মাওবাদী দমনে কঠোর অবস্থান কেন্দ্রের। অমিত শাহর হুঁশিয়ারি—অস্ত্র হাতে নিলে কড়া পদক্ষেপ, আত্মসমর্পণে জোর ও অভিযানে মিলছে সাফল্য।
উদয় বাংলা ডেস্ক : ‘লাল সন্ত্রাস’ নিয়ে ফের কড়া অবস্থান জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। এই ইস্যুতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেন, মাওবাদী হিংসায় এ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার তরুণের প্রাণ গিয়েছে এবং প্রভাবিত হয়েছে প্রায় ১২ কোটি মানুষের জীবন। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—কেউ যদি অস্ত্রের পথ বেছে নেয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না সরকার।
একই সঙ্গে তিনি জানান, সরকার আলোচনার পথও খোলা রেখেছে। যাঁদের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের কথা শুনতে এবং সমাধান করতে সরকার প্রস্তুত। তবে তাঁর অভিযোগ, কিছু মতাদর্শ নির্দিষ্ট অঞ্চলে অবৈধ নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে শাসনব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের প্রবণতার বিরুদ্ধে সরকার কোনওভাবেই মাথা নোয়াবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করে দেন। সকলের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মাওবাদী দমনে ৩১ মার্চের সময়সীমা নির্ধারণ করেছিলেন অমিত শাহ। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রাক্কালে বিভিন্ন রাজ্যে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে একাধিক সাফল্য মিলেছে। ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে এক মাওবাদী কমান্ডারের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিহত ওই ব্যক্তির নাম মুচকি কৈলাস, যার মাথার দাম ছিল পাঁচ লক্ষ টাকা।
একই সঙ্গে আত্মসমর্পণের ঘটনাও এই লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড় এনেছে। অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা ও ছত্তিশগড়ে একাধিক নাশকতামূলক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত চেল্লুরি নারায়ণ রাও ওরফে সুরেশ আত্মসমর্পণ করেছেন। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে আত্মগোপনে থাকা এই ব্যক্তির আত্মসমর্পণকে বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছে প্রশাসন।
গত কয়েক মাসে মাওবাদী অধ্যুষিত অঞ্চলে লাগাতার অভিযানের ফলে অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে পড়েছে মাওবাদীরা। ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা-সহ বিভিন্ন এলাকায় বহু মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন। তবে সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনাও কম নয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত ৫৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান প্রাণ হারিয়েছেন।
সব মিলিয়ে, ‘লাল সন্ত্রাস’ নির্মূলে কেন্দ্র একদিকে যেমন কঠোর পদক্ষেপের বার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে আত্মসমর্পণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দিকেও সমান জোর দিচ্ছে। এই দ্বিমুখী কৌশলই আগামী দিনে মাওবাদী সমস্যার সমাধানে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।
উদয় বাংলা ডেস্ক : ‘লাল সন্ত্রাস’ নিয়ে ফের কড়া অবস্থান জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। এই ইস্যুতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেন, মাওবাদী হিংসায় এ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার তরুণের প্রাণ গিয়েছে এবং প্রভাবিত হয়েছে প্রায় ১২ কোটি মানুষের জীবন। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—কেউ যদি অস্ত্রের পথ বেছে নেয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না সরকার।
একই সঙ্গে তিনি জানান, সরকার আলোচনার পথও খোলা রেখেছে। যাঁদের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের কথা শুনতে এবং সমাধান করতে সরকার প্রস্তুত। তবে তাঁর অভিযোগ, কিছু মতাদর্শ নির্দিষ্ট অঞ্চলে অবৈধ নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে শাসনব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের প্রবণতার বিরুদ্ধে সরকার কোনওভাবেই মাথা নোয়াবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করে দেন। সকলের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মাওবাদী দমনে ৩১ মার্চের সময়সীমা নির্ধারণ করেছিলেন অমিত শাহ। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রাক্কালে বিভিন্ন রাজ্যে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে একাধিক সাফল্য মিলেছে। ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে এক মাওবাদী কমান্ডারের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিহত ওই ব্যক্তির নাম মুচকি কৈলাস, যার মাথার দাম ছিল পাঁচ লক্ষ টাকা।
একই সঙ্গে আত্মসমর্পণের ঘটনাও এই লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড় এনেছে। অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা ও ছত্তিশগড়ে একাধিক নাশকতামূলক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত চেল্লুরি নারায়ণ রাও ওরফে সুরেশ আত্মসমর্পণ করেছেন। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে আত্মগোপনে থাকা এই ব্যক্তির আত্মসমর্পণকে বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছে প্রশাসন।
গত কয়েক মাসে মাওবাদী অধ্যুষিত অঞ্চলে লাগাতার অভিযানের ফলে অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে পড়েছে মাওবাদীরা। ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা-সহ বিভিন্ন এলাকায় বহু মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন। তবে সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনাও কম নয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত ৫৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান প্রাণ হারিয়েছেন।
সব মিলিয়ে, ‘লাল সন্ত্রাস’ নির্মূলে কেন্দ্র একদিকে যেমন কঠোর পদক্ষেপের বার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে আত্মসমর্পণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দিকেও সমান জোর দিচ্ছে। এই দ্বিমুখী কৌশলই আগামী দিনে মাওবাদী সমস্যার সমাধানে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন