং দেশের অন্য রাজ্য—দিল্লি, মুম্বই ও হরিয়ানাতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি কেন্দ্রীয় স্তরে রাজনৈতিক প্রভাবের ইঙ্গিতও দেন এবং অভিযোগ করেন, এই ধরনের কার্যকলাপ একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।
একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও আক্রমণ করে অভিষেক দাবি করেন, বাংলার জনবিন্যাস বদলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। যদিও এতদিন ধরে চলা সংশোধন প্রক্রিয়ায় রাজ্যে ঠিক কতজন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেনি বলেও তাঁর দাবি।
তৃণমূল নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে, ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ার উপর কড়া নজর রাখতে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা রক্ষার স্বার্থে এই নজরদারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে দল। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টেও উত্থাপন করা হবে। সব মিলিয়ে, ভোটের আবহে ভোটার তালিকা নিয়ে এই বিতর্ক রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
উদয় বাংলা : নির্বাচন চলাকালীন ভোটার তালিকা নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলে ফের সরব হল তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তরে বৈঠকের পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার নামে পরিকল্পিতভাবে ভিনরাজ্যের ভোটারদের বাংলার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।
ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ জানান, সকাল থেকে মাত্র ৬-৭ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার ফর্ম ৬ জমা পড়েছে, যার অনেকগুলিই এমন ব্যক্তিদের নামে, যাঁদের নাম ইতিমধ্যেই বিহার ও উত্তরপ্রদেশের ভোটার তালিকায় রয়েছে। তাঁর মতে, এটি একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়া, যার লক্ষ্য বাংলার ভোটব্যবস্থাকে প্রভাবিত করা।
এই প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নিয়মের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ফর্ম ৬ বৈধভাবে জমা দিতে হলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের সশরীরে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন। এত বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়ার ক্ষেত্রে সেই নিয়ম আদৌ মানা হয়েছে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এই কারণেই কমিশনের দপ্তরের ২৪ ঘণ্টার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করার দাবি জানান অভিষেক, যাতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বৈঠকের পর তিনি জানান, এই বিষয়ে কমিশনের তরফে সন্তোষজনক কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তাঁর অভিযোগ, গোটা প্রক্রিয়াটিই অবৈধ এবং দেশের অন্য রাজ্য—দিল্লি, মুম্বই ও হরিয়ানাতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি কেন্দ্রীয় স্তরে রাজনৈতিক প্রভাবের ইঙ্গিতও দেন এবং অভিযোগ করেন, এই ধরনের কার্যকলাপ একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।
একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও আক্রমণ করে অভিষেক দাবি করেন, বাংলার জনবিন্যাস বদলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। যদিও এতদিন ধরে চলা সংশোধন প্রক্রিয়ায় রাজ্যে ঠিক কতজন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেনি বলেও তাঁর দাবি।
তৃণমূল নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে, ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ার উপর কড়া নজর রাখতে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা রক্ষার স্বার্থে এই নজরদারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে দল। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টেও উত্থাপন করা হবে। সব মিলিয়ে, ভোটের আবহে ভোটার তালিকা নিয়ে এই বিতর্ক রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন