তৃণমূল শুধু আসন সংখ্যা বাড়াবে না, বিজেপির সঙ্গে ভোটের ব্যবধানও বিপুল হারে বাড়বে, দাবি কুণালের।
![]() |
| কুণাল ঘোষ। ফাইল ছবি। |
তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, “বিজেপির এখন বুথে বুথে কোনও সংগঠন নেই। বিএলও নিয়ে যে সব অভিযোগ করা হচ্ছে, তা একেবারেই ভিত্তিহীন। আসলে বিজেপির বুথ এজেন্ট নেই, তাই হুমকি দেওয়ার মতো নাটক করছে। আমরা পরিষ্কার বলেছি— বিএলওরা তাদের নিজের কাজ করুন, বিজেপির ভয় দেখানোতে কান দেবেন না। বিজেপি যদি বিএলএ ২ খুঁজে না পায়, আমরা তো মানুষ দিয়ে দিতে পারি না!”
SIR প্রক্রিয়া নিয়ে কুণাল ঘোষ আরও বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই বলেছি— একজনও বৈধ ভোটার যেন বাদ না যায়। কিন্তু বিজেপি ধর্মের নামে হিন্দু-হিন্দু করে রাজনীতি করতে গিয়ে রাজবংশী ও মতুয়া সম্প্রদায়কে বিপদে ফেলেছে। ফলে মতুয়াদের মধ্যে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাঁরা প্রতিবাদ করতে গিয়ে অসুস্থ হচ্ছেন, তাঁদের শিকড়ে টান পড়েছে। বিজেপি বুঝতেই পারছে— তাদের তথাকথিত হিন্দু ভোটব্যাংক ধসে পড়ছে।”
তৃণমূল মুখপাত্রের দাবি, বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা এখন স্পষ্ট। “বিজেপির এখন মানুষের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। বুথভিত্তিক কর্মী নেই, তাই গাড়ি করে বাইরে থেকে লোক আনতে হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ রিপোর্টেই উঠে এসেছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার পর যে বাস্তব চিত্র সামনে আসছে, তাতে বিজেপির ভোট ১৮.৫ থেকে ২১.৩ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। সেই কারণেই বিজেপি এখন এসওএস পাঠাচ্ছে,” বলেন কুণাল।
তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল শুধু আসন সংখ্যা বাড়াবে না, বিজেপির সঙ্গে ভোটের ব্যবধানও বিপুল হারে বাড়বে। রাজ্যের মানুষ জানে, বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করে, উন্নয়ন নয়। তাই আগামিদিনে বাংলার ভোটবাক্সে তারই জবাব মিলবে।”
তৃণমূল শিবিরের বক্তব্য, বিজেপির ‘অভিযোগের রাজনীতি’ এবং ‘বিভাজনের প্রচার’ রাজ্যে আর কার্যকর হচ্ছে না। SIR-কে ঘিরে এই রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্কই প্রমাণ করছে— ভোটের আগে বিজেপি আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছে, আর তৃণমূল সংগঠনে ও জনসমর্থনে আগের চেয়েও বেশি দৃঢ় অবস্থানে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন