বাংলাদেশের ভাবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্তব্যে তসলিমা নাসরিনের প্রশংসা, বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক! নাস্তিকদের নিরাপত্তা ও বাকস্বাধীনতা নিয়ে কী বললেন লেখিকা?
নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে প্রবাসী লেখিকা তসলিমা নাসরিন-এর একটি সোশাল মিডিয়া পোস্ট। রবিবার তিনি তাঁর ফেসবুক পেজে তিনি একটি দীর্ঘ পোস্টে বাংলাদেশের ভাবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করে প্রকৃত ধর্মীয় সহনশীলতা, বাকস্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেন।
১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিএনপি সুপ্রিমো তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা। সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসন জিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়েছে ।
সম্প্রতি তারেক রহমান দাবি করেছেন, তাঁর দল বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায় যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিক নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন। এই বক্তব্যকে ‘দরকারি’ ও ‘অভূতপূর্ব’ বলে উল্লেখ করে বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন সোশাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, অতীতে বাংলাদেশের কোনও সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রনায়ক এভাবে অবিশ্বাসী ও সংশয়বাদীদের নিরাপত্তার কথা স্পষ্টভাবে বলেননি।
তাঁর পোস্টে লেখিকা বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে অবিশ্বাসী, নাস্তিক ও মুক্তচিন্তার মানুষের উপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত করা হয়েছে, অনেককে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে এবং মুক্তমনাদের হত্যার ঘটনায় যথাযথ বিচার হয়নি।
এই প্রসঙ্গে তিনি ধর্মীয় উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদের সমালোচনা করে বলেন, মুক্তচিন্তার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে একটি আধুনিক ও বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, তসলিমা নাসরিনের এই মন্তব্য বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং বিরোধী বিএনপির মধ্যে রাজনৈতিক মেরুকরণের মাঝে মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে।
তারেক রহমানের ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ প্রতিশ্রুতি এবং তার প্রতি তসলিমার সমর্থন এই ইস্যুগুলিকে আবার আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এল বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে আগামী দিনে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হতে পারে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
লেখিকা তসলিমা নাসরিনের মন্তব্য ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে। একদিকে নেটিজেনদের অনেকে তাঁর বক্তব্যকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সাহসী অবস্থান হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে সমালোচকেরা তাঁর ধর্ম বিষয়ক মন্তব্যকে বিতর্কিত বলে আখ্যা দিয়েছেন।
বাংলাদেশে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, নাগরিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা—এই তিনটি বিষয় দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সেক্ষেত্রে সর্বধর্ম সহাবস্থানের প্রতি ভাবি রাষ্ট্রনায়কের প্রতিশ্রুতি এবং তসলিমা নাসরিনের সমর্থন এই বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে। তবে বাস্তবে এসব প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন কতটা ঘটবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিএনপি সুপ্রিমো তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা। সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসন জিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়েছে ।
সম্প্রতি তারেক রহমান দাবি করেছেন, তাঁর দল বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায় যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিক নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন। এই বক্তব্যকে ‘দরকারি’ ও ‘অভূতপূর্ব’ বলে উল্লেখ করে বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন সোশাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, অতীতে বাংলাদেশের কোনও সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রনায়ক এভাবে অবিশ্বাসী ও সংশয়বাদীদের নিরাপত্তার কথা স্পষ্টভাবে বলেননি।
তাঁর পোস্টে লেখিকা বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে অবিশ্বাসী, নাস্তিক ও মুক্তচিন্তার মানুষের উপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত করা হয়েছে, অনেককে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে এবং মুক্তমনাদের হত্যার ঘটনায় যথাযথ বিচার হয়নি।
এই প্রসঙ্গে তিনি ধর্মীয় উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদের সমালোচনা করে বলেন, মুক্তচিন্তার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে একটি আধুনিক ও বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, তসলিমা নাসরিনের এই মন্তব্য বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং বিরোধী বিএনপির মধ্যে রাজনৈতিক মেরুকরণের মাঝে মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে।
তারেক রহমানের ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ প্রতিশ্রুতি এবং তার প্রতি তসলিমার সমর্থন এই ইস্যুগুলিকে আবার আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এল বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে আগামী দিনে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হতে পারে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
লেখিকা তসলিমা নাসরিনের মন্তব্য ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে। একদিকে নেটিজেনদের অনেকে তাঁর বক্তব্যকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সাহসী অবস্থান হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে সমালোচকেরা তাঁর ধর্ম বিষয়ক মন্তব্যকে বিতর্কিত বলে আখ্যা দিয়েছেন।
বাংলাদেশে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, নাগরিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা—এই তিনটি বিষয় দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সেক্ষেত্রে সর্বধর্ম সহাবস্থানের প্রতি ভাবি রাষ্ট্রনায়কের প্রতিশ্রুতি এবং তসলিমা নাসরিনের সমর্থন এই বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে। তবে বাস্তবে এসব প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন কতটা ঘটবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন