গ্রাম থেকে শহর, উন্নয়নমূলক ইস্যুতে নীতিশ-নেতৃত্বাধীন জোটের প্রতি আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছেন সাধারণ মানুষ।
পাটনা: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ অর্জন করল ঐতিহাসিক জয়। ভোটগণনা শুরুর পর থেকেই স্পষ্ট ছিল যে এই নির্বাচনে এনডিএ শক্তিকেই জনমত এগিয়ে রেখেছে। শেষ পর্যন্ত সেই ইঙ্গিতই সত্যি হয়ে উঠল—ভারী ব্যবধানে মহাগঠবন্ধনকে পরাজিত করে রাজ্যে দশমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসতে চলেছেন জনতা দল (ইউ)-এর নেতা নীতিশ কুমার। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বড় অধ্যায় রচিত হল এদিনের ফলাফলে।
ভোটের আগে থেকেই এনডিএ শিবিরে ছিল আত্মবিশ্বাস। বিজেপি নেতৃত্ব বারবার বলেছিল, ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’ চলবে আরও দ্রুতগতিতে। অন্য দিকে, নীতিশ কুমারের নেতৃত্বে জেডি(ইউ) জোর দিচ্ছিল তার দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, নারী-শিক্ষা থেকে রাস্তাঘাট—বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে। ফল ঘোষণার পর দেখা গেল, এই দুই শক্তির সমন্বয়ই কার্যত বিহারের ভোটারদের পছন্দ হয়েছে।
অন্যদিকে মহাগঠবন্ধন, যাদের প্রধান ভরসা ছিল আরজেডি-র ‘যুব নেতৃত্ব’ এবং কংগ্রেসের প্রচার, তারা মানুষের মন জয় করতে ব্যর্থ হল। প্রচারের সময় লালু প্রসাদ যাদবের দল দাবি করেছিল, বিহার এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবে। কিন্তু ভোটবাক্স খুলতেই দেখা গেল বিপরীত ছবি—গ্রাম থেকে শহর, উন্নয়নমূলক ইস্যুতে নীতিশ-নেতৃত্বাধীন জোটের প্রতি আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছেন সাধারণ মানুষ।
এই ফলাফল বিহার রাজনীতিতে আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তাও দিল—নীতিশ কুমার এখনও রাজ্যের রাজনীতিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ‘টাইগার’। ভোটের আগে জেডি(ইউ) কার্যালয় থেকে প্রচার করা পোস্টার—‘টাইগার আভি জিন্দা হ্যায়’—দিনশেষে যেন বাস্তব রূপ পেল। ৭৪ বছর বয়সেও নীতিশের রাজনৈতিক প্রভাব, রাজ্যের ভোটারদের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতার উপর যে এনডিএ বিরাটভাবে ভরসা করেছিল, তা স্পষ্ট।
ফল প্রকাশের পর এনডিএ শিবিরে শুরু হয়েছে উৎসবের পরিবেশ। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে জেডি(ইউ)-র জেলা সংগঠন—সব জায়গায় উচ্ছ্বাস। নীতিশ কুমার সাংবাদিকদের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘‘বিহারের মানুষ উন্নয়ন চান। এই ফল তাদের সেই ইচ্ছাকেই প্রতিফলিত করেছে। আমরা কাজ করব আরও দ্রুত।’’
এনডিএ-র এই জয় শুধুই রাজনৈতিক সাফল্য নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি বার্তা—অস্থির জোট রাজনীতির মাঝেও নেতৃত্ব, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি থাকলে বিহারের জনতা সেই হাতই ধরে। আর তাই টানা দশমবার শপথ নিতে চলেছেন নীতিশ কুমার, বিহারের রাজনৈতিক ইতিহাসে তৈরি হচ্ছে নতুন রেকর্ড।
![]() |
| ফাইল ছবি। |
পাটনা: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ অর্জন করল ঐতিহাসিক জয়। ভোটগণনা শুরুর পর থেকেই স্পষ্ট ছিল যে এই নির্বাচনে এনডিএ শক্তিকেই জনমত এগিয়ে রেখেছে। শেষ পর্যন্ত সেই ইঙ্গিতই সত্যি হয়ে উঠল—ভারী ব্যবধানে মহাগঠবন্ধনকে পরাজিত করে রাজ্যে দশমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসতে চলেছেন জনতা দল (ইউ)-এর নেতা নীতিশ কুমার। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বড় অধ্যায় রচিত হল এদিনের ফলাফলে।
ভোটের আগে থেকেই এনডিএ শিবিরে ছিল আত্মবিশ্বাস। বিজেপি নেতৃত্ব বারবার বলেছিল, ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’ চলবে আরও দ্রুতগতিতে। অন্য দিকে, নীতিশ কুমারের নেতৃত্বে জেডি(ইউ) জোর দিচ্ছিল তার দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, নারী-শিক্ষা থেকে রাস্তাঘাট—বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে। ফল ঘোষণার পর দেখা গেল, এই দুই শক্তির সমন্বয়ই কার্যত বিহারের ভোটারদের পছন্দ হয়েছে।
অন্যদিকে মহাগঠবন্ধন, যাদের প্রধান ভরসা ছিল আরজেডি-র ‘যুব নেতৃত্ব’ এবং কংগ্রেসের প্রচার, তারা মানুষের মন জয় করতে ব্যর্থ হল। প্রচারের সময় লালু প্রসাদ যাদবের দল দাবি করেছিল, বিহার এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবে। কিন্তু ভোটবাক্স খুলতেই দেখা গেল বিপরীত ছবি—গ্রাম থেকে শহর, উন্নয়নমূলক ইস্যুতে নীতিশ-নেতৃত্বাধীন জোটের প্রতি আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছেন সাধারণ মানুষ।
এই ফলাফল বিহার রাজনীতিতে আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তাও দিল—নীতিশ কুমার এখনও রাজ্যের রাজনীতিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ‘টাইগার’। ভোটের আগে জেডি(ইউ) কার্যালয় থেকে প্রচার করা পোস্টার—‘টাইগার আভি জিন্দা হ্যায়’—দিনশেষে যেন বাস্তব রূপ পেল। ৭৪ বছর বয়সেও নীতিশের রাজনৈতিক প্রভাব, রাজ্যের ভোটারদের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতার উপর যে এনডিএ বিরাটভাবে ভরসা করেছিল, তা স্পষ্ট।
ফল প্রকাশের পর এনডিএ শিবিরে শুরু হয়েছে উৎসবের পরিবেশ। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে জেডি(ইউ)-র জেলা সংগঠন—সব জায়গায় উচ্ছ্বাস। নীতিশ কুমার সাংবাদিকদের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘‘বিহারের মানুষ উন্নয়ন চান। এই ফল তাদের সেই ইচ্ছাকেই প্রতিফলিত করেছে। আমরা কাজ করব আরও দ্রুত।’’
এনডিএ-র এই জয় শুধুই রাজনৈতিক সাফল্য নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি বার্তা—অস্থির জোট রাজনীতির মাঝেও নেতৃত্ব, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি থাকলে বিহারের জনতা সেই হাতই ধরে। আর তাই টানা দশমবার শপথ নিতে চলেছেন নীতিশ কুমার, বিহারের রাজনৈতিক ইতিহাসে তৈরি হচ্ছে নতুন রেকর্ড।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন