টি–২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতের দাপুটে পারফরম্যান্স। শক্তিশালী ব্যাটিং ও বিধ্বংসী বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারাল ভারত।
![]() |
| ফটো: আইসিসি |
উদয় বাংলা ডেস্ক: টি–২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারত আবারও প্রমাণ করল কেন তারা বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দল। আজকের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই পূর্ণ আধিপত্য দেখিয়ে বিরাট ব্যবধানে জয় তুলে নিল ভারত। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখে শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে কার্যত বিধ্বস্ত করে দেয় ভারতীয় দল।
ফাইনালে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৯৭ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বার ট্রফি জিতল ভারত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে এই কৃতিত্ব অর্জন করল তারা। সব মিলিয়ে তৃতীয় বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এল ভারতের ঘরে। ২০২৪-এর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৫-এর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ২০২৬-এ ভারতের ঘরে আবার এল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
টসের পর ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় ব্যাটাররা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকে। ওপেনিং থেকেই দ্রুত রান তোলার কৌশল নেয় দল। পাওয়ারপ্লে-তেই রানবোর্ডে চাপ সৃষ্টি করে ভারতের টপ অর্ডার। বিশেষ করে সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটিং ছিল এদিনের ইনিংসের মূল আকর্ষণ। তিনি নিখুঁত টাইমিং, শক্তিশালী শট এবং দ্রুত স্ট্রাইক রোটেশনের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের উপর ক্রমাগত চাপ তৈরি করেন। অন্যদিকে ঈশান কিশানও সমান তালে আক্রমণ চালান। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিং ভারতের রানসংগ্রহকে দ্রুত এগিয়ে দেয় এবং মাঝের ওভারে ম্যাচ পুরোপুরি ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
মিডল অর্ডারও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে স্কোরকে বিশাল উচ্চতায় পৌঁছে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৫৫ রান, যা টি–২০ বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে অত্যন্ত প্রতাপশালী স্কোর। এই বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড।
ভারতের বোলাররাও এদিন ব্যাটারদের মতোই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখান। বিশেষ করে জসপ্রীত বুমরাহ তাঁর নিখুঁত লাইন-লেংথ ও গতি পরিবর্তনের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপকে ভেঙে দেন। নতুন বলে উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ডেথ ওভারেও তিনি প্রতিপক্ষকে কার্যত স্তব্ধ করে দেন। অক্ষর প্যাটেলও মাঝের ওভারে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে নিউজিল্যান্ডের রান তোলার গতি থামিয়ে দেন। ফলে লক্ষ্য তাড়া করার আগেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় কিউইরা।
নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা মাঝেমধ্যে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ভারতীয় বোলিং আক্রমণের সামনে তা বেশিক্ষণ টেকেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকায় বড় জয়ের পথে এগিয়ে যায় ভারত।
এই জয়ের তাৎপর্য শুধুমাত্র একটি ম্যাচ জয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে এমন একতরফা জয় দলের আত্মবিশ্বাস অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। ব্যাটিং লাইনআপের গভীরতা, অলরাউন্ড পারফরম্যান্স এবং বোলিং আক্রমণের ধার—সব মিলিয়ে ভারত যে ট্রফির অন্যতম দাবিদার, এই ম্যাচ সেই বার্তাই আরও জোরালোভাবে তুলে ধরল।
ফাইনালে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৯৭ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বার ট্রফি জিতল ভারত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে এই কৃতিত্ব অর্জন করল তারা। সব মিলিয়ে তৃতীয় বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এল ভারতের ঘরে। ২০২৪-এর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৫-এর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ২০২৬-এ ভারতের ঘরে আবার এল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
টসের পর ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় ব্যাটাররা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকে। ওপেনিং থেকেই দ্রুত রান তোলার কৌশল নেয় দল। পাওয়ারপ্লে-তেই রানবোর্ডে চাপ সৃষ্টি করে ভারতের টপ অর্ডার। বিশেষ করে সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটিং ছিল এদিনের ইনিংসের মূল আকর্ষণ। তিনি নিখুঁত টাইমিং, শক্তিশালী শট এবং দ্রুত স্ট্রাইক রোটেশনের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের উপর ক্রমাগত চাপ তৈরি করেন। অন্যদিকে ঈশান কিশানও সমান তালে আক্রমণ চালান। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিং ভারতের রানসংগ্রহকে দ্রুত এগিয়ে দেয় এবং মাঝের ওভারে ম্যাচ পুরোপুরি ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
মিডল অর্ডারও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে স্কোরকে বিশাল উচ্চতায় পৌঁছে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৫৫ রান, যা টি–২০ বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে অত্যন্ত প্রতাপশালী স্কোর। এই বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড।
ভারতের বোলাররাও এদিন ব্যাটারদের মতোই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখান। বিশেষ করে জসপ্রীত বুমরাহ তাঁর নিখুঁত লাইন-লেংথ ও গতি পরিবর্তনের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপকে ভেঙে দেন। নতুন বলে উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ডেথ ওভারেও তিনি প্রতিপক্ষকে কার্যত স্তব্ধ করে দেন। অক্ষর প্যাটেলও মাঝের ওভারে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে নিউজিল্যান্ডের রান তোলার গতি থামিয়ে দেন। ফলে লক্ষ্য তাড়া করার আগেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় কিউইরা।
নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা মাঝেমধ্যে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ভারতীয় বোলিং আক্রমণের সামনে তা বেশিক্ষণ টেকেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকায় বড় জয়ের পথে এগিয়ে যায় ভারত।
এই জয়ের তাৎপর্য শুধুমাত্র একটি ম্যাচ জয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে এমন একতরফা জয় দলের আত্মবিশ্বাস অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। ব্যাটিং লাইনআপের গভীরতা, অলরাউন্ড পারফরম্যান্স এবং বোলিং আক্রমণের ধার—সব মিলিয়ে ভারত যে ট্রফির অন্যতম দাবিদার, এই ম্যাচ সেই বার্তাই আরও জোরালোভাবে তুলে ধরল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন