বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই পাহাড়ের তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কার্শিয়াং কেন্দ্রে লড়াইয়ে নামছে বিজিপিএম। লিখছেন আশুতোষ
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই পাহাড়ের রাজনীতিতে প্রথম চাল চালল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা (বিজিপিএম)। নির্বাচন ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দলটি দার্জিলিং পাহাড়ের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিল। এবার তারা নিজেদের দলীয় প্রতীকেই নির্বাচনে লড়াই করবে বলে জানিয়েছে। পাহাড়ের তিনটি আসন– দার্জিলিং, কালিম্পং এবং কার্শিয়াং, এই তিন কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে বিজিপিএম। দার্জিলিং বিধানসভা কেন্দ্রে দলের প্রার্থী করা হয়েছে বিজয় কুমার রাইকে, কালিম্পংয়ে গতবারের বিধায়ক রুদেন সাদা লেপচাকে এবং কার্শিয়াং কেন্দ্রে অমর লামাকে।
পাহাড়ে বর্তমানে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে অনীত থাপার দল। অনীত থাপার নেতৃত্বাধীন বিজিপিএম ইতিমধ্যেই পাহাড়ে ক্ষমতায় থাকা গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ) এবং দার্জিলিং পুরসভার দখল ধরে রেখেছে। সেই সূত্রে পাহাড়ে উন্নয়নের কাজও তারা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি দলের। রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কথাও তুলে ধরছেন দলের নেতারা। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিনের অস্থিরতার পর এখন পাহাড়বাসী শান্তি ও উন্নয়নই চাইছেন। পর্যটনের উপর নির্ভরশীল এই অঞ্চলে আবার পর্যটকদের ভিড় বাড়ুক, সেটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। সেই কারণেই পাহাড়ের মানুষ অনীত থাপার নেতৃত্বের উপর আস্থা রাখছেন বলে বিজিপিএমের দাবি।
দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্য, নির্বাচনের প্রস্তুতি তারা অনেক আগেই শুরু করে দিয়েছিল। প্রার্থীদের নামও আগে থেকেই চূড়ান্ত করা ছিল। তবে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত তা প্রকাশ করা হয়নি। রবিবার ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই তাই প্রথম দল হিসেবে বিজিপিএম তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে। দলের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীর মতামত নিয়ে এই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। নির্বাচনে তারা একাই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও দলীয় নেতারা আশাবাদী যে আগের নির্বাচনের মতো এবারও তৃণমূল কংগ্রেস তাদের সমর্থন করবে। পাহাড়ের তিনটি আসনেই জয়ের ব্যাপারে তারা শতভাগ আত্মবিশ্বাসী বলেও দাবি করছে বিজিপিএম।
দলের মুখপাত্র শক্তিপ্রসাদ শর্মা বলেন, “আমরা অনেক দিন ধরেই প্রস্তুত ছিলাম। শুধু অপেক্ষা করছিলাম কবে নির্বাচন ঘোষণা হবে। দিন ঘোষণার আগে প্রার্থীর নাম জানানো উচিত নয় বলেই এতদিন ঘোষণা করা হয়নি। পাহাড়ের প্রতিটি মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। তাই জয়ের ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত। তৃণমূলের সঙ্গে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কথা না হলেও আমরা আশাবাদী তারা আমাদের সমর্থন করবে। অন্য দল কী করছে তা নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। স্থানীয় রাজনীতিতে আমরাই এখন সবচেয়ে শক্তিশালী।”
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই পাহাড়ের রাজনীতিতে প্রথম চাল চালল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা (বিজিপিএম)। নির্বাচন ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দলটি দার্জিলিং পাহাড়ের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিল। এবার তারা নিজেদের দলীয় প্রতীকেই নির্বাচনে লড়াই করবে বলে জানিয়েছে। পাহাড়ের তিনটি আসন– দার্জিলিং, কালিম্পং এবং কার্শিয়াং, এই তিন কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে বিজিপিএম। দার্জিলিং বিধানসভা কেন্দ্রে দলের প্রার্থী করা হয়েছে বিজয় কুমার রাইকে, কালিম্পংয়ে গতবারের বিধায়ক রুদেন সাদা লেপচাকে এবং কার্শিয়াং কেন্দ্রে অমর লামাকে।
পাহাড়ে বর্তমানে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে অনীত থাপার দল। অনীত থাপার নেতৃত্বাধীন বিজিপিএম ইতিমধ্যেই পাহাড়ে ক্ষমতায় থাকা গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ) এবং দার্জিলিং পুরসভার দখল ধরে রেখেছে। সেই সূত্রে পাহাড়ে উন্নয়নের কাজও তারা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি দলের। রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কথাও তুলে ধরছেন দলের নেতারা। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিনের অস্থিরতার পর এখন পাহাড়বাসী শান্তি ও উন্নয়নই চাইছেন। পর্যটনের উপর নির্ভরশীল এই অঞ্চলে আবার পর্যটকদের ভিড় বাড়ুক, সেটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। সেই কারণেই পাহাড়ের মানুষ অনীত থাপার নেতৃত্বের উপর আস্থা রাখছেন বলে বিজিপিএমের দাবি।
দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্য, নির্বাচনের প্রস্তুতি তারা অনেক আগেই শুরু করে দিয়েছিল। প্রার্থীদের নামও আগে থেকেই চূড়ান্ত করা ছিল। তবে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত তা প্রকাশ করা হয়নি। রবিবার ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই তাই প্রথম দল হিসেবে বিজিপিএম তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে। দলের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীর মতামত নিয়ে এই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। নির্বাচনে তারা একাই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও দলীয় নেতারা আশাবাদী যে আগের নির্বাচনের মতো এবারও তৃণমূল কংগ্রেস তাদের সমর্থন করবে। পাহাড়ের তিনটি আসনেই জয়ের ব্যাপারে তারা শতভাগ আত্মবিশ্বাসী বলেও দাবি করছে বিজিপিএম।
দলের মুখপাত্র শক্তিপ্রসাদ শর্মা বলেন, “আমরা অনেক দিন ধরেই প্রস্তুত ছিলাম। শুধু অপেক্ষা করছিলাম কবে নির্বাচন ঘোষণা হবে। দিন ঘোষণার আগে প্রার্থীর নাম জানানো উচিত নয় বলেই এতদিন ঘোষণা করা হয়নি। পাহাড়ের প্রতিটি মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। তাই জয়ের ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত। তৃণমূলের সঙ্গে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কথা না হলেও আমরা আশাবাদী তারা আমাদের সমর্থন করবে। অন্য দল কী করছে তা নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। স্থানীয় রাজনীতিতে আমরাই এখন সবচেয়ে শক্তিশালী।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন