বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে অধীর চৌধুরীর জয়ের পক্ষে সরব হুমায়ুন কবীর। নিজের দল নিয়ে ভোটে বড় লড়াইয়ের ইঙ্গিত, জোট ও প্রার্থী সংখ্যা নিয়ে নতুন ঘোষণা।
উদয় বাংলা : রাজ্য রাজনীতিতে ফের একবার আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন হুমায়ুন কবীর। শনিবার বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, আসন্ন নির্বাচনে নতুন সমীকরণ গড়ে তুলতেই তাঁর এই পদক্ষেপ। একই সঙ্গে বহরমপুর কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর জয়ের কামনাও প্রকাশ করেছেন তিনি। শুধু শুভেচ্ছা জানানোই নয়, অধীরের জয়ে সহযোগিতার ইঙ্গিত দিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছেন হুমায়ুন।
সোমবার বিধানসভায় গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর হুমায়ুন জানান, তাঁর দল আগামী দিনে আরও বিস্তৃত পরিসরে লড়াই করবে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে এবং আরও কিছু আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রাথমিকভাবে ১৮২টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও চাহিদা বাড়ায় সেই সংখ্যা ইতিমধ্যেই ১৯৩-এ পৌঁছেছে এবং শীঘ্রই আরও ৭ থেকে ১০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।
প্রসঙ্গত, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে হুমায়ুন কবীর নিজের রাজনৈতিক দল ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ গঠন করেছেন। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ নির্মাণের ডাক দিয়ে তিনি আগেই বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছিলেন, এবং সেই কাজও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আগামী মঙ্গলবার তাঁর দলের ইস্তেহার প্রকাশের কথা।
এবারের নির্বাচনে তিনি অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (মিম)-এর সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াইয়ের কথা ঘোষণা করেছেন। কলকাতায় মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসিকে পাশে নিয়ে ইতিমধ্যেই সাংবাদিক বৈঠকও করেছেন তিনি, যা রাজনৈতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
হুমায়ুন কবীরের দাবি, আসন্ন নির্বাচনে কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে না। তাঁর কথায়, “বিজেপি বা তৃণমূল কেউই ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারবে না। আমরা ডবল ডিজিটে পৌঁছে ‘মিরাকল’ ঘটাব, এবং শেষ পর্যন্ত আমরাই ঠিক করব কারা সরকার গড়বে।” নিজের দলের প্রতীক ‘বাঁশি’র উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ফুটবল মাঠে যেমন বাঁশির আওয়াজে খেলার গতি নির্ধারিত হয়, তেমনই আমরাই নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেব।”
ভরতপুরের বিধায়ক হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরই হুমায়ুন কবীর নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। তাঁর দল ইতিমধ্যেই ১৫৩ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে এবং রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরেও প্রার্থী দিয়েছে। হুমায়ুন কবীরের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
উদয় বাংলা : রাজ্য রাজনীতিতে ফের একবার আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন হুমায়ুন কবীর। শনিবার বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, আসন্ন নির্বাচনে নতুন সমীকরণ গড়ে তুলতেই তাঁর এই পদক্ষেপ। একই সঙ্গে বহরমপুর কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর জয়ের কামনাও প্রকাশ করেছেন তিনি। শুধু শুভেচ্ছা জানানোই নয়, অধীরের জয়ে সহযোগিতার ইঙ্গিত দিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছেন হুমায়ুন।
সোমবার বিধানসভায় গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর হুমায়ুন জানান, তাঁর দল আগামী দিনে আরও বিস্তৃত পরিসরে লড়াই করবে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে এবং আরও কিছু আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রাথমিকভাবে ১৮২টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও চাহিদা বাড়ায় সেই সংখ্যা ইতিমধ্যেই ১৯৩-এ পৌঁছেছে এবং শীঘ্রই আরও ৭ থেকে ১০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।
প্রসঙ্গত, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে হুমায়ুন কবীর নিজের রাজনৈতিক দল ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ গঠন করেছেন। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ নির্মাণের ডাক দিয়ে তিনি আগেই বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছিলেন, এবং সেই কাজও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আগামী মঙ্গলবার তাঁর দলের ইস্তেহার প্রকাশের কথা।
এবারের নির্বাচনে তিনি অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (মিম)-এর সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াইয়ের কথা ঘোষণা করেছেন। কলকাতায় মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসিকে পাশে নিয়ে ইতিমধ্যেই সাংবাদিক বৈঠকও করেছেন তিনি, যা রাজনৈতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
হুমায়ুন কবীরের দাবি, আসন্ন নির্বাচনে কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে না। তাঁর কথায়, “বিজেপি বা তৃণমূল কেউই ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারবে না। আমরা ডবল ডিজিটে পৌঁছে ‘মিরাকল’ ঘটাব, এবং শেষ পর্যন্ত আমরাই ঠিক করব কারা সরকার গড়বে।” নিজের দলের প্রতীক ‘বাঁশি’র উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ফুটবল মাঠে যেমন বাঁশির আওয়াজে খেলার গতি নির্ধারিত হয়, তেমনই আমরাই নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেব।”
ভরতপুরের বিধায়ক হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরই হুমায়ুন কবীর নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। তাঁর দল ইতিমধ্যেই ১৫৩ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে এবং রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরেও প্রার্থী দিয়েছে। হুমায়ুন কবীরের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন