রোহতাংয়ে BRO-র প্রজেক্ট যোজক পরিদর্শন করল পশ্চিমবঙ্গের ১০ সাংবাদিকের দল। NPD অক্ষপথ, শিঙ্কু লা টানেল ও লাদাখের সর্বকালীন যোগাযোগ নিয়ে জানলেন তাঁরা।

অটল টানেলের নকশা ও পরিকাঠামো বোঝাচ্ছেন এক বি আর ও আধিকারিক।
রোহতাং (কুলু) : হিমালয় অঞ্চলে উচ্চ পার্বত্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সারা বছর যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (BRO)-এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজের অঙ্গ হিসেবে রোহতাংয়ে BRO-র প্রজেক্ট যোজক পরিদর্শন করল পশ্চিমবঙ্গের জাতীয় ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমের ১০ জন সাংবাদিকের একটি দল। পরিদর্শনকালে তাঁদের প্রজেক্টের কাজকর্ম এবং দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সর্বকালীন যোগাযোগ ব্যবস্থা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
BRO-র আধিকারিকরা সাংবাদিকদের জানান, প্রজেক্ট যোজকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল ১০ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত বিশ্বের দীর্ঘতম হাইওয়ে টানেলের রক্ষণাবেক্ষণ এবং কৌশলগত পরিকাঠামো প্রকল্পের বাস্তবায়ন। অটল টানেল নির্মাণের পর এই প্রজেক্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।
মানালি–কেলং–লে অক্ষপথ সারা বছর সচল রাখতে BRO কর্মীদের প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করতে হয়। ভারী তুষারপাতের পাশাপাশি তাপমাত্রা নেমে যায় মাইনাস ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। এই পরিস্থিতিতেও সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা বজায় রাখার কাজ চালিয়ে যেতে হয় তাঁদের।
পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের নীমু–পদুম–দারচা (NPD) অক্ষপথ এবং নির্মীয়মাণ ৪.১ কিলোমিটার দীর্ঘ শিঙ্কু লা টানেল সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। টানেলটি সম্পূর্ণ হলে জ়ান্সকার উপত্যকার মধ্য দিয়ে লাদাখে পৌঁছনোর তৃতীয় সর্বকালীন সড়কপথ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে লাহুল–স্পিতির দুর্গম এলাকাগুলির যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত হবে। এর ফলে পর্যটন, বাণিজ্য এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসতে পারে।
আবহাওয়াজনিত জরুরি পরিস্থিতিতে BRO-র দ্রুত উদ্ধার ও সড়ক পরিষেবা পুনরুদ্ধারের বিষয়টিও তুলে ধরেন আধিকারিকরা। ২০২৬ সালের মার্চে অটল টানেলের দক্ষিণ পোর্টালের কাছে ভারী তুষারপাতে ২০০-র বেশি যানবাহন আটকে পড়েছিল। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে BRO কর্মীরা উদ্ধার ও তুষার সরানোর কাজ শুরু করেন। প্রায় সমস্ত আটকে পড়া যানবাহনকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।
গত বছর আকস্মিক বন্যায় মানালি–কেলং মহাসড়কের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে BRO-র ইঞ্জিনিয়াররা ১২ ঘণ্টারও কম সময়ে সেটি পুনরুদ্ধার করেন। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার সময় কমানো সম্ভব হয়।
এই পরিদর্শনের মাধ্যমে সাংবাদিকেরা হিমালয়ের দুর্গম ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় BRO-র পরিকাঠামো উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সর্বকালীন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা সম্পর্কে সরেজমিনে ধারণা পান।

অটল টানেলের নকশা ও পরিকাঠামো বোঝাচ্ছেন এক বি আর ও আধিকারিক।
রোহতাং (কুলু) : হিমালয় অঞ্চলে উচ্চ পার্বত্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সারা বছর যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (BRO)-এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজের অঙ্গ হিসেবে রোহতাংয়ে BRO-র প্রজেক্ট যোজক পরিদর্শন করল পশ্চিমবঙ্গের জাতীয় ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমের ১০ জন সাংবাদিকের একটি দল। পরিদর্শনকালে তাঁদের প্রজেক্টের কাজকর্ম এবং দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সর্বকালীন যোগাযোগ ব্যবস্থা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
BRO-র আধিকারিকরা সাংবাদিকদের জানান, প্রজেক্ট যোজকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল ১০ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত বিশ্বের দীর্ঘতম হাইওয়ে টানেলের রক্ষণাবেক্ষণ এবং কৌশলগত পরিকাঠামো প্রকল্পের বাস্তবায়ন। অটল টানেল নির্মাণের পর এই প্রজেক্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।
মানালি–কেলং–লে অক্ষপথ সারা বছর সচল রাখতে BRO কর্মীদের প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করতে হয়। ভারী তুষারপাতের পাশাপাশি তাপমাত্রা নেমে যায় মাইনাস ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। এই পরিস্থিতিতেও সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা বজায় রাখার কাজ চালিয়ে যেতে হয় তাঁদের।
পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের নীমু–পদুম–দারচা (NPD) অক্ষপথ এবং নির্মীয়মাণ ৪.১ কিলোমিটার দীর্ঘ শিঙ্কু লা টানেল সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। টানেলটি সম্পূর্ণ হলে জ়ান্সকার উপত্যকার মধ্য দিয়ে লাদাখে পৌঁছনোর তৃতীয় সর্বকালীন সড়কপথ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে লাহুল–স্পিতির দুর্গম এলাকাগুলির যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত হবে। এর ফলে পর্যটন, বাণিজ্য এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসতে পারে।
আবহাওয়াজনিত জরুরি পরিস্থিতিতে BRO-র দ্রুত উদ্ধার ও সড়ক পরিষেবা পুনরুদ্ধারের বিষয়টিও তুলে ধরেন আধিকারিকরা। ২০২৬ সালের মার্চে অটল টানেলের দক্ষিণ পোর্টালের কাছে ভারী তুষারপাতে ২০০-র বেশি যানবাহন আটকে পড়েছিল। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে BRO কর্মীরা উদ্ধার ও তুষার সরানোর কাজ শুরু করেন। প্রায় সমস্ত আটকে পড়া যানবাহনকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।
গত বছর আকস্মিক বন্যায় মানালি–কেলং মহাসড়কের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে BRO-র ইঞ্জিনিয়াররা ১২ ঘণ্টারও কম সময়ে সেটি পুনরুদ্ধার করেন। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার সময় কমানো সম্ভব হয়।
এই পরিদর্শনের মাধ্যমে সাংবাদিকেরা হিমালয়ের দুর্গম ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় BRO-র পরিকাঠামো উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সর্বকালীন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা সম্পর্কে সরেজমিনে ধারণা পান।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন