নন্দীগ্রামে কর্মিসভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় কর্মীদের সংগঠিত হওয়ার বার্তা দিলেন। অন্তর্ঘাত ইস্যুতে কড়া অবস্থান নিয়ে পবিত্র করের সমর্থনে ভোট চাইলেন তিনি।
উদয় বাংলা : ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের অন্যতম হটস্পট হয়ে উঠেছে নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই তীব্র হতে শুরু করেছে। বুধবার কর্মিসভা করে দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করতে মাঠে নামলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভামঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, “এ বার নন্দীগ্রামকে অপবিত্র থেকে পবিত্র করার লড়াই।”
পশ্চিম মেদিনীপুরে দুটি সভা সেরে বিকেলে নন্দীগ্রামে পৌঁছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুরুতেই কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, এই কেন্দ্র পুনরুদ্ধার করা দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালের বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে খারাপ ফলাফলের কথা স্বীকার করে তিনি জানান, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং মানুষের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে হবে।
অন্তর্ঘাত প্রসঙ্গে কড়া বার্তা দেন অভিষেক। তিনি বলেন, দলের ভেতরে বিভাজন বা বিশ্বাসঘাতকতা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, নিজেদের পরিবারের কেউ রাজনীতিতে থাকলে ‘গদ্দার’ তকমা জুড়লে কেমন লাগবে—এই বার্তার মধ্যেই তিনি দলীয় শৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন পবিত্র কর। প্রার্থী নির্বাচনে চমক দিয়ে তৃণমূল এই কেন্দ্রের ‘ভূমিপুত্র’-কেই সামনে এনেছে বলে জানান অভিষেক। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, বর্তমান বিধায়ক এলাকায় থাকেন না এবং সাধারণ মানুষের কাছে কাজের রিপোর্টও দেননি। সেই তুলনায় স্থানীয় প্রার্থী হিসেবে পবিত্র কর মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হবেন বলেই দাবি করেন তিনি।
স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রসঙ্গ তুলে অভিষেক তাঁর ‘সেবাশ্রয়’ উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন। নন্দীগ্রামের বিভিন্ন ব্লকে আয়োজিত মেডিক্যাল ক্যাম্পে মানুষের সাড়া দলের মনোবল বাড়িয়েছে বলে জানান তিনি। কর্মিসভা থেকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, পবিত্র করকে জয়ী করলে প্রতি বছর ‘সেবাশ্রয়’ ক্যাম্প আয়োজন করা হবে এবং প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে স্বাস্থ্য শিবির করা হবে।
সব মিলিয়ে, নন্দীগ্রামে সংগঠনকে মজবুত করা, অন্তর্ঘাত রোধ এবং স্থানীয় ইস্যুকে সামনে রেখে লড়াইয়ের রণকৌশল স্পষ্ট করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন নির্বাচনে এই কেন্দ্র ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির লড়াই যে আরও তীব্র হবে, তা বলাই বাহুল্য।
উদয় বাংলা : ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের অন্যতম হটস্পট হয়ে উঠেছে নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই তীব্র হতে শুরু করেছে। বুধবার কর্মিসভা করে দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করতে মাঠে নামলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভামঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, “এ বার নন্দীগ্রামকে অপবিত্র থেকে পবিত্র করার লড়াই।”
পশ্চিম মেদিনীপুরে দুটি সভা সেরে বিকেলে নন্দীগ্রামে পৌঁছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুরুতেই কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, এই কেন্দ্র পুনরুদ্ধার করা দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালের বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে খারাপ ফলাফলের কথা স্বীকার করে তিনি জানান, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং মানুষের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে হবে।
অন্তর্ঘাত প্রসঙ্গে কড়া বার্তা দেন অভিষেক। তিনি বলেন, দলের ভেতরে বিভাজন বা বিশ্বাসঘাতকতা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, নিজেদের পরিবারের কেউ রাজনীতিতে থাকলে ‘গদ্দার’ তকমা জুড়লে কেমন লাগবে—এই বার্তার মধ্যেই তিনি দলীয় শৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন পবিত্র কর। প্রার্থী নির্বাচনে চমক দিয়ে তৃণমূল এই কেন্দ্রের ‘ভূমিপুত্র’-কেই সামনে এনেছে বলে জানান অভিষেক। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, বর্তমান বিধায়ক এলাকায় থাকেন না এবং সাধারণ মানুষের কাছে কাজের রিপোর্টও দেননি। সেই তুলনায় স্থানীয় প্রার্থী হিসেবে পবিত্র কর মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হবেন বলেই দাবি করেন তিনি।
স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রসঙ্গ তুলে অভিষেক তাঁর ‘সেবাশ্রয়’ উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন। নন্দীগ্রামের বিভিন্ন ব্লকে আয়োজিত মেডিক্যাল ক্যাম্পে মানুষের সাড়া দলের মনোবল বাড়িয়েছে বলে জানান তিনি। কর্মিসভা থেকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, পবিত্র করকে জয়ী করলে প্রতি বছর ‘সেবাশ্রয়’ ক্যাম্প আয়োজন করা হবে এবং প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে স্বাস্থ্য শিবির করা হবে।
সব মিলিয়ে, নন্দীগ্রামে সংগঠনকে মজবুত করা, অন্তর্ঘাত রোধ এবং স্থানীয় ইস্যুকে সামনে রেখে লড়াইয়ের রণকৌশল স্পষ্ট করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন নির্বাচনে এই কেন্দ্র ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির লড়াই যে আরও তীব্র হবে, তা বলাই বাহুল্য।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন