চিন ও আমেরিকার একাধিক শীর্ষ বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় জল্পনা তুঙ্গে। জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তদন্তের দাবি জোরদার।
![]() |
| এআই নির্মিত ছবি। |
উদয় বাংলা ডেস্ক : চিন ও আমেরিকায় একাধিক শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক স্তরে উদ্বেগ ও জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, চিনে অন্তত নয়জন বিজ্ঞানীর মৃত্যু হয়েছে অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাসা, পারমাণবিক গবেষণা এবং মহাকাশ কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত অন্তত ১১ জন বিশেষজ্ঞ হয় নিখোঁজ হয়েছেন, নয়তো অস্বাভাবিকভাবে মারা গিয়েছেন। পৃথকভাবে ঘটনাগুলির ব্যাখ্যা দুর্ঘটনা, অসুস্থতা বা অজানা কারণ হিসেবে দেওয়া হলেও, সামগ্রিকভাবে এই ধারাবাহিকতা নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।
চিনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ৩৮ বছর বয়সী প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ফেং ইয়াংহের মৃত্যু। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে বেজিংয়ে গভীর রাতে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। জানা গিয়েছে, তিনি তাইওয়ান আক্রমণ সংক্রান্ত সামরিক সিমুলেশন নিয়ে কাজ করছিলেন। সরকারি বিবরণে এটিকে সাধারণ দুর্ঘটনা বলা হলেও, তাঁর মৃত্যু-সংক্রান্ত বিবৃতিতে ‘দায়িত্ব পালনকালে আত্মত্যাগ’ শব্দবন্ধ ব্যবহৃত হওয়ায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। পাশাপাশি, তাঁকে যে সম্মানজনক সমাধিক্ষেত্রে সমাহিত করা হয়, তা সাধারণ দুর্ঘটনায় মৃতদের ক্ষেত্রে সচরাচর দেখা যায় না।
এছাড়াও, মহাকাশ বিশেষজ্ঞ ঝ্যাং শিয়াওসিন, মাইক্রোইলেকট্রনিক্স বিশেষজ্ঞ চেন শুমিং, রসায়নবিদ ঝৌ গুয়াংইউয়ান-সহ একাধিক বিজ্ঞানীর মৃত্যু নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অনেকে সামরিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, হাইপারসনিক অস্ত্র ও মহাকাশ প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সংবেদনশীল প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন। ড্রোন বিশেষজ্ঞ ঝ্যাং দায়বিং এবং ডেটা বিজ্ঞানী লিউ ডংহাওয়ের মৃত্যুও এখনও স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনীর জেনারেল উইলিয়াম নীল ম্যাকক্যাসল্যান্ড ফেব্রুয়ারিতে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। তিনি নিউ মেক্সিকোর বাড়ি থেকে কোনও ডিজিটাল ডিভাইস ছাড়াই বেরিয়ে যান, সঙ্গে ছিল শুধু একটি আগ্নেয়াস্ত্র। তাঁর স্ত্রীর দাবি, তিনি যেন নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করছিলেন। একই ধরনের আরও চারটি নিখোঁজের ঘটনা সামনে এসেছে, যেগুলির সঙ্গে তাঁর পেশাগত যোগসূত্র ছিল।
নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী মনিকা জাসিন্টো রেজা ক্যালিফোর্নিয়ায় ট্রেকিং করতে গিয়ে নিখোঁজ হন। লস অ্যালামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির সঙ্গে যুক্ত অ্যান্থনি চাভেজ ও মেলিসা কাসিয়াসও অল্প সময়ের ব্যবধানে নিখোঁজ হন। এদের অনেকেই উচ্চস্তরের নিরাপত্তা ছাড়পত্রপ্রাপ্ত ছিলেন এবং মহাকাশ প্রযুক্তি বা পারমাণবিক গবেষণার মতো সংবেদনশীল তথ্যের অ্যাক্সেস ছিল।
এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন কংগ্রেসের নজরদারি কমিটির চেয়ারম্যান জেমস কোমার এফবিআই, পেন্টাগন, নাসা ও জ্বালানি দফতরকে তদন্ত শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, যদি এই রিপোর্টগুলি সত্যি হয়, তবে তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হতে পারে। ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক ঘটনার মধ্যে কোনও অশুভ যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁকে ইতিমধ্যেই ব্রিফ করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই সত্য সামনে আসতে পারে। হোয়াইট হাউস ও এফবিআই যৌথভাবে সমস্ত ঘটনার মধ্যে কোনও মিল রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও দেশই প্রকাশ্যে নাশকতা বা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ স্বীকার করেনি, তবুও একের পর এক এমন ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছেই।
চিনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ৩৮ বছর বয়সী প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ফেং ইয়াংহের মৃত্যু। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে বেজিংয়ে গভীর রাতে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। জানা গিয়েছে, তিনি তাইওয়ান আক্রমণ সংক্রান্ত সামরিক সিমুলেশন নিয়ে কাজ করছিলেন। সরকারি বিবরণে এটিকে সাধারণ দুর্ঘটনা বলা হলেও, তাঁর মৃত্যু-সংক্রান্ত বিবৃতিতে ‘দায়িত্ব পালনকালে আত্মত্যাগ’ শব্দবন্ধ ব্যবহৃত হওয়ায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। পাশাপাশি, তাঁকে যে সম্মানজনক সমাধিক্ষেত্রে সমাহিত করা হয়, তা সাধারণ দুর্ঘটনায় মৃতদের ক্ষেত্রে সচরাচর দেখা যায় না।
এছাড়াও, মহাকাশ বিশেষজ্ঞ ঝ্যাং শিয়াওসিন, মাইক্রোইলেকট্রনিক্স বিশেষজ্ঞ চেন শুমিং, রসায়নবিদ ঝৌ গুয়াংইউয়ান-সহ একাধিক বিজ্ঞানীর মৃত্যু নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অনেকে সামরিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, হাইপারসনিক অস্ত্র ও মহাকাশ প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সংবেদনশীল প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন। ড্রোন বিশেষজ্ঞ ঝ্যাং দায়বিং এবং ডেটা বিজ্ঞানী লিউ ডংহাওয়ের মৃত্যুও এখনও স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনীর জেনারেল উইলিয়াম নীল ম্যাকক্যাসল্যান্ড ফেব্রুয়ারিতে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। তিনি নিউ মেক্সিকোর বাড়ি থেকে কোনও ডিজিটাল ডিভাইস ছাড়াই বেরিয়ে যান, সঙ্গে ছিল শুধু একটি আগ্নেয়াস্ত্র। তাঁর স্ত্রীর দাবি, তিনি যেন নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করছিলেন। একই ধরনের আরও চারটি নিখোঁজের ঘটনা সামনে এসেছে, যেগুলির সঙ্গে তাঁর পেশাগত যোগসূত্র ছিল।
নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী মনিকা জাসিন্টো রেজা ক্যালিফোর্নিয়ায় ট্রেকিং করতে গিয়ে নিখোঁজ হন। লস অ্যালামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির সঙ্গে যুক্ত অ্যান্থনি চাভেজ ও মেলিসা কাসিয়াসও অল্প সময়ের ব্যবধানে নিখোঁজ হন। এদের অনেকেই উচ্চস্তরের নিরাপত্তা ছাড়পত্রপ্রাপ্ত ছিলেন এবং মহাকাশ প্রযুক্তি বা পারমাণবিক গবেষণার মতো সংবেদনশীল তথ্যের অ্যাক্সেস ছিল।
এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন কংগ্রেসের নজরদারি কমিটির চেয়ারম্যান জেমস কোমার এফবিআই, পেন্টাগন, নাসা ও জ্বালানি দফতরকে তদন্ত শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, যদি এই রিপোর্টগুলি সত্যি হয়, তবে তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হতে পারে। ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক ঘটনার মধ্যে কোনও অশুভ যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁকে ইতিমধ্যেই ব্রিফ করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই সত্য সামনে আসতে পারে। হোয়াইট হাউস ও এফবিআই যৌথভাবে সমস্ত ঘটনার মধ্যে কোনও মিল রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও দেশই প্রকাশ্যে নাশকতা বা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ স্বীকার করেনি, তবুও একের পর এক এমন ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছেই।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন