মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার আবেদন জানান।
![]() |
| মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পাশে দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। শনিবার। |
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ‘সংবিধানের অভিভাবক’ হিসেবে উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেশের মানুষ তাঁর আইনি অভিভাবকত্বের অধীনে রয়েছে এবং যাঁরা অন্যায়ভাবে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার নিশানায় পড়ছেন, তাঁদের সুরক্ষা দেওয়া বিচারব্যবস্থার দায়িত্ব।
তিনি বলেন, সংবিধান, গণতন্ত্র, দেশের নিরাপত্তা, ইতিহাস, ভূগোল ও সীমানা রক্ষা করা একান্ত জরুরি এবং এই দায়িত্ব পালনে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা সর্বোচ্চ।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “মানুষকে রক্ষা করুন, গণতন্ত্রকে বাঁচান, দেশকে বাঁচান, সংবিধানকে বাঁচান। আমরা আপনাদের অভিভাবকত্বে আছি। বিচারব্যবস্থার ঊর্ধ্বে কেউ নেই।” তাঁর বক্তব্যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও গুরুত্বের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
৪০ একর জমির উপর রাজ্য সরকারের উদ্যোগে নির্মিত এই স্থায়ী ভবন উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করল। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের বাসিন্দাদের জন্য এবার ন্যায়বিচারে পৌঁছনো আরও সহজ হবে বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব-সহ একাধিক জনপ্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে বিচার পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে জানান, বর্তমানে রাজ্যে ৮৮টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট চালু রয়েছে, যার মধ্যে ৫২টি মহিলা আদালত এবং ৭টি পকসো আদালত। ভবিষ্যতেও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার আরও প্রকল্প হাতে নিচ্ছে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন