২০২৫ সালে সিনেমা হলে গিয়ে ভারতের মানুষ ঠিক কত টাকা খরচ করেছে জানেন? বক্স অফিসের এই বিশাল অঙ্ক শুনলে চমকে উঠবেন আপনিও।
মোবাইল, ওটিটি আর শর্ট ভিডিওর যুগে দাঁড়িয়ে অনেকেই ভেবেছিলেন সিনেমা হল বুঝি ধীরে ধীরে গুরুত্ব হারাচ্ছে। কিন্তু ২০২৫ সাল এসে সেই ধারণাকে এক ঝটকায় উল্টে দিল। এই বছরে ভারতের মানুষ সিনেমা হলে গিয়ে যে পরিমাণ টাকা খরচ করেছে, তা শুনলে সত্যিই অবাক হতে হয়। বড় পর্দার জাদু যে এখনও অটুট, তার প্রমাণ মিলেছে বক্স অফিসের অঙ্কেই।
২০২৫ সালে ভারতের সিনেমা হলগুলিতে টিকিট বিক্রি থেকে মোট সংগ্রহ হয়েছে প্রায় ১২,৫০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ শুধু সিনেমা দেখার জন্যই দর্শকরা নিজেদের পকেট থেকে খরচ করেছেন এই বিশাল অঙ্ক। এই টাকা কোনও এক বা দুইটি ছবির নয়, বরং হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কন্নড়—সব ভাষার সিনেমা মিলিয়ে গোটা বছরের হিসাব। বড় বাজেটের অ্যাকশন ছবি, তারকা-নির্ভর সিনেমা আর উৎসবের সময় মুক্তি পাওয়া ছবিগুলো দর্শকদের টেনে এনেছে হলে।
এই পরিসংখ্যান একদিকে যেমন প্রযোজক ও সিনেমা হল মালিকদের জন্য স্বস্তির খবর, তেমনই এটি প্রমাণ করে যে ভারতীয় দর্শক এখনও বড় পর্দার অভিজ্ঞতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বাড়িতে বসে সিনেমা দেখার সুবিধা থাকলেও, প্রিয় নায়ক-নায়িকার ছবি হলে গিয়ে দেখার আবেগ এখনও অটুট। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সিনেমা হলের অন্ধকারে বসে হাততালি, হাসি আর আবেগ ভাগ করে নেওয়ার অনুভূতির বিকল্প নেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৫ সালের এই বিপুল বক্স অফিস আয় ভবিষ্যতের ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির দিকনির্দেশও স্পষ্ট করছে। বড় স্কেল, ভালো গল্প আর দর্শক টানতে পারে—এমন সিনেমায় বিনিয়োগ আরও বাড়বে। সব মিলিয়ে বলা যায়, ২০২৫ সাল প্রমাণ করে দিল, সিনেমা হল এখনও ভারতের মানুষের বিনোদনের হৃদয়ে রাজত্ব করছে, আর সেই রাজত্বের মূল্য দিতে তারা খরচ করতেও একেবারেই পিছপা নয়।
মোবাইল, ওটিটি আর শর্ট ভিডিওর যুগে দাঁড়িয়ে অনেকেই ভেবেছিলেন সিনেমা হল বুঝি ধীরে ধীরে গুরুত্ব হারাচ্ছে। কিন্তু ২০২৫ সাল এসে সেই ধারণাকে এক ঝটকায় উল্টে দিল। এই বছরে ভারতের মানুষ সিনেমা হলে গিয়ে যে পরিমাণ টাকা খরচ করেছে, তা শুনলে সত্যিই অবাক হতে হয়। বড় পর্দার জাদু যে এখনও অটুট, তার প্রমাণ মিলেছে বক্স অফিসের অঙ্কেই।
২০২৫ সালে ভারতের সিনেমা হলগুলিতে টিকিট বিক্রি থেকে মোট সংগ্রহ হয়েছে প্রায় ১২,৫০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ শুধু সিনেমা দেখার জন্যই দর্শকরা নিজেদের পকেট থেকে খরচ করেছেন এই বিশাল অঙ্ক। এই টাকা কোনও এক বা দুইটি ছবির নয়, বরং হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কন্নড়—সব ভাষার সিনেমা মিলিয়ে গোটা বছরের হিসাব। বড় বাজেটের অ্যাকশন ছবি, তারকা-নির্ভর সিনেমা আর উৎসবের সময় মুক্তি পাওয়া ছবিগুলো দর্শকদের টেনে এনেছে হলে।
এই পরিসংখ্যান একদিকে যেমন প্রযোজক ও সিনেমা হল মালিকদের জন্য স্বস্তির খবর, তেমনই এটি প্রমাণ করে যে ভারতীয় দর্শক এখনও বড় পর্দার অভিজ্ঞতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বাড়িতে বসে সিনেমা দেখার সুবিধা থাকলেও, প্রিয় নায়ক-নায়িকার ছবি হলে গিয়ে দেখার আবেগ এখনও অটুট। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সিনেমা হলের অন্ধকারে বসে হাততালি, হাসি আর আবেগ ভাগ করে নেওয়ার অনুভূতির বিকল্প নেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৫ সালের এই বিপুল বক্স অফিস আয় ভবিষ্যতের ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির দিকনির্দেশও স্পষ্ট করছে। বড় স্কেল, ভালো গল্প আর দর্শক টানতে পারে—এমন সিনেমায় বিনিয়োগ আরও বাড়বে। সব মিলিয়ে বলা যায়, ২০২৫ সাল প্রমাণ করে দিল, সিনেমা হল এখনও ভারতের মানুষের বিনোদনের হৃদয়ে রাজত্ব করছে, আর সেই রাজত্বের মূল্য দিতে তারা খরচ করতেও একেবারেই পিছপা নয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন