বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচিত হলেন নীতীন নবীন। ২০ জানুয়ারি থেকে দায়িত্ব, মঙ্গলবার দিল্লিতে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও রাজনাথ সিং।
নয়াদিল্লি: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন নীতীন নবীন। সোমবার এই পদে জয়ী হন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের মন্ত্রিসভার সদস্য নীতীন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তার আগেই মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে শপথ নেবেন নয়া সভাপতি। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবেন।
২০২০ সাল থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন জেপি নাড্ডা। একই সঙ্গে মোদি মন্ত্রিসভায় তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্বেও রয়েছেন। নাড্ডার মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে গত ডিসেম্বর মাসে নীতীন নবীনকে বিজেপির সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। তখন থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয় যে, পরবর্তী সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব তাঁর হাতেই যেতে চলেছে। সূত্রের খবর, সেই অনুযায়ী এই পদের জন্য নীতীনের নাম প্রস্তাব করেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর রাজ্য সভাপতি মনোনয়নের প্রক্রিয়ায় কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় সোমবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন নীতীন নবীন।
এ বিষয়ে বিজেপির জাতীয় রিটার্নিং অফিসার কে লক্ষ্মণের তরফে একটি প্রেস বিবৃতি জারি করা হয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৩৬টি রাজ্যের মধ্যে নির্বাচিত ৩০ জন রাজ্য সভাপতির পাশাপাশি মোট ৩৭টি মনোনয়ন জমা পড়ে নীতীনের পক্ষে। সমস্ত মনোনয়নপত্র বৈধ বলেই গৃহীত হয়। মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় যে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন নীতীন নবীন।
বর্তমানে বিহার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন নীতীন নবীন। তিনি নীতীশ কুমারের বর্তমান মন্ত্রিসভার একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী। সদ্য সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে পটনার বাঁকিপুর আসন থেকে প্রার্থী হয়ে আরজেডির রেখা কুমারীকে ৫১ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেন নীতীন। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তাঁর এই উত্থান বিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
২০২০ সাল থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন জেপি নাড্ডা। একই সঙ্গে মোদি মন্ত্রিসভায় তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্বেও রয়েছেন। নাড্ডার মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে গত ডিসেম্বর মাসে নীতীন নবীনকে বিজেপির সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। তখন থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয় যে, পরবর্তী সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব তাঁর হাতেই যেতে চলেছে। সূত্রের খবর, সেই অনুযায়ী এই পদের জন্য নীতীনের নাম প্রস্তাব করেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর রাজ্য সভাপতি মনোনয়নের প্রক্রিয়ায় কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় সোমবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন নীতীন নবীন।
এ বিষয়ে বিজেপির জাতীয় রিটার্নিং অফিসার কে লক্ষ্মণের তরফে একটি প্রেস বিবৃতি জারি করা হয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৩৬টি রাজ্যের মধ্যে নির্বাচিত ৩০ জন রাজ্য সভাপতির পাশাপাশি মোট ৩৭টি মনোনয়ন জমা পড়ে নীতীনের পক্ষে। সমস্ত মনোনয়নপত্র বৈধ বলেই গৃহীত হয়। মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় যে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন নীতীন নবীন।
বর্তমানে বিহার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন নীতীন নবীন। তিনি নীতীশ কুমারের বর্তমান মন্ত্রিসভার একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী। সদ্য সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে পটনার বাঁকিপুর আসন থেকে প্রার্থী হয়ে আরজেডির রেখা কুমারীকে ৫১ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেন নীতীন। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তাঁর এই উত্থান বিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন