ইনস্টাগ্রামে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন ওই যুবতী।
বেঙ্গালুরু : বেঙ্গালুরু শহরে ফের অ্যাপ বাইকচালকের নোংরা আচরণ। র্যাপিডো অ্যাপের এক বাইকচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে চলন্ত বাইকে বসা এক যুবতীর উরু চেপে ধরার চেষ্টার। শহরের চার্চ স্ট্রিট থেকে নিজের পিজিতে ফেরার সময় বৃহস্পতিবার বিকেল চারটে নাগাদ এই ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন ওই যুবতী।
ইনস্টাগ্রামে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, “চার্চ স্ট্রিট থেকে পিজিতে ফেরার সময় র্যাপিডো ক্যাপ্টেন বাইক চালানোর মাঝেই আমার পা ধরার চেষ্টা করছিল। হঠাৎ ব্যাপারটা ঘটে যাওয়ায় প্রথমে কিছু বুঝে উঠতে পারিনি। পরে আবার সে একই কাজ করার চেষ্টা করলে আমি বলেছিলাম— ‘ভাইয়া, কেয়া কর রহে হো, মাত করো।’ কিন্তু সে থামেনি, বারবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।”
যুবতী জানিয়েছেন, তিনি বেঙ্গালুরুতে নতুন। ফলে ভয় ও অচেনা জায়গার কারণে বাইক থামাতে পারেননি। গন্তব্যে পৌঁছে বিধ্বস্ত অবস্থায় স্থানীয় এক ব্যক্তি তাঁর খোঁজ নেন। তাঁকে ঘটনার কথা জানানোর পর সেই ব্যক্তি অভিযুক্ত ক্যাপ্টেনের সঙ্গে কথা বললে সে ক্ষমা চেয়ে বলে, আর এমন কাজ করবে না। তবে চলে যাওয়ার সময় সেই ক্যাপ্টেন এমনভাবে তাঁর দিকে আঙুল তোলে, যা তাঁকে আরও আতঙ্কিত করে তোলে বলে জানান ওই যুবতী।
এরপর তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। উইলসন গার্ডেন থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত র্যাপিডো চালকের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে। পাশাপাশি, র্যাপিডো কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগ পাঠানো হয়েছে। সংস্থার তরফে এই ঘটনায় এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
বেঙ্গালুরু : বেঙ্গালুরু শহরে ফের অ্যাপ বাইকচালকের নোংরা আচরণ। র্যাপিডো অ্যাপের এক বাইকচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে চলন্ত বাইকে বসা এক যুবতীর উরু চেপে ধরার চেষ্টার। শহরের চার্চ স্ট্রিট থেকে নিজের পিজিতে ফেরার সময় বৃহস্পতিবার বিকেল চারটে নাগাদ এই ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন ওই যুবতী।
ইনস্টাগ্রামে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, “চার্চ স্ট্রিট থেকে পিজিতে ফেরার সময় র্যাপিডো ক্যাপ্টেন বাইক চালানোর মাঝেই আমার পা ধরার চেষ্টা করছিল। হঠাৎ ব্যাপারটা ঘটে যাওয়ায় প্রথমে কিছু বুঝে উঠতে পারিনি। পরে আবার সে একই কাজ করার চেষ্টা করলে আমি বলেছিলাম— ‘ভাইয়া, কেয়া কর রহে হো, মাত করো।’ কিন্তু সে থামেনি, বারবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।”
যুবতী জানিয়েছেন, তিনি বেঙ্গালুরুতে নতুন। ফলে ভয় ও অচেনা জায়গার কারণে বাইক থামাতে পারেননি। গন্তব্যে পৌঁছে বিধ্বস্ত অবস্থায় স্থানীয় এক ব্যক্তি তাঁর খোঁজ নেন। তাঁকে ঘটনার কথা জানানোর পর সেই ব্যক্তি অভিযুক্ত ক্যাপ্টেনের সঙ্গে কথা বললে সে ক্ষমা চেয়ে বলে, আর এমন কাজ করবে না। তবে চলে যাওয়ার সময় সেই ক্যাপ্টেন এমনভাবে তাঁর দিকে আঙুল তোলে, যা তাঁকে আরও আতঙ্কিত করে তোলে বলে জানান ওই যুবতী।
এরপর তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। উইলসন গার্ডেন থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত র্যাপিডো চালকের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে। পাশাপাশি, র্যাপিডো কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগ পাঠানো হয়েছে। সংস্থার তরফে এই ঘটনায় এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন