মুর্শিদাবাদে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরের।
বহরমপুর : মুর্শিদাবাদে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেস এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তিনি অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গোটা রাজ্যজুড়ে তোলাবাজি চলছে এবং তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ মানুষের স্বার্থ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে। তাঁর দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষকে অপমান করেছেন এবং জেলার রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণাই নেই।
হুমায়ুন কবীর বলেন, দিল্লিতে পড়াশোনা করে হাওয়ার টানে রাজনীতিতে এসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থেকে বারবার জিতলেও তৃণমূল কংগ্রেসের সিনিয়র নেতাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দলের প্রবীণ নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় অসুস্থ থাকার সময় তাঁর জায়গায় অন্য কাউকে দায়িত্ব না দিয়ে কেন পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি কটাক্ষ করে বলেন, আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তায় শতাধিক পুলিশ মোতায়েন থাকে, কিন্তু সরকার পরিবর্তন হলে কতজন পুলিশ তাঁকে নিরাপত্তা দেয়, তা মানুষ দেখবে।
মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে হুমায়ুন কবীর বলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেই তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম হয়েছিল। তিনি নিজেকেও কটাক্ষ করে বলেন, ২০১২ সালে তৃণমূলে যোগ দেওয়া ছিল তাঁর জীবনের একটি ঐতিহাসিক ভুল। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসে কাজের সময় কাজির ভূমিকা পালন করা হয়, আর কাজ ফুরোলেই মানুষকে কোণঠাসা করে দেওয়া হয়।
মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে হুমায়ুন কবীর দাবি করেন, গোয়েন্দা রিপোর্টেই স্পষ্ট যে জেলার একাধিক জায়গায় তৃণমূল প্রার্থীরা পিছিয়ে রয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গোটা মুর্শিদাবাদ জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে একটিও আসন জিততে দেবেন না। রেজিনগর ও বেলডাঙা—এই দুই আসনে তিনি নিজেই প্রার্থী হবেন বলে ঘোষণা করেন এবং চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন, রেজিনগরে মুখ্যমন্ত্রী ও বেলডাঙায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেন তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে দেখান।
শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, কেউ কেউ দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রীকে হারানো হয়েছে, কিন্তু আসল লড়াইয়ের জায়গা মুর্শিদাবাদ। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, জেলার যে কোনও একটি আসনে দাঁড়িয়ে নির্বাচন করে দেখান, তাহলেই বোঝা যাবে রাজনৈতিক শক্তি কার কতটা।
বেলডাঙার সাম্প্রতিক ঘটনার নিন্দা করে হুমায়ুন কবীর বলেন, দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। তাঁর বক্তব্য, মুর্শিদাবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ না হলে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠবে। জনগণের নিরাপত্তা ও ন্যায়ের প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করে দেন।
![]() |
| জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির। ফাইল চিত্র। |
বহরমপুর : মুর্শিদাবাদে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেস এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তিনি অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গোটা রাজ্যজুড়ে তোলাবাজি চলছে এবং তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ মানুষের স্বার্থ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে। তাঁর দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষকে অপমান করেছেন এবং জেলার রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণাই নেই।
হুমায়ুন কবীর বলেন, দিল্লিতে পড়াশোনা করে হাওয়ার টানে রাজনীতিতে এসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থেকে বারবার জিতলেও তৃণমূল কংগ্রেসের সিনিয়র নেতাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দলের প্রবীণ নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় অসুস্থ থাকার সময় তাঁর জায়গায় অন্য কাউকে দায়িত্ব না দিয়ে কেন পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি কটাক্ষ করে বলেন, আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তায় শতাধিক পুলিশ মোতায়েন থাকে, কিন্তু সরকার পরিবর্তন হলে কতজন পুলিশ তাঁকে নিরাপত্তা দেয়, তা মানুষ দেখবে।
মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে হুমায়ুন কবীর বলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেই তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম হয়েছিল। তিনি নিজেকেও কটাক্ষ করে বলেন, ২০১২ সালে তৃণমূলে যোগ দেওয়া ছিল তাঁর জীবনের একটি ঐতিহাসিক ভুল। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসে কাজের সময় কাজির ভূমিকা পালন করা হয়, আর কাজ ফুরোলেই মানুষকে কোণঠাসা করে দেওয়া হয়।
মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে হুমায়ুন কবীর দাবি করেন, গোয়েন্দা রিপোর্টেই স্পষ্ট যে জেলার একাধিক জায়গায় তৃণমূল প্রার্থীরা পিছিয়ে রয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গোটা মুর্শিদাবাদ জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে একটিও আসন জিততে দেবেন না। রেজিনগর ও বেলডাঙা—এই দুই আসনে তিনি নিজেই প্রার্থী হবেন বলে ঘোষণা করেন এবং চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন, রেজিনগরে মুখ্যমন্ত্রী ও বেলডাঙায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেন তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে দেখান।
শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, কেউ কেউ দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রীকে হারানো হয়েছে, কিন্তু আসল লড়াইয়ের জায়গা মুর্শিদাবাদ। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, জেলার যে কোনও একটি আসনে দাঁড়িয়ে নির্বাচন করে দেখান, তাহলেই বোঝা যাবে রাজনৈতিক শক্তি কার কতটা।
বেলডাঙার সাম্প্রতিক ঘটনার নিন্দা করে হুমায়ুন কবীর বলেন, দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। তাঁর বক্তব্য, মুর্শিদাবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ না হলে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠবে। জনগণের নিরাপত্তা ও ন্যায়ের প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করে দেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন