একই দিনে মুর্শিদাবাদের যে কোনও জায়গায় ১০ লক্ষ জমায়েতের হুঙ্কার জনতা উন্নয়ন পার্টির। বিজেপি ও তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ– পারলে কেউ আটকে দেখান।
কলকাতা: ১ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ১০ লক্ষ লোকের জমায়েত করে সমাবেশ করার পরিকল্পনা নিয়েছিল জনতা উন্নয়ন পার্টি। কিন্তু সেনা কর্তৃপক্ষ শুক্রবার সেই আবেদন নাকচ করে দেয়।এরপরেই বিজেপি এবং তৃণমূল সরকার দুজনের চাপে ব্রিগেডে তাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে বিস্ফোরক দাবি করেছে জেইউপি। দলের দাবি, প্রথমে সেনা বলেছিল, শুক্রবার এসে অনুমতি নিয়ে যাবেন। কিন্তু শুক্রবার সেখানে যেতে তাঁরা জানিয়ে দেন, অনুমতি দেওয়া যাবে না।
জেইউপি-র মুখপাত্র শাহিদুল হক মণ্ডল শনিবার তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন, “ছাব্বিশের ভোটে বিধানসভা নির্বাচনে সব থেকে বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে হুমায়ুন কবির ও জনতা উন্নয়ন পার্টি। কারণ জনতা উন্নয়ন পার্টি, তৃণমূল এবং বিজেপির ভোটে থাবা বসিয়েছে। সেটা আমরা বিগত দিনে বাবরি মসজিদ তৈরির উদ্বোধন থেকে শুরু করে অর্থাৎ ছয়ই ডিসেম্বর এবং বাইশ তারিখ যেদিন দল ঘোষণা হয় সেই দিনও আমরা দেখেছি লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতি এবং সমাগম। মুর্শিদাবাদে একের পর এক, যেখানেই কর্মসূচি হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় এবং আজ, শনিবার ডোমকলে যে জনসভা আছে, সেখানে যে বিপুল সংখ্যায় মানুষ আসবে তার হিসাব নিকাশ পাওয়া মুশকিল। আমার বিশ্বাস সেখানেও লক্ষ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। সব থেকে বড় কথা হচ্ছে এই তৃণমূল কংগ্রেস, তার সরকার এবং বিজেপি– তাদের একটা গোপন বোঝাপড়া আছে দিল্লিতে। যে কারণে বিজেপি চাইছে যে তারা বিরোধী দলে থাকবে এবং তৃণমূল শাসকদলে থাকবে। এটা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং মোহন ভাগবতের ইচ্ছা। যে কারণে এই বিজেপি এবং তৃণমূল সরকার দু’ তরফের চাপে ব্রিগেডে আমাদের অনুমতি দেবে বলেও শেষ মুহূর্তে আটকে দিল।”
![]() |
| জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির। –ফাইল ছবি। |
কলকাতা: ১ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ১০ লক্ষ লোকের জমায়েত করে সমাবেশ করার পরিকল্পনা নিয়েছিল জনতা উন্নয়ন পার্টি। কিন্তু সেনা কর্তৃপক্ষ শুক্রবার সেই আবেদন নাকচ করে দেয়।এরপরেই বিজেপি এবং তৃণমূল সরকার দুজনের চাপে ব্রিগেডে তাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে বিস্ফোরক দাবি করেছে জেইউপি। দলের দাবি, প্রথমে সেনা বলেছিল, শুক্রবার এসে অনুমতি নিয়ে যাবেন। কিন্তু শুক্রবার সেখানে যেতে তাঁরা জানিয়ে দেন, অনুমতি দেওয়া যাবে না।
জেইউপি-র মুখপাত্র শাহিদুল হক মণ্ডল শনিবার তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন, “ছাব্বিশের ভোটে বিধানসভা নির্বাচনে সব থেকে বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে হুমায়ুন কবির ও জনতা উন্নয়ন পার্টি। কারণ জনতা উন্নয়ন পার্টি, তৃণমূল এবং বিজেপির ভোটে থাবা বসিয়েছে। সেটা আমরা বিগত দিনে বাবরি মসজিদ তৈরির উদ্বোধন থেকে শুরু করে অর্থাৎ ছয়ই ডিসেম্বর এবং বাইশ তারিখ যেদিন দল ঘোষণা হয় সেই দিনও আমরা দেখেছি লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতি এবং সমাগম। মুর্শিদাবাদে একের পর এক, যেখানেই কর্মসূচি হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় এবং আজ, শনিবার ডোমকলে যে জনসভা আছে, সেখানে যে বিপুল সংখ্যায় মানুষ আসবে তার হিসাব নিকাশ পাওয়া মুশকিল। আমার বিশ্বাস সেখানেও লক্ষ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। সব থেকে বড় কথা হচ্ছে এই তৃণমূল কংগ্রেস, তার সরকার এবং বিজেপি– তাদের একটা গোপন বোঝাপড়া আছে দিল্লিতে। যে কারণে বিজেপি চাইছে যে তারা বিরোধী দলে থাকবে এবং তৃণমূল শাসকদলে থাকবে। এটা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং মোহন ভাগবতের ইচ্ছা। যে কারণে এই বিজেপি এবং তৃণমূল সরকার দু’ তরফের চাপে ব্রিগেডে আমাদের অনুমতি দেবে বলেও শেষ মুহূর্তে আটকে দিল।”
তিনি দাবি করেন, গত তিন দিন আগে আমাদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির সেনার আমন্ত্রণে নিজে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেই দিনও সেনা অফিসার বলেছিল যে শুক্রবারে আসবেন, এসে আপনি পারমিশন নিয়ে যাবেন। কিন্তু এই খবরটা কোনও ভাবে জানাজানি হওয়ায় বিজেপির পক্ষ থেকে সেনাকে বারণ করে দেওয়া হয়। কারণ বিজেপি সেন্ট্রালের চালিকাশক্তি। তারা সরকার চালাচ্ছে, তাদের হুকুম অনুযায়ী সেনাবাহিনী চলে।
তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে ভরতপুরের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক হুমায়ুন কবীর দল ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ গঠন করেছেন। দল গড়েই ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে শতাধিক আসনে লড়াইয়ের ঘোষণা করেন তিনি। সেই লক্ষ্যেই শক্তি প্রদর্শনের পরিকল্পনা করে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি বড়সড় জনসভার ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সভার দিনক্ষণও ঠিক করা হয়েছিল। তবে সেই পরিকল্পনায় ছেদ পড়ে সেনার অনুমতি না মেলায়।
তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে ভরতপুরের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক হুমায়ুন কবীর দল ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ গঠন করেছেন। দল গড়েই ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে শতাধিক আসনে লড়াইয়ের ঘোষণা করেন তিনি। সেই লক্ষ্যেই শক্তি প্রদর্শনের পরিকল্পনা করে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি বড়সড় জনসভার ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সভার দিনক্ষণও ঠিক করা হয়েছিল। তবে সেই পরিকল্পনায় ছেদ পড়ে সেনার অনুমতি না মেলায়।
এরপরেই হুমায়ুন জানান, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই তাঁর দল সেনার কাছে আবেদন করেছিল। শুক্রবার সেনা দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয় জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিনিধিদের। সেখানে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে কোনও রাজনৈতিক সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। বিকল্প হিসেবে শহিদ মিনারে সভার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তাতে আপত্তি জানান হুমায়ুন। তাঁর দাবি, এত বিপুল জনসমাগম শহিদ মিনারে করা সম্ভব নয়।
এদিন শাহিদুল আরও দাবি করেন, তৃণমূলের পক্ষ থেকেও বিজেপির কাছে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, হুমায়ুন কবির এবং তাঁর দল জনতা উন্নয়ন পার্টি যদি বাংলায় ২০২৬-এ বিজেপি এবং তৃণমূলের ভোটে থাবা বসায়, তাহলে যেমন বিজেপি তৃতীয় পজিশনে যাবে অর্থাৎ থার্ড পজিশনে যাবে, ঠিক তেমনই তৃণমূল কংগ্রেস সরকার থেকে গদিচ্যুত হবে এবং বাংলার শাসনভার আসবে হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে যে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো থাকবে তাদের ঘাড়ে। সেই জন্য বিজেপি ষড়যন্ত্র করে আমাদের এই ব্রিগেডের সভা বাতিল করে দিয়েছে।”
এদিন শাহিদুল আরও দাবি করেন, তৃণমূলের পক্ষ থেকেও বিজেপির কাছে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, হুমায়ুন কবির এবং তাঁর দল জনতা উন্নয়ন পার্টি যদি বাংলায় ২০২৬-এ বিজেপি এবং তৃণমূলের ভোটে থাবা বসায়, তাহলে যেমন বিজেপি তৃতীয় পজিশনে যাবে অর্থাৎ থার্ড পজিশনে যাবে, ঠিক তেমনই তৃণমূল কংগ্রেস সরকার থেকে গদিচ্যুত হবে এবং বাংলার শাসনভার আসবে হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে যে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো থাকবে তাদের ঘাড়ে। সেই জন্য বিজেপি ষড়যন্ত্র করে আমাদের এই ব্রিগেডের সভা বাতিল করে দিয়েছে।”
তিনি বলেন, “তবে হুমায়ুন কবির যেমন থেমে থাকার পাত্র নয়, জনতা উন্নয়ন পার্টিও থেমে থাকবে না। সেই জন্য দলের পক্ষ থেকে আমাদের যে বার্তাটা দেওয়ার সেটা হলো ব্রিগেড সেনাবাহিনীর হাতে থাকায় বিজেপি তৃণমূলের চাপে আটকাতে পারে, অনুমতি না দিতে পারে। কিন্তু ১ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেডে সমাবেশের কথা ছিল। সেই নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে আমরা পশ্চিমবঙ্গের যে কোনো জায়গায় দশ লক্ষ মানুষ নিয়ে জনসমাবেশ করব। এটা তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির কাছে আমাদের চ্যালেঞ্জ থাকল, পারলে আটকাবে।”
শাহিদুলের কথায়, হুমায়ুন কবির এই মুহূর্তে বাংলার রাজনীতিতে উদীয়মান সূর্য। বাংলার রাজনীতিতে তিনি একমাত্র দিশা। হুমায়ুন কবির যুব সমাজের আইকন। হুমায়ুন কবির মা-বোনেদের নেতা। সুতরাং হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে জনতা উন্নয়ন পার্টি সারা বাংলা শুধু নয়, আগামী দিন পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমেও একই সঙ্গে দেশজুড়ে জনতা উন্নয়ন পার্টি ছড়িয়ে পড়বে। ইতিমধ্যে অসম থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তারাও আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমাদের দলের নেতৃত্বে অসমে নির্বাচনের লড়াই করবে। কারণ, অসমেও মুসলমানরা ব্যাপক পরিমাণে অত্যাচারিত এই বিজেপি সরকারের দ্বারা। যাহা বিজেপি তাহাই তৃণমূল। একে অপরের পরিপূরক। মুদ্রার এ পিঠ এবং ও পিঠ। একে অপরের বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে কেউ দিল্লি চালাচ্ছে, কেউ বাংলা চালাচ্ছে।
শাহিদুলের কথায়, হুমায়ুন কবির এই মুহূর্তে বাংলার রাজনীতিতে উদীয়মান সূর্য। বাংলার রাজনীতিতে তিনি একমাত্র দিশা। হুমায়ুন কবির যুব সমাজের আইকন। হুমায়ুন কবির মা-বোনেদের নেতা। সুতরাং হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে জনতা উন্নয়ন পার্টি সারা বাংলা শুধু নয়, আগামী দিন পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমেও একই সঙ্গে দেশজুড়ে জনতা উন্নয়ন পার্টি ছড়িয়ে পড়বে। ইতিমধ্যে অসম থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তারাও আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমাদের দলের নেতৃত্বে অসমে নির্বাচনের লড়াই করবে। কারণ, অসমেও মুসলমানরা ব্যাপক পরিমাণে অত্যাচারিত এই বিজেপি সরকারের দ্বারা। যাহা বিজেপি তাহাই তৃণমূল। একে অপরের পরিপূরক। মুদ্রার এ পিঠ এবং ও পিঠ। একে অপরের বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে কেউ দিল্লি চালাচ্ছে, কেউ বাংলা চালাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজকোষের টাকা নিয়ে জনগণের ট্যাক্সের টাকা নিয়ে তিনি একের পর এক মন্দির উদ্বোধন করে চলেছেন। অথচ এসআইআর নিয়ে যখন বাংলায় আগুন জ্বলছে, টায়ার জ্বলছে, রাস্তার উপর রান্না করে খাচ্ছে কোটি কোটি মুসলমান, যখন চোখের জল ফেলছে যে তার ভোটার লিস্টে নামটা থাকবে কিনা, যখন কোটি কোটি মানুষের কাছে ইলেকশন কমিশনের তরফ থেকে নোটিশ আসছে, হিয়ারিং এ যেতে হবে বলে মানুষ যখন আতঙ্কে আছে, তখন মুখ্যমন্ত্রী ধর্ম নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছেন। তাই তিনি একের পর এক মসজিদ তৈরি না করে মন্দির তৈরি করে চলেছেন। ইতিমধ্যে বাইশটা মন্দির তার তৈরি হয়ে গিয়েছে। মহাকাল মন্দিরেরও শিলান্যাস করে ফেললেন। এর তীব্র প্রতিবাদ আমরা জানাচ্ছি এবং নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা বলব যে, ছাব্বিশে বাংলার জনগণ মা, বোন, বাবা, কাকারা, দাদারা, ভাইয়েরা, যত যুবক সমাজ আছে, ছাত্রসমাজ প্রত্যেকের কাছে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি যে, এই অরাজনৈতিক পার্টি তৃণমূল মানুষের সঙ্গে বেইমানি করা দল। তৃণমূল মানুষকে বিপদে ফেলা দল। তৃণমূল যুব সমাজের কর্মসংস্থান নষ্ট করা দল। তৃণমূল চাকরিচোর। তৃণমূল ফাইলচোর। তৃণমূল কয়লাচোর। তৃণমূল এই সরকারকে অবিলম্বে বাংলা থেকে সরানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন