শপথের পরই প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে প্রাক্তন নির্বাচন কমিশন পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা করায় রাজনৈতিক মহলে শুরু বিতর্ক।
উদয় বাংলা : মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণের পর ধর্মতলায় পূর্ত দফতরের অস্থায়ী কার্যালয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সূত্রের খবর, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে ওই বৈঠকে। নতুন সরকারের প্রথম দিনেই পুলিশ-প্রশাসনের উপর কড়া নজরদারির ইঙ্গিত মিলেছে বলে প্রশাসনিক মহলের একাংশের মত।
নতুন সরকারের তরফে সোমবার বিকেলে নবান্নে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং বিভিন্ন রেঞ্জের উচ্চপদস্থ কর্তারা উপস্থিত থাকতে পারেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিরোধীদের উপর চাপ বাড়ানো এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করার রূপরেখা তৈরি করতেই এই বৈঠকগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার শুভেন্দুর সঙ্গে আরও পাঁচজন মন্ত্রী শপথ নেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু। সোমবার রাজভবনে মন্ত্রিসভার বাকি সদস্যদের শপথ গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হতে পারে। প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার প্রোটেম স্পিকার হিসেবে শপথ নেবেন তাপস রায়। বুধবার ও বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা।
এদিকে সরকার গঠনের পরপরই এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব পদে আনা হয়েছে ২০১৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার শান্তনু বালাকে।
সুব্রত গুপ্তের নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিরোধী মহলে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় থেকেই তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তৎকালীন তৃণমূল সরকার ও বিরোধী রাজনৈতিক শিবির বারবার অভিযোগ তুলেছিল, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে উদ্বাস্তু, সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক মানুষের নাম বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্ব হয়েছে। সেই সময় বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক হিসেবে সুব্রতের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতেও এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তা সত্ত্বেও কমিশন তাঁকে দায়িত্বে বহাল রাখে এবং পরে বিধানসভা ভোটেও বিশেষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেয়।
নির্বাচন শেষ হওয়ার মাত্র দু’দিনের মধ্যেই সেই সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে বসানোকে ঘিরে নতুন করে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বাম শিবিরের একাংশের অভিযোগ, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত এক আমলাকে এত দ্রুত রাজনৈতিক প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো গণতান্ত্রিক কাঠামোর পক্ষে উদ্বেগজনক ইঙ্গিত বহন করছে।
নতুন সরকারের তরফে সোমবার বিকেলে নবান্নে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং বিভিন্ন রেঞ্জের উচ্চপদস্থ কর্তারা উপস্থিত থাকতে পারেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিরোধীদের উপর চাপ বাড়ানো এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করার রূপরেখা তৈরি করতেই এই বৈঠকগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার শুভেন্দুর সঙ্গে আরও পাঁচজন মন্ত্রী শপথ নেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু। সোমবার রাজভবনে মন্ত্রিসভার বাকি সদস্যদের শপথ গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হতে পারে। প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার প্রোটেম স্পিকার হিসেবে শপথ নেবেন তাপস রায়। বুধবার ও বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা।
এদিকে সরকার গঠনের পরপরই এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব পদে আনা হয়েছে ২০১৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার শান্তনু বালাকে।
সুব্রত গুপ্তের নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিরোধী মহলে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় থেকেই তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তৎকালীন তৃণমূল সরকার ও বিরোধী রাজনৈতিক শিবির বারবার অভিযোগ তুলেছিল, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে উদ্বাস্তু, সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক মানুষের নাম বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্ব হয়েছে। সেই সময় বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক হিসেবে সুব্রতের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতেও এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তা সত্ত্বেও কমিশন তাঁকে দায়িত্বে বহাল রাখে এবং পরে বিধানসভা ভোটেও বিশেষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেয়।
নির্বাচন শেষ হওয়ার মাত্র দু’দিনের মধ্যেই সেই সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে বসানোকে ঘিরে নতুন করে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বাম শিবিরের একাংশের অভিযোগ, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত এক আমলাকে এত দ্রুত রাজনৈতিক প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো গণতান্ত্রিক কাঠামোর পক্ষে উদ্বেগজনক ইঙ্গিত বহন করছে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন