মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, দিনের পর দিন রক্ষক পুলিশের লালসার শিকার হয়েছিলেন সেই মহিলা চিকিৎসক। যাদের কাছে মানুষ ন্যায়বিচারের আশায় দৌড়ায়, তারাই ভক্ষক হয়ে ওঠেন।
কলকাতা : মহারাষ্ট্রে এক মহিলা চিকিৎসক দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে দুই পুলিশ আধিকারিকের হাতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে শেষপর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। আত্মহত্যার আগে তিনি হাতের তালুতে লিখে যান, কারা তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে মহিলা নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কে।
রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণমন্ত্রী শশী পাঁজা শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সুর চড়ান। তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনায় গোটা দেশ শোকাহত হলেও বাংলার বিজেপি এবং বাম দল নীরব কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বাংলায় কিছু ঘটলেই যেখানে বিজেপির নেতারা অতিসক্রিয় হয়ে ওঠেন, এখন তারা কোথায়, প্রশ্ন শশী পাঞ্জার। তিনি আরও বলেন, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী এখনও কোনও উত্তর দেননি, জাতীয় মহিলা কমিশন, সংবাদমাধ্যম ও বিজেপি মহিলা মোর্চাও এই ঘটনায় নীরব।
শশী পাঁজা বলেন, দিনের পর দিন রক্ষক পুলিশের লালসার শিকার হয়েছিলেন সেই মহিলা চিকিৎসক। যাদের কাছে মানুষ ন্যায়বিচারের আশায় দৌড়ায়, তারাই ভক্ষক হয়ে ওঠেন। ফলে তিনি নির্বিকার হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। মৃত্যুর পরও সুবিচার পেতে নিজের হাতের তালুতে দোষীদের নাম লিখে যান। শশী পাঞ্জা প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলায় এমন ঘটনা ঘটলে কি জাতীয় মহিলা কমিশন এবং রাষ্ট্রীয় মহিলা কমিশন এতক্ষণ নীরব থাকত? যারা মহিলা নিরাপত্তার চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের দাবি করেন, সেই মহিলা মোর্চা এখন কোথায়?
মন্ত্রী শশী পাঁজা আরও বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে এক কেলেঙ্কারি ও জাল সার্টিফিকেট চক্র, যা এক নিরীহ চিকিৎসকের জীবন শেষ করতে বাধ্য করেছে। তিনি বিজেপির নীরবতার বিরুদ্ধে তীব্রভাবে সতর্কবার্তা দিয়েছেন, বলেন, ভারতবর্ষ আজ দেখল, মহিলাদের প্রতি সম্মান ও সমবেদনা কোথায় রয়েছে, এবং কত অসাধু চক্র এক অপরাধের আড়ালে সক্রিয়।
কলকাতা : মহারাষ্ট্রে এক মহিলা চিকিৎসক দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে দুই পুলিশ আধিকারিকের হাতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে শেষপর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। আত্মহত্যার আগে তিনি হাতের তালুতে লিখে যান, কারা তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে মহিলা নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কে।
রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণমন্ত্রী শশী পাঁজা শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সুর চড়ান। তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনায় গোটা দেশ শোকাহত হলেও বাংলার বিজেপি এবং বাম দল নীরব কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বাংলায় কিছু ঘটলেই যেখানে বিজেপির নেতারা অতিসক্রিয় হয়ে ওঠেন, এখন তারা কোথায়, প্রশ্ন শশী পাঞ্জার। তিনি আরও বলেন, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী এখনও কোনও উত্তর দেননি, জাতীয় মহিলা কমিশন, সংবাদমাধ্যম ও বিজেপি মহিলা মোর্চাও এই ঘটনায় নীরব।
শশী পাঁজা বলেন, দিনের পর দিন রক্ষক পুলিশের লালসার শিকার হয়েছিলেন সেই মহিলা চিকিৎসক। যাদের কাছে মানুষ ন্যায়বিচারের আশায় দৌড়ায়, তারাই ভক্ষক হয়ে ওঠেন। ফলে তিনি নির্বিকার হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। মৃত্যুর পরও সুবিচার পেতে নিজের হাতের তালুতে দোষীদের নাম লিখে যান। শশী পাঞ্জা প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলায় এমন ঘটনা ঘটলে কি জাতীয় মহিলা কমিশন এবং রাষ্ট্রীয় মহিলা কমিশন এতক্ষণ নীরব থাকত? যারা মহিলা নিরাপত্তার চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের দাবি করেন, সেই মহিলা মোর্চা এখন কোথায়?
মন্ত্রী শশী পাঁজা আরও বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে এক কেলেঙ্কারি ও জাল সার্টিফিকেট চক্র, যা এক নিরীহ চিকিৎসকের জীবন শেষ করতে বাধ্য করেছে। তিনি বিজেপির নীরবতার বিরুদ্ধে তীব্রভাবে সতর্কবার্তা দিয়েছেন, বলেন, ভারতবর্ষ আজ দেখল, মহিলাদের প্রতি সম্মান ও সমবেদনা কোথায় রয়েছে, এবং কত অসাধু চক্র এক অপরাধের আড়ালে সক্রিয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন