মহাগঠবন্ধনের ১২টি আসনে শরিক দলগুলির মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই হলেও বৃহত্তর স্বার্থে ঐকমত্যে পৌঁছেছে জোটের নেতৃত্ব।
পাটনা : দীর্ঘ টানাপড়েনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তেজস্বী যাদবের নাম ঘোষণা করল বিহারের মহাগঠবন্ধন। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে মহাগঠবন্ধনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, রাজ্যে বিরোধী জোট ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) তরুণ নেতা ও লালু প্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী যাদবই হবেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে জোটের শরিক কংগ্রেস ও বামদলগুলি। ফলে বহুদিনের জল্পনার অবসান ঘটল বিরোধী শিবিরে।
সূত্রের খবর, মহাগঠবন্ধনের ১২টি আসনে শরিক দলগুলির মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই হলেও বৃহত্তর স্বার্থে ঐকমত্যে পৌঁছেছে জোটের নেতৃত্ব। প্রথম দফার ভোটের ঠিক আড়াই সপ্তাহ আগে শরিকদের অনুমোদন মেলায় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয় তেজস্বীর নাম। রাজনীতিক মহলে মনে করা হচ্ছে, এই পদক্ষেপে বিরোধী জোটের প্রচার আরও গতিময় হবে এবং ভোটারদের কাছে স্পষ্ট বার্তা পৌঁছবে যে নেতৃত্ব নিয়ে মহাগঠবন্ধনের আর কোনও অনিশ্চয়তা নেই।
ঘোষণার পর তেজস্বী যাদব বলেন, “এটা শুধু আমার ব্যক্তিগত লড়াই নয়, বিহারের যুবসমাজের লড়াই। আমরা একসঙ্গে রাজ্যের উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য কাজ করব।” তাঁর এই বক্তব্যকে বিরোধী জোটের ঐক্যের প্রতীক হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা মহাগঠবন্ধনের জন্য এক বড় পদক্ষেপ। এখন নজর থাকবে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এই ঐক্যবদ্ধ বিরোধী ফ্রন্ট কতটা শক্ত প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে রাজ্যের শাসকদল এনডিএ-র বিরুদ্ধে।
পাটনা : দীর্ঘ টানাপড়েনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তেজস্বী যাদবের নাম ঘোষণা করল বিহারের মহাগঠবন্ধন। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে মহাগঠবন্ধনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, রাজ্যে বিরোধী জোট ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) তরুণ নেতা ও লালু প্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী যাদবই হবেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে জোটের শরিক কংগ্রেস ও বামদলগুলি। ফলে বহুদিনের জল্পনার অবসান ঘটল বিরোধী শিবিরে।
সূত্রের খবর, মহাগঠবন্ধনের ১২টি আসনে শরিক দলগুলির মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই হলেও বৃহত্তর স্বার্থে ঐকমত্যে পৌঁছেছে জোটের নেতৃত্ব। প্রথম দফার ভোটের ঠিক আড়াই সপ্তাহ আগে শরিকদের অনুমোদন মেলায় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয় তেজস্বীর নাম। রাজনীতিক মহলে মনে করা হচ্ছে, এই পদক্ষেপে বিরোধী জোটের প্রচার আরও গতিময় হবে এবং ভোটারদের কাছে স্পষ্ট বার্তা পৌঁছবে যে নেতৃত্ব নিয়ে মহাগঠবন্ধনের আর কোনও অনিশ্চয়তা নেই।
ঘোষণার পর তেজস্বী যাদব বলেন, “এটা শুধু আমার ব্যক্তিগত লড়াই নয়, বিহারের যুবসমাজের লড়াই। আমরা একসঙ্গে রাজ্যের উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য কাজ করব।” তাঁর এই বক্তব্যকে বিরোধী জোটের ঐক্যের প্রতীক হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা মহাগঠবন্ধনের জন্য এক বড় পদক্ষেপ। এখন নজর থাকবে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এই ঐক্যবদ্ধ বিরোধী ফ্রন্ট কতটা শক্ত প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে রাজ্যের শাসকদল এনডিএ-র বিরুদ্ধে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন