ব্রিগেডে সভার অনুমতি না পেয়ে মুর্শিদাবাদে ১০ লক্ষ মানুষের জমায়েতের হুঙ্কার ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের। বিধানসভা ভোটের আগে জনতা উন্নয়ন পার্টিকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা।
কলকাতা : বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা ক্রমশ চড়ছে। তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে ভরতপুরের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক হুমায়ুন কবীর দল ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ গঠন করেছেন। দল গড়েই ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে শতাধিক আসনে লড়াইয়ের ঘোষণা করেন তিনি। সেই লক্ষ্যেই শক্তি প্রদর্শনের পরিকল্পনা করে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি বড়সড় জনসভার ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সভার দিনক্ষণও ঠিক করা হয়েছিল। তবে সেই পরিকল্পনায় ছেদ পড়ে সেনার অনুমতি না মেলায়।
শুক্রবার ব্রিগেডে সভার অনুমতি না পেয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর হুঙ্কার, ব্রিগেড না হলে মুর্শিদাবাদেই ১০ লক্ষ মানুষের জমায়েত করবেন তিনি। হুমায়ুন জানান, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই তাঁর দল সেনার কাছে আবেদন করেছিল। শুক্রবার সেনা দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয় জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিনিধিদের। সেখানে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে কোনও রাজনৈতিক সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। বিকল্প হিসেবে শহিদ মিনারে সভার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তাতে আপত্তি জানান হুমায়ুন। তাঁর দাবি, এত বিপুল জনসমাগম শহিদ মিনারে করা সম্ভব নয়।
হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, এখন তাঁদের নজর থাকবে ভবিষ্যতে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলকে ব্রিগেডে সভার অনুমতি দেওয়া হয় কি না। একই সঙ্গে এই ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূল ও বিজেপির যোগসাজশের অভিযোগ তুলে দুই দলকেই নিশানা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, পরিকল্পিতভাবেই তাঁকে ব্রিগেডে সভা করতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
এরপরই নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করেন ভরতপুরের বিধায়ক। হুমায়ুন জানান, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদেই প্রায় ৫০ বিঘা জমির উপর এক বিশাল জনসমাবেশের আয়োজন করা হবে। সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ জমায়েত হবেন বলে তাঁর দাবি। নতুন দল গঠনের পর থেকেই তৃণমূল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। সেই কারণেই ব্রিগেডে সভা করে নিজের রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের পরিকল্পনা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। তবে ব্রিগেডে অনুমতি না মেলায় সেই কর্মসূচি ভেস্তে গেল। এখন রাজনৈতিক মহলের নজর, ১ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদের মাটিতে কতটা শক্তি প্রদর্শন করতে পারেন জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা।
কলকাতা : বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা ক্রমশ চড়ছে। তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে ভরতপুরের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক হুমায়ুন কবীর দল ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ গঠন করেছেন। দল গড়েই ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে শতাধিক আসনে লড়াইয়ের ঘোষণা করেন তিনি। সেই লক্ষ্যেই শক্তি প্রদর্শনের পরিকল্পনা করে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি বড়সড় জনসভার ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সভার দিনক্ষণও ঠিক করা হয়েছিল। তবে সেই পরিকল্পনায় ছেদ পড়ে সেনার অনুমতি না মেলায়।
শুক্রবার ব্রিগেডে সভার অনুমতি না পেয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর হুঙ্কার, ব্রিগেড না হলে মুর্শিদাবাদেই ১০ লক্ষ মানুষের জমায়েত করবেন তিনি। হুমায়ুন জানান, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই তাঁর দল সেনার কাছে আবেদন করেছিল। শুক্রবার সেনা দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয় জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিনিধিদের। সেখানে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে কোনও রাজনৈতিক সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। বিকল্প হিসেবে শহিদ মিনারে সভার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তাতে আপত্তি জানান হুমায়ুন। তাঁর দাবি, এত বিপুল জনসমাগম শহিদ মিনারে করা সম্ভব নয়।
হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, এখন তাঁদের নজর থাকবে ভবিষ্যতে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলকে ব্রিগেডে সভার অনুমতি দেওয়া হয় কি না। একই সঙ্গে এই ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূল ও বিজেপির যোগসাজশের অভিযোগ তুলে দুই দলকেই নিশানা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, পরিকল্পিতভাবেই তাঁকে ব্রিগেডে সভা করতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
এরপরই নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করেন ভরতপুরের বিধায়ক। হুমায়ুন জানান, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদেই প্রায় ৫০ বিঘা জমির উপর এক বিশাল জনসমাবেশের আয়োজন করা হবে। সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ জমায়েত হবেন বলে তাঁর দাবি। নতুন দল গঠনের পর থেকেই তৃণমূল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। সেই কারণেই ব্রিগেডে সভা করে নিজের রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের পরিকল্পনা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। তবে ব্রিগেডে অনুমতি না মেলায় সেই কর্মসূচি ভেস্তে গেল। এখন রাজনৈতিক মহলের নজর, ১ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদের মাটিতে কতটা শক্তি প্রদর্শন করতে পারেন জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন