১ এপ্রিল মুর্শিদাবাদের নওদা থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করছে এজেইউপি-মিম জোট। জনসভায় প্রধান বক্তা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, সঙ্গে হুমায়ুন কবীর—রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের জল্পনা তুঙ্গে।
উদয় বাংলা : ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারের আনুষ্ঠানিক সূচনা করতে চলেছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP) ও মিমের জোট। ওইদিন মুর্শিদাবাদের নওদার ডুবতলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ময়দানে একটি বৃহৎ জনসভার ডাক দেওয়া হয়েছে। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (মিম)-এর সুপ্রিমো তথা হায়দ্রাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, আর বিশেষ বক্তা হিসেবে থাকবেন AJUP চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সভা থেকেই জোটের প্রচারের সুর নির্ধারিত হতে পারে।
এরপর জুম্মাবারের দিন বাবরি মসজিদ চত্বর থেকে জোটের পূর্ণাঙ্গ প্রচার কর্মসূচি শুরু হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। গত সপ্তাহেই কলকাতায় এসে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জোট চূড়ান্ত করে যান ওয়াইসি। এবার সেই সমঝোতার বাস্তব প্রয়োগে ‘ছোট ভাই’-এর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রচারে নামতে চলেছেন তিনি। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকেই জোটবদ্ধভাবে রাজ্যজুড়ে প্রচার শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় কুড়িটি জনসভা-সহ একাধিক কর্মসূচি রয়েছে।
সূত্রের খবর, ৩ এপ্রিল বহরমপুরের নিকটবর্তী ছাতিয়ানিতে নির্মীয়মাণ মসজিদের অফিস কক্ষে জোটের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে নামাজ আদায় করবেন ওয়াইসি ও হুমায়ুন। এরপরই ‘বাঁশি’ প্রতীককে সামনে রেখে প্রচারে নামবেন হায়দরাবাদের সাংসদ। ইতিমধ্যেই কলকাতার যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে ওয়াইসি ইঙ্গিত দিয়েছেন, বাংলার রাজনীতিতে মুসলিম নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা মাথার রেখে তিনি এই জোটকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিম-এজেইউপি জোটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে। ইতিমধ্যেই শাসকদল এই জোটকে ‘ভোট কাটুয়া’ বা ‘বিজেপির বি-টিম’ বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে। তবে বাস্তবে এই জোট কতটা শক্তি সঞ্চয় করতে পারে এবং আদৌ ‘কিংমেকার’-এর ভূমিকায় উঠতে পারবে কি না, সেই প্রশ্নই এখন রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রে।
![]() |
| হুমায়ুন কবির ও আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। ফাইল ছবি। |
উদয় বাংলা : ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারের আনুষ্ঠানিক সূচনা করতে চলেছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP) ও মিমের জোট। ওইদিন মুর্শিদাবাদের নওদার ডুবতলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ময়দানে একটি বৃহৎ জনসভার ডাক দেওয়া হয়েছে। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (মিম)-এর সুপ্রিমো তথা হায়দ্রাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, আর বিশেষ বক্তা হিসেবে থাকবেন AJUP চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সভা থেকেই জোটের প্রচারের সুর নির্ধারিত হতে পারে।
এরপর জুম্মাবারের দিন বাবরি মসজিদ চত্বর থেকে জোটের পূর্ণাঙ্গ প্রচার কর্মসূচি শুরু হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। গত সপ্তাহেই কলকাতায় এসে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জোট চূড়ান্ত করে যান ওয়াইসি। এবার সেই সমঝোতার বাস্তব প্রয়োগে ‘ছোট ভাই’-এর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রচারে নামতে চলেছেন তিনি। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকেই জোটবদ্ধভাবে রাজ্যজুড়ে প্রচার শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় কুড়িটি জনসভা-সহ একাধিক কর্মসূচি রয়েছে।
সূত্রের খবর, ৩ এপ্রিল বহরমপুরের নিকটবর্তী ছাতিয়ানিতে নির্মীয়মাণ মসজিদের অফিস কক্ষে জোটের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে নামাজ আদায় করবেন ওয়াইসি ও হুমায়ুন। এরপরই ‘বাঁশি’ প্রতীককে সামনে রেখে প্রচারে নামবেন হায়দরাবাদের সাংসদ। ইতিমধ্যেই কলকাতার যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে ওয়াইসি ইঙ্গিত দিয়েছেন, বাংলার রাজনীতিতে মুসলিম নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা মাথার রেখে তিনি এই জোটকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিম-এজেইউপি জোটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে। ইতিমধ্যেই শাসকদল এই জোটকে ‘ভোট কাটুয়া’ বা ‘বিজেপির বি-টিম’ বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে। তবে বাস্তবে এই জোট কতটা শক্তি সঞ্চয় করতে পারে এবং আদৌ ‘কিংমেকার’-এর ভূমিকায় উঠতে পারবে কি না, সেই প্রশ্নই এখন রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন