পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে মামলায় নির্বাচন কমিশনকে একাধিক নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ আপত্তিতে থাকা প্রায় ১.২৫ কোটি ব্যক্তির নাম প্রকাশের নির্দেশ।
নয়াদিল্লি ও কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া ঘিরে ওঠা বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচন কমিশন যে প্রায় ১.২৫ কোটি ব্যক্তির নামের ক্ষেত্রে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বা যুক্তিগত অসঙ্গতির আপত্তি তুলেছে, সেই সমস্ত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলাকালীন আদালত জানায়, ইতিমধ্যেই প্রায় দুই কোটি মানুষকে নথি যাচাইয়ের জন্য নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন এবং তাদের বড় অংশই ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বিভাগের আওতায় পড়ছেন।
আদালতের এই নির্দেশের খবর পাওয়ার পরেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বারাসতের কাছারিবাজারের জনসভায় ভাষণে বলেন, ‘‘যারা ভেবেছিল বাংলার ১ কোটি ৩৫ লক্ষ মানুষকে অন্ধকারে রেখে তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেবে ৷ দেশের সর্বোচ্চ আদালত আজ তাদের দু’গালে সপাটে থাপ্পড় মেরেছে । কমিশন বলেছিল, তালিকা প্রকাশ করবে না, কারণ তালিকা বেরোলে এদের কারচুপি ধরা পড়ে যেত । কিন্তু আজ আদালত বলেছে, গ্রাম পঞ্চায়েত ধরে ধরে নোটিশ টাঙাতে হবে । এটা মা-মাটি-মানুষের জয় ।’’
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এই শ্রেণির ব্যক্তিদের নাম গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক অফিস ও ওয়ার্ড অফিসে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে যাঁরা প্রভাবিত হতে পারেন, তাঁদের অনুমোদিত আধিকারিকদের কাছে নথি জমা দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে এবং গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন থেকেই আপত্তি বা নথি জমা নেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। কোনও আপত্তি সন্তোষজনক হলে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শুনানির সুযোগ দিতে হবে, যা নথি জমা দেওয়ার সময়েই করা যেতে পারে।
সুপ্রিম কোর্ট আরও নির্দেশ দিয়েছে, আগ্রহী সমস্ত ব্যক্তির নথি জমা দেওয়ার সুবিধার্থে নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা জারি করতে হবে এবং রাজ্য সরকারকে পর্যাপ্ত জনবল দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে আপত্তি নিষ্পত্তি ও শুনানির প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়।
পাশাপাশি গোটা প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখভালের দায়িত্ব পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মহাপরিচালককে নিতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সুপ্রিম কোর্ট আরও জানায়, যাঁদের নাম ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ তালিকায় রয়েছে অথচ এখনও দাবি বা আপত্তি জমা দেননি, তাঁদের আগামী দশ দিনের মধ্যে তা জমা করতে হবে।
নয়াদিল্লি ও কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া ঘিরে ওঠা বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচন কমিশন যে প্রায় ১.২৫ কোটি ব্যক্তির নামের ক্ষেত্রে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বা যুক্তিগত অসঙ্গতির আপত্তি তুলেছে, সেই সমস্ত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলাকালীন আদালত জানায়, ইতিমধ্যেই প্রায় দুই কোটি মানুষকে নথি যাচাইয়ের জন্য নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন এবং তাদের বড় অংশই ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বিভাগের আওতায় পড়ছেন।
আদালতের এই নির্দেশের খবর পাওয়ার পরেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বারাসতের কাছারিবাজারের জনসভায় ভাষণে বলেন, ‘‘যারা ভেবেছিল বাংলার ১ কোটি ৩৫ লক্ষ মানুষকে অন্ধকারে রেখে তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেবে ৷ দেশের সর্বোচ্চ আদালত আজ তাদের দু’গালে সপাটে থাপ্পড় মেরেছে । কমিশন বলেছিল, তালিকা প্রকাশ করবে না, কারণ তালিকা বেরোলে এদের কারচুপি ধরা পড়ে যেত । কিন্তু আজ আদালত বলেছে, গ্রাম পঞ্চায়েত ধরে ধরে নোটিশ টাঙাতে হবে । এটা মা-মাটি-মানুষের জয় ।’’
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এই শ্রেণির ব্যক্তিদের নাম গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক অফিস ও ওয়ার্ড অফিসে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে যাঁরা প্রভাবিত হতে পারেন, তাঁদের অনুমোদিত আধিকারিকদের কাছে নথি জমা দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে এবং গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন থেকেই আপত্তি বা নথি জমা নেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। কোনও আপত্তি সন্তোষজনক হলে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শুনানির সুযোগ দিতে হবে, যা নথি জমা দেওয়ার সময়েই করা যেতে পারে।
সুপ্রিম কোর্ট আরও নির্দেশ দিয়েছে, আগ্রহী সমস্ত ব্যক্তির নথি জমা দেওয়ার সুবিধার্থে নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা জারি করতে হবে এবং রাজ্য সরকারকে পর্যাপ্ত জনবল দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে আপত্তি নিষ্পত্তি ও শুনানির প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়।
পাশাপাশি গোটা প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখভালের দায়িত্ব পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মহাপরিচালককে নিতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সুপ্রিম কোর্ট আরও জানায়, যাঁদের নাম ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ তালিকায় রয়েছে অথচ এখনও দাবি বা আপত্তি জমা দেননি, তাঁদের আগামী দশ দিনের মধ্যে তা জমা করতে হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন