পশ্চিমবঙ্গে জনসভা ও সরকারি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ডাবল ইঞ্জিন সরকারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরলেন। সিঙ্গুরে একাধিক রেল ও পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তিনি।
![]() |
| সিঙ্গুরে সরকারি প্রকল্প উদ্বোধনের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস এবং বিজেপির দুই রাজ্যনেতা। রবিবার। |
সিঙ্গুর : পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের জন্য ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’ অপরিহার্য বলে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার পশ্চিমবঙ্গে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এবং বিশাল জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠিত হলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে উন্নয়নের গতি বহুগুণে বাড়বে। ত্রিপুরায় জল জীবন মিশনের সাফল্যের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিজেপি শাসনে সেখানে নলবাহিত পানীয় জলের আওতা ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮৫ শতাংশে পৌঁছেছে, একই ধরনের পরিবর্তন বাংলাতেও সম্ভব।
জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে মোদি অভিযোগ করেন, রাজ্যে বর্তমানে ‘মহা জঙ্গলরাজ’ চলছে, যেখানে মহিলাদের নিরাপত্তা নেই এবং শিক্ষা ব্যবস্থা মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণে। সন্দেশখালি কাণ্ড ও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকে তিনি পরিবর্তনের বড় কারণ হিসেবে তুলে ধরেন। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে গত ১১ বছর ধরে সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণে বাধা দিচ্ছে রাজ্য সরকার, কারণ এরা তৃণমূলের ‘স্থায়ী ভোটব্যাঙ্ক’। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র বিজেপিকে ভোট দিলেই সিন্ডিকেট ট্যাক্সের অবসান হবে এবং ভুয়ো নথি থাকা অনুপ্রবেশকারীদের দেশছাড়া করা সম্ভব হবে। তিনি একে ‘মোদির গ্যারান্টি’ বলে উল্লেখ করেন।
এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী এদিন পশ্চিমবঙ্গে ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা করেন। হুগলির সিঙ্গুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি জয়রামবাটি–বারোগোপীনাথপুর–ময়নাপুর রেললাইন উদ্বোধন করেন এবং ময়নাপুর-জয়রামবাটি রুটে একটি ট্রেনের যাত্রার সূচনা করেন। পাশাপাশি কলকাতাকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত করে তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের সূচনা করেন। এই ট্রেনগুলি হাওড়া–আনন্দ বিহার টার্মিনাল, শিয়ালদহ–বারাণসী এবং সাঁতরাগাছি–তাম্বরম রুটে চলবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সব প্রকল্প বাংলার উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে এবং পূর্ব ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নই কেন্দ্রের লক্ষ্য। এছাড়াও তিনি হুগলির বালাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, যার মধ্যে ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট টার্মিনাল ও একটি রোড ওভার ব্রিজ অন্তর্ভুক্ত। প্রায় ৯০০ একর জমির উপর গড়ে ওঠা এই প্রকল্পের বার্ষিক কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা হবে প্রায় ২.৭ মিলিয়ন টন। শহরের ভিড় এড়িয়ে পণ্য পরিবহণ সহজ করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে মোদি অভিযোগ করেন, রাজ্যে বর্তমানে ‘মহা জঙ্গলরাজ’ চলছে, যেখানে মহিলাদের নিরাপত্তা নেই এবং শিক্ষা ব্যবস্থা মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণে। সন্দেশখালি কাণ্ড ও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকে তিনি পরিবর্তনের বড় কারণ হিসেবে তুলে ধরেন। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে গত ১১ বছর ধরে সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণে বাধা দিচ্ছে রাজ্য সরকার, কারণ এরা তৃণমূলের ‘স্থায়ী ভোটব্যাঙ্ক’। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র বিজেপিকে ভোট দিলেই সিন্ডিকেট ট্যাক্সের অবসান হবে এবং ভুয়ো নথি থাকা অনুপ্রবেশকারীদের দেশছাড়া করা সম্ভব হবে। তিনি একে ‘মোদির গ্যারান্টি’ বলে উল্লেখ করেন।
এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী এদিন পশ্চিমবঙ্গে ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা করেন। হুগলির সিঙ্গুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি জয়রামবাটি–বারোগোপীনাথপুর–ময়নাপুর রেললাইন উদ্বোধন করেন এবং ময়নাপুর-জয়রামবাটি রুটে একটি ট্রেনের যাত্রার সূচনা করেন। পাশাপাশি কলকাতাকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত করে তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের সূচনা করেন। এই ট্রেনগুলি হাওড়া–আনন্দ বিহার টার্মিনাল, শিয়ালদহ–বারাণসী এবং সাঁতরাগাছি–তাম্বরম রুটে চলবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সব প্রকল্প বাংলার উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে এবং পূর্ব ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নই কেন্দ্রের লক্ষ্য। এছাড়াও তিনি হুগলির বালাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, যার মধ্যে ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট টার্মিনাল ও একটি রোড ওভার ব্রিজ অন্তর্ভুক্ত। প্রায় ৯০০ একর জমির উপর গড়ে ওঠা এই প্রকল্পের বার্ষিক কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা হবে প্রায় ২.৭ মিলিয়ন টন। শহরের ভিড় এড়িয়ে পণ্য পরিবহণ সহজ করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন