শনিবারের মধ্যে নিম্নচাপটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হবে, রবিবার তা গভীর নিম্নচাপে এবং সোমবার সকালে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
কলকাতা : বঙ্গোপসাগরে ফের ঘূর্ণিঝড়ের আভাস। মৌসম ভবন জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ইতিমধ্যেই আলিপুর আবহাওয়া দফতর দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে এবং মৌসম ভবনের পক্ষ থেকে জারি হয়েছে ‘কমলা সতর্কতা’।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবারের মধ্যে নিম্নচাপটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হবে, রবিবার তা গভীর নিম্নচাপে এবং সোমবার সকালে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এর গতিপথ থাকবে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে। অর্থাৎ প্রথম ধাক্কা লাগবে দক্ষিণ ভারতের উপকূলীয় রাজ্যগুলিতে—বিশেষত তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশে। ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুর উপকূলে শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টিপাত।
আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আর্দ্রতা প্রবাহ ও ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের মূল প্রভাব বাংলার উপকূলে পড়ার সম্ভাবনা কম। তা সত্ত্বেও, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মৌসম ভবন ২৭ অক্টোবরের মধ্যে সমস্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্র থেকে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে এবং ২৮ অক্টোবর থেকে সমুদ্রে যাওয়া পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এদিকে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে শনিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি শুরু হবে সোমবার থেকে।
আবহবিদরা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে ‘মন্থা’, যা থাইল্যান্ড প্রস্তাব করেছে। থাই ভাষায় ‘মন্থা’ শব্দের অর্থ ‘সুগন্ধি ফুল’ বা ‘সুন্দর ফুল’। উত্তর ভারত মহাসাগর অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় নামকরণের আন্তর্জাতিক তালিকায় এই নামটি পরবর্তী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
আবহাওয়া দফতরের মতে, ২৬ অক্টোবরের মধ্যে নিম্নচাপটি ভয়ানক রূপ নিতে পারে এবং পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তা একটি পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যদিও এর কেন্দ্রীয় পথ এখনো স্পষ্ট নয়, তবে যদি ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর উপকূলের দিকে এগোয়, তাহলে তার প্রভাবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গেও মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
কলকাতা : বঙ্গোপসাগরে ফের ঘূর্ণিঝড়ের আভাস। মৌসম ভবন জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ইতিমধ্যেই আলিপুর আবহাওয়া দফতর দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে এবং মৌসম ভবনের পক্ষ থেকে জারি হয়েছে ‘কমলা সতর্কতা’।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবারের মধ্যে নিম্নচাপটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হবে, রবিবার তা গভীর নিম্নচাপে এবং সোমবার সকালে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এর গতিপথ থাকবে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে। অর্থাৎ প্রথম ধাক্কা লাগবে দক্ষিণ ভারতের উপকূলীয় রাজ্যগুলিতে—বিশেষত তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশে। ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুর উপকূলে শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টিপাত।
আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আর্দ্রতা প্রবাহ ও ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের মূল প্রভাব বাংলার উপকূলে পড়ার সম্ভাবনা কম। তা সত্ত্বেও, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মৌসম ভবন ২৭ অক্টোবরের মধ্যে সমস্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্র থেকে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে এবং ২৮ অক্টোবর থেকে সমুদ্রে যাওয়া পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এদিকে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে শনিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি শুরু হবে সোমবার থেকে।
আবহবিদরা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে ‘মন্থা’, যা থাইল্যান্ড প্রস্তাব করেছে। থাই ভাষায় ‘মন্থা’ শব্দের অর্থ ‘সুগন্ধি ফুল’ বা ‘সুন্দর ফুল’। উত্তর ভারত মহাসাগর অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় নামকরণের আন্তর্জাতিক তালিকায় এই নামটি পরবর্তী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
আবহাওয়া দফতরের মতে, ২৬ অক্টোবরের মধ্যে নিম্নচাপটি ভয়ানক রূপ নিতে পারে এবং পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তা একটি পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যদিও এর কেন্দ্রীয় পথ এখনো স্পষ্ট নয়, তবে যদি ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর উপকূলের দিকে এগোয়, তাহলে তার প্রভাবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গেও মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন