মুখ্যমন্ত্রীর পরিষ্কার বার্তা—তিনি জনগণের সঙ্গে রয়েছেন, এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ছড়ানো বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে সত্য তথ্য দিয়েই জবাব দেবেন।
কলকাতা : রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধনকে (SIR) ঘিরে যখন জোর বিতর্ক, তখন নিজেকে ঘিরে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর সংবাদে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সমাজমাধ্যমে এক স্পষ্ট বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের সমস্ত বৈধ ভোটারের এনুমারেশন ফর্ম পূরণ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নিজের ফর্ম পূরণ করবেন না। কালীঘাটের বাড়িতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লক লেভেল অফিসার (বিএলও) ফর্ম দিয়ে গেলেও তিনি সেই ফর্ম হাতে নেননি, এই দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন—“যতক্ষণ না বাংলার প্রতিটি মানুষ ফর্ম পূরণ করছেন, আমি নিজে কোনও ফর্ম পূরণ করিনি এবং করবও না।”
বুধবার বিকেলে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি-অফিসে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএলও এসে পরিবারের সদস্যসংখ্যা জেনে এনুমারেশন ফর্মগুলি দিয়ে যান। এর পরেই ‘ভোটকর্মী ও বিএলও ঐক্যমঞ্চ’ নামে একটি সংগঠনের প্রেস রিলিজে দাবি করা হয়—মুখ্যমন্ত্রী নাকি নিজে হাতে বিএলও-র কাছ থেকে ফর্ম নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমে সেই খবর প্রকাশিত হতেই মুখ্যমন্ত্রী নিজেই তা “সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার” বলে প্রতিবাদ জানান।
তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, এই সংবাদটি পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়েছে যাতে জনমানসে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। দলীয় সূত্রের দাবি, বামফ্রন্ট ও বিজেপি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগসাজশ করে রাজ্যের ভোটার তালিকা সংক্রান্ত প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক রঙ দিচ্ছে। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “এই ভুয়া প্রেস রিলিজ থেকেই প্রমাণ হয়, কতজন অন্ধ তৃণমূল-বিরোধী সরকারি কর্মী বিএলও-র দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁরা বাম-বিজেপির গভীর চক্রান্তে শামিল হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।”
কুণাল ঘোষ আরও বলেন, “প্রেস রিলিজকে সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব দেওয়ার ফলেই এমন ভুয়া খবর ছড়িয়েছে। অথচ বাস্তবে মুখ্যমন্ত্রী কালীঘাটের অফিসে থাকলেও তিনি কোনও ফর্ম নিজে হাতে নেননি।” তিনি পাল্টা সিপিএমের মুখপত্র ‘গণশক্তি’-র অতীত আচরণ তুলে ধরে বলেন, “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নিজের বক্তব্য যখন তারা সেন্সর করেছিল, তখনও তাদের দ্বিচারিতা ধরা পড়েছিল। আজও সেই পথেই তারা হাঁটছে।”
তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়াকে সামনে রেখে বিজেপি-নির্দেশিত নির্বাচন কমিশন বাংলার সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখিয়ে, বিভ্রান্ত করে, গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ফর্ম বিলি নিয়ে ভুয়া খবর ছড়িয়ে সেই অপচেষ্টাকেই আরও তীব্র করার চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি দলের।
স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর পরিষ্কার বার্তা—তিনি জনগণের সঙ্গে রয়েছেন, এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ছড়ানো বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে সত্য তথ্য দিয়েই জবাব দেবেন। এসআইআর নিয়ে যখন রাজ্যজুড়ে তৃণমূল রাস্তায় নেমেছে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে লড়াইয়ের ঢেউ পৌঁছে যাচ্ছে দিল্লি পর্যন্ত, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া কার্যত ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত জবাব হিসেবে উঠে এল।
কলকাতা : রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধনকে (SIR) ঘিরে যখন জোর বিতর্ক, তখন নিজেকে ঘিরে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর সংবাদে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সমাজমাধ্যমে এক স্পষ্ট বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের সমস্ত বৈধ ভোটারের এনুমারেশন ফর্ম পূরণ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নিজের ফর্ম পূরণ করবেন না। কালীঘাটের বাড়িতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লক লেভেল অফিসার (বিএলও) ফর্ম দিয়ে গেলেও তিনি সেই ফর্ম হাতে নেননি, এই দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন—“যতক্ষণ না বাংলার প্রতিটি মানুষ ফর্ম পূরণ করছেন, আমি নিজে কোনও ফর্ম পূরণ করিনি এবং করবও না।”
বুধবার বিকেলে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি-অফিসে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএলও এসে পরিবারের সদস্যসংখ্যা জেনে এনুমারেশন ফর্মগুলি দিয়ে যান। এর পরেই ‘ভোটকর্মী ও বিএলও ঐক্যমঞ্চ’ নামে একটি সংগঠনের প্রেস রিলিজে দাবি করা হয়—মুখ্যমন্ত্রী নাকি নিজে হাতে বিএলও-র কাছ থেকে ফর্ম নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমে সেই খবর প্রকাশিত হতেই মুখ্যমন্ত্রী নিজেই তা “সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার” বলে প্রতিবাদ জানান।
তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, এই সংবাদটি পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়েছে যাতে জনমানসে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। দলীয় সূত্রের দাবি, বামফ্রন্ট ও বিজেপি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগসাজশ করে রাজ্যের ভোটার তালিকা সংক্রান্ত প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক রঙ দিচ্ছে। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “এই ভুয়া প্রেস রিলিজ থেকেই প্রমাণ হয়, কতজন অন্ধ তৃণমূল-বিরোধী সরকারি কর্মী বিএলও-র দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁরা বাম-বিজেপির গভীর চক্রান্তে শামিল হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।”
কুণাল ঘোষ আরও বলেন, “প্রেস রিলিজকে সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব দেওয়ার ফলেই এমন ভুয়া খবর ছড়িয়েছে। অথচ বাস্তবে মুখ্যমন্ত্রী কালীঘাটের অফিসে থাকলেও তিনি কোনও ফর্ম নিজে হাতে নেননি।” তিনি পাল্টা সিপিএমের মুখপত্র ‘গণশক্তি’-র অতীত আচরণ তুলে ধরে বলেন, “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নিজের বক্তব্য যখন তারা সেন্সর করেছিল, তখনও তাদের দ্বিচারিতা ধরা পড়েছিল। আজও সেই পথেই তারা হাঁটছে।”
তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়াকে সামনে রেখে বিজেপি-নির্দেশিত নির্বাচন কমিশন বাংলার সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখিয়ে, বিভ্রান্ত করে, গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ফর্ম বিলি নিয়ে ভুয়া খবর ছড়িয়ে সেই অপচেষ্টাকেই আরও তীব্র করার চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি দলের।
স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর পরিষ্কার বার্তা—তিনি জনগণের সঙ্গে রয়েছেন, এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ছড়ানো বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে সত্য তথ্য দিয়েই জবাব দেবেন। এসআইআর নিয়ে যখন রাজ্যজুড়ে তৃণমূল রাস্তায় নেমেছে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে লড়াইয়ের ঢেউ পৌঁছে যাচ্ছে দিল্লি পর্যন্ত, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া কার্যত ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত জবাব হিসেবে উঠে এল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন