এইমস-দিল্লিতে প্রয়াত ৩১ বছরের হরিশ রানা, যিনি ভারতে প্রথম প্যাসিভ ইউথেনেশিয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘিরে ‘মৃত্যুর অধিকার’ নিয়ে ফের জোরালো বিতর্ক।
গত ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট হরিশ রানার ক্ষেত্রে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়ার অনুমতি দেয়, যা ফের একবার ‘রাইট টু ডাই’ বা মৃত্যুর অধিকার নিয়ে নৈতিক ও আইনি বিতর্ককে উসকে দেয়। বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ এই রায় দিতে গিয়ে উইলিয়ম শেকসপিয়রের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট-এর উল্লেখ করে বলেন, “To be or not to be”– এই সাহিত্যিক উক্তি এখন মৃত্যুর অধিকার ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। বিচারপতি পারদিওয়ালা মন্তব্য করেন, এই প্রশ্নই আজ বিচারব্যবস্থায় নতুন অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে।
একই সঙ্গে আদালত হরিশ রানার বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে জানায়, তাঁরা তাঁদের সন্তানের প্রতি দায়িত্ব থেকে সরে যাচ্ছেন না, বরং তাকে মর্যাদার সঙ্গে বাঁচার সুযোগ করে দিচ্ছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, রানার ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যালি অ্যাসিস্টেড নিউট্রিশন (CAN) চালিয়ে যাওয়া তাঁর স্বার্থে নয়, এবং সেই কারণে এইমস-কে লাইফসাপোর্ট সহায়তা ধীরে ধীরে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে তাঁর মৃত্যু সম্মানজনকভাবে ঘটে।
প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া বলতে বোঝায়, এমন রোগীর ক্ষেত্রে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা বা সহায়তা বন্ধ রাখা বা প্রত্যাহার করা, যিনি মরণাপন্ন বা যার সুস্থ হয়ে ওঠার কোনও সম্ভাবনা নেই, যাতে স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটতে পারে। এর বিপরীতে অ্যাকটিভ ইউথেনেশিয়া হল ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটানোর প্রক্রিয়া, যা ভারতে এখনও বেআইনি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রক মরণাপন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে লাইফ সাপোর্ট প্রত্যাহার নিয়ে একটি খসড়া নির্দেশিকা জারি করে। সেখানে বলা হয়েছে, চিকিৎসকদের সুপরিকল্পিত মতামতের ভিত্তিতে এবং নির্দিষ্ট শর্তে—যেমন ব্রেনস্টেম ডেথ, উন্নত পর্যায়ের রোগ যেখানে আক্রমণাত্মক চিকিৎসার কোনও সুফল নেই, রোগী বা তার প্রতিনিধির সম্মতিসূচক অস্বীকৃতি, এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে—এই সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।
ভারতের আদালতগুলি কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়াকে স্বীকৃতি দিলেও, বর্তমান আইনে অ্যাকটিভ ইউথেনেশিয়া এখনও নিষিদ্ধই রয়ে গেছে।
নয়াদিল্লি : ভারতে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া বা ‘স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি’ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান ঘটল। ৩১ বছর বয়সি হরিশ রানা, যিনি দেশে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন, মঙ্গলবার দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এইমস)-এ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে চণ্ডীগড়ে একটি ভবন থেকে পড়ে যাওয়ার পর থেকেই তিনি গত ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভেজিটেটিভ অবস্থায় ছিলেন।
গত ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট হরিশ রানার ক্ষেত্রে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়ার অনুমতি দেয়, যা ফের একবার ‘রাইট টু ডাই’ বা মৃত্যুর অধিকার নিয়ে নৈতিক ও আইনি বিতর্ককে উসকে দেয়। বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ এই রায় দিতে গিয়ে উইলিয়ম শেকসপিয়রের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট-এর উল্লেখ করে বলেন, “To be or not to be”– এই সাহিত্যিক উক্তি এখন মৃত্যুর অধিকার ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। বিচারপতি পারদিওয়ালা মন্তব্য করেন, এই প্রশ্নই আজ বিচারব্যবস্থায় নতুন অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে।
একই সঙ্গে আদালত হরিশ রানার বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে জানায়, তাঁরা তাঁদের সন্তানের প্রতি দায়িত্ব থেকে সরে যাচ্ছেন না, বরং তাকে মর্যাদার সঙ্গে বাঁচার সুযোগ করে দিচ্ছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, রানার ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যালি অ্যাসিস্টেড নিউট্রিশন (CAN) চালিয়ে যাওয়া তাঁর স্বার্থে নয়, এবং সেই কারণে এইমস-কে লাইফসাপোর্ট সহায়তা ধীরে ধীরে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে তাঁর মৃত্যু সম্মানজনকভাবে ঘটে।
প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া বলতে বোঝায়, এমন রোগীর ক্ষেত্রে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা বা সহায়তা বন্ধ রাখা বা প্রত্যাহার করা, যিনি মরণাপন্ন বা যার সুস্থ হয়ে ওঠার কোনও সম্ভাবনা নেই, যাতে স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটতে পারে। এর বিপরীতে অ্যাকটিভ ইউথেনেশিয়া হল ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটানোর প্রক্রিয়া, যা ভারতে এখনও বেআইনি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রক মরণাপন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে লাইফ সাপোর্ট প্রত্যাহার নিয়ে একটি খসড়া নির্দেশিকা জারি করে। সেখানে বলা হয়েছে, চিকিৎসকদের সুপরিকল্পিত মতামতের ভিত্তিতে এবং নির্দিষ্ট শর্তে—যেমন ব্রেনস্টেম ডেথ, উন্নত পর্যায়ের রোগ যেখানে আক্রমণাত্মক চিকিৎসার কোনও সুফল নেই, রোগী বা তার প্রতিনিধির সম্মতিসূচক অস্বীকৃতি, এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে—এই সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।
ভারতের আদালতগুলি কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়াকে স্বীকৃতি দিলেও, বর্তমান আইনে অ্যাকটিভ ইউথেনেশিয়া এখনও নিষিদ্ধই রয়ে গেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন