পুলিশ সতর্ক করে বলেছে, এই ভিডিও ছড়ানো শুধু নির্যাতিতাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনই নয়, বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-এর তদন্ত প্রক্রিয়াকেও বাধাগ্রস্ত করছে।
মুম্বই : মহারাষ্ট্রের নাসিকের বহুল আলোচিত ভণ্ড জ্যোতিষী অশোক খারাট কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। এই মামলার সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের আপত্তিকর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার দুই অভিযুক্ত—রাহুল শিন্ডে এবং যোগেশ আঢাভ—কোপারগাঁও এলাকার বাসিন্দা। তারা একটি ‘BMW’ নামে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এই ভিডিওগুলি শেয়ার করেছিল। এই ভিডিওগুলি মূলত সেইসব মহিলাদের, যারা অশোক খারাটের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলির নির্যাতিতা বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এই ঘটনায় আরেকজন অভিযুক্তের নামও সামনে এসেছে, যিনি বীড জেলার বাসিন্দা এবং বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করেছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি আইন (IT Act)-এর অধীনেও অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার মতে, এই ভিডিও ছড়ানো শুধু নির্যাতিতাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনই নয়, বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-এর তদন্ত প্রক্রিয়াকেও বাধাগ্রস্ত করছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এই ধরনের ভিডিও শেয়ার করা, সংরক্ষণ করা বা ফরওয়ার্ড করাও গুরুতর অপরাধ। এমনকি AI-নির্মিত বা মরফড ভিডিও হলেও তা আইনের আওতায় পড়বে। এই ঘটনার পর সাইবার সেল আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং মেসেজিং প্ল্যাটফর্মগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে দ্রুত এই ধরনের কনটেন্ট চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
পুলিশ সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেছে—যদি কারও কাছে এই ধরনের ভিডিও থাকে, তবে তা অবিলম্বে মুছে ফেলতে হবে এবং শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যথায় কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
![]() |
AI-generated symbolic image |
মুম্বই : মহারাষ্ট্রের নাসিকের বহুল আলোচিত ভণ্ড জ্যোতিষী অশোক খারাট কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। এই মামলার সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের আপত্তিকর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার দুই অভিযুক্ত—রাহুল শিন্ডে এবং যোগেশ আঢাভ—কোপারগাঁও এলাকার বাসিন্দা। তারা একটি ‘BMW’ নামে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এই ভিডিওগুলি শেয়ার করেছিল। এই ভিডিওগুলি মূলত সেইসব মহিলাদের, যারা অশোক খারাটের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলির নির্যাতিতা বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এই ঘটনায় আরেকজন অভিযুক্তের নামও সামনে এসেছে, যিনি বীড জেলার বাসিন্দা এবং বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করেছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি আইন (IT Act)-এর অধীনেও অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার মতে, এই ভিডিও ছড়ানো শুধু নির্যাতিতাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনই নয়, বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-এর তদন্ত প্রক্রিয়াকেও বাধাগ্রস্ত করছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এই ধরনের ভিডিও শেয়ার করা, সংরক্ষণ করা বা ফরওয়ার্ড করাও গুরুতর অপরাধ। এমনকি AI-নির্মিত বা মরফড ভিডিও হলেও তা আইনের আওতায় পড়বে। এই ঘটনার পর সাইবার সেল আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং মেসেজিং প্ল্যাটফর্মগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে দ্রুত এই ধরনের কনটেন্ট চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
পুলিশ সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেছে—যদি কারও কাছে এই ধরনের ভিডিও থাকে, তবে তা অবিলম্বে মুছে ফেলতে হবে এবং শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যথায় কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন