মালদহ স্টেশন থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সম্ভাব্য অশান্তির আশঙ্কায় সতর্ক আরপিএফ, রুটজুড়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

কলকাতা : দেশের রেল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ হতে চলেছে। মালদহ স্টেশন থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রিমিয়াম ট্রেনের উদ্বোধন ঘিরে আগাম সতর্কতায় নেমেছে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফ। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে যাতে কোনও রকম অশান্তি বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আঁটসাঁট করার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কালিয়াচক আইসিকে চিঠি দিয়ে রুটজুড়ে বাড়তি নজরদারির আর্জি জানিয়েছে আরপিএফ।
আরপিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার চেষ্টা হতে পারে। পাশাপাশি মালদহ, জমিরঘাটা, খালতিপুর, ছামাগ্রাম, শঙ্কপাড়া, নিউ ফারাক্কা, বল্লালপুর, ধূলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা-সহ একাধিক এলাকায় প্রধানমন্ত্রীকে কালো পতাকা দেখানোর আশঙ্কাও করা হচ্ছে। এই কারণেই স্থানীয় প্রশাসন ও রেল পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৩ সালে মাত্র ন’দিনের মধ্যে চারবার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে হামলার ঘটনা ঘটেছিল, যা এখনও প্রশাসনের স্মৃতিতে তাজা। সেই অভিজ্ঞতাই এবার বাড়তি সতর্কতার কারণ।
রেলমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হাওড়া ও কামাখ্যার মধ্যে সপ্তাহে ছ’দিন চলবে বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস। হাওড়া স্টেশন থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ট্রেনটি ছাড়বে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে কামাখ্যা পৌঁছবে। অন্যদিকে কামাখ্যা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে রওনা দিয়ে পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়া পৌঁছবে এই ট্রেন। রেলের দাবি, অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় অনেক কম সময়ে এই দীর্ঘ যাত্রাপথ অতিক্রম করবে বন্দে ভারত স্লিপার।
হাওড়া থেকে কামাখ্যা পর্যন্ত যাত্রাপথে মোট ১৩টি স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন। হাওড়া ছাড়ার পর ব্যান্ডেল, নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, নিউ ফারাক্কা জংশন, মালদহ টাউন, আলুবাড়ি রোড, নিউ জলপাইগুড়ি, জলপাইগুড়ি রোড, নিউ কোচবিহার, নিউ আলিপুরদুয়ার, নিউ বঙ্গাইগাঁও ও রঙ্গিয়া হয়ে কামাখ্যায় পৌঁছবে ট্রেনটি। কামাখ্যা থেকে ছাড়ার পর একই স্টেশনগুলিতেই স্টপেজ থাকবে। তবে কামাখ্যা থেকে বুধবার এবং হাওড়া থেকে বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।
দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ১৬ কোচের সম্পূর্ণ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে থাকছে ১১টি এসি থ্রি-টায়ার, চারটি এসি টু-টায়ার এবং একটি ফার্স্ট ক্লাস এসি কোচ। একসঙ্গে ৮০০-র বেশি যাত্রী এই ট্রেনে সফর করতে পারবেন। রেলের দাবি, প্রিমিয়াম পরিষেবা থাকা সত্ত্বেও ভাড়া তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছে। খাবার খরচ-সহ থার্ড এসির ভাড়া ২,৩০০ টাকা, সেকেন্ড এসির ভাড়া ৩,০০০ টাকা এবং ফার্স্ট এসির ভাড়া ৩,৬০০ টাকা। পাশাপাশি কবচ, এমার্জেন্সি টক-ব্যাক সিস্টেম-সহ একাধিক অত্যাধুনিক নিরাপত্তা ও যাত্রী পরিষেবাও মিলবে এই ট্রেনে। সব মিলিয়ে দেশের রেল পরিষেবায় গতি ও স্বাচ্ছন্দ্যের নতুন দিশা দেখাতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস।

কলকাতা : দেশের রেল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ হতে চলেছে। মালদহ স্টেশন থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রিমিয়াম ট্রেনের উদ্বোধন ঘিরে আগাম সতর্কতায় নেমেছে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফ। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে যাতে কোনও রকম অশান্তি বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আঁটসাঁট করার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কালিয়াচক আইসিকে চিঠি দিয়ে রুটজুড়ে বাড়তি নজরদারির আর্জি জানিয়েছে আরপিএফ।
আরপিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার চেষ্টা হতে পারে। পাশাপাশি মালদহ, জমিরঘাটা, খালতিপুর, ছামাগ্রাম, শঙ্কপাড়া, নিউ ফারাক্কা, বল্লালপুর, ধূলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা-সহ একাধিক এলাকায় প্রধানমন্ত্রীকে কালো পতাকা দেখানোর আশঙ্কাও করা হচ্ছে। এই কারণেই স্থানীয় প্রশাসন ও রেল পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৩ সালে মাত্র ন’দিনের মধ্যে চারবার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে হামলার ঘটনা ঘটেছিল, যা এখনও প্রশাসনের স্মৃতিতে তাজা। সেই অভিজ্ঞতাই এবার বাড়তি সতর্কতার কারণ।
রেলমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হাওড়া ও কামাখ্যার মধ্যে সপ্তাহে ছ’দিন চলবে বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস। হাওড়া স্টেশন থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ট্রেনটি ছাড়বে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে কামাখ্যা পৌঁছবে। অন্যদিকে কামাখ্যা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে রওনা দিয়ে পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়া পৌঁছবে এই ট্রেন। রেলের দাবি, অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় অনেক কম সময়ে এই দীর্ঘ যাত্রাপথ অতিক্রম করবে বন্দে ভারত স্লিপার।
হাওড়া থেকে কামাখ্যা পর্যন্ত যাত্রাপথে মোট ১৩টি স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন। হাওড়া ছাড়ার পর ব্যান্ডেল, নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, নিউ ফারাক্কা জংশন, মালদহ টাউন, আলুবাড়ি রোড, নিউ জলপাইগুড়ি, জলপাইগুড়ি রোড, নিউ কোচবিহার, নিউ আলিপুরদুয়ার, নিউ বঙ্গাইগাঁও ও রঙ্গিয়া হয়ে কামাখ্যায় পৌঁছবে ট্রেনটি। কামাখ্যা থেকে ছাড়ার পর একই স্টেশনগুলিতেই স্টপেজ থাকবে। তবে কামাখ্যা থেকে বুধবার এবং হাওড়া থেকে বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।
দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ১৬ কোচের সম্পূর্ণ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে থাকছে ১১টি এসি থ্রি-টায়ার, চারটি এসি টু-টায়ার এবং একটি ফার্স্ট ক্লাস এসি কোচ। একসঙ্গে ৮০০-র বেশি যাত্রী এই ট্রেনে সফর করতে পারবেন। রেলের দাবি, প্রিমিয়াম পরিষেবা থাকা সত্ত্বেও ভাড়া তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছে। খাবার খরচ-সহ থার্ড এসির ভাড়া ২,৩০০ টাকা, সেকেন্ড এসির ভাড়া ৩,০০০ টাকা এবং ফার্স্ট এসির ভাড়া ৩,৬০০ টাকা। পাশাপাশি কবচ, এমার্জেন্সি টক-ব্যাক সিস্টেম-সহ একাধিক অত্যাধুনিক নিরাপত্তা ও যাত্রী পরিষেবাও মিলবে এই ট্রেনে। সব মিলিয়ে দেশের রেল পরিষেবায় গতি ও স্বাচ্ছন্দ্যের নতুন দিশা দেখাতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন