তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যাওয়া ২০ সাংসদকে জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট। দ্রুত সিদ্ধান্তের প্রয়োজনীয়তার কথা জানাল শীর্ষ আদালত।
নয়াদিল্লি : তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়া ২০ জন লোকসভা সাংসদকে কারণ দর্শানোর নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার নোটিসের জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দিতে পারেননি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ সংশ্লিষ্ট সাংসদরা। প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ এবং অভিযোগের জবাব প্রস্তুত করার জন্য তাঁরা আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে সেই সময় চাওয়ার বিষয়টি জানানো হলে শীর্ষ আদালত চার সপ্তাহ পরে মামলাটির পরবর্তী শুনানির কথা জানিয়েছে।
তবে সময় দেওয়ার পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট দ্রুত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথাও স্পষ্ট করেছে। শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী উল্লেখ করেন, ইতিমধ্যেই প্রায় তিন মাস পেরিয়ে গিয়েছে এবং বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি প্রয়োজন। সংবিধানের দশম তফসিলের গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে লোকসভার স্পিকারকে প্রক্রিয়াটি দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে আদালত। আদালত কোনও কঠোর সময়সীমা বেঁধে না দিলেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
মামলার শুনানিতে তৃণমূলের হয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্রুত নিষ্পত্তির পক্ষে সওয়াল করেন। অন্য দিকে লোকসভার স্পিকারের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, সাংবিধানিক পদাধিকারীর ক্ষেত্রে আদালতের তরফে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া সমীচীন হবে না। এর পর আদালত জানায়, স্পিকারকে কোনও কঠোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে না, তবে সাংবিধানিক ব্যবস্থার অধীনে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এই মামলার সূত্রপাত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের পর। তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে ২০ জন সাংসদ এনসিপিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তাঁদের সদস্যপদ বাতিলের দাবি জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন করেছিলেন অভিষেক। সেই আবেদনের ভিত্তিতে লোকসভা সচিবালয় সংশ্লিষ্ট সাংসদদের নোটিস পাঠিয়ে তাঁদের অবস্থান জানতে চায়। প্রথমে স্বল্প সময়ের মধ্যে জবাব দিতে বলা হলেও পরে সময়সীমা বাড়িয়ে ২২ সেপ্টেম্বর করা হয়েছিল। সেই সময়সীমাও পেরিয়ে যাওয়ার পর ফের চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়।
অন্য দিকে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের বক্তব্য, তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান বৈধ এবং এনসিপিআইয়ের সঙ্গে তাঁদের যুক্ত হওয়া রাজনৈতিক সংযুক্তির অংশ। দলত্যাগবিরোধী আইনের আওতায় তাঁদের লোকসভা সদস্যপদ বহাল থাকবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর আগামী চার সপ্তাহে সাংসদদের জবাব এবং লোকসভার স্পিকারের দফতরের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর থাকবে। পরবর্তী শুনানিতে এই প্রক্রিয়ার অগ্রগতি আদালতের সামনে আসার কথা।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে স্পিকারকে চিঠি দিয়ে দাবি করেছেন, ২০ সাংসদের সদস্যপদ সংক্রান্ত বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় তাঁদের স্ট্যান্ডিং কমিটিতে না রাখার বিষয়টিও বিবেচনা করা হোক। ফলে সাংসদদের সদস্যপদ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি সংসদীয় কমিটিতে তাঁদের ভূমিকা নিয়েও রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
নয়াদিল্লি : তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়া ২০ জন লোকসভা সাংসদকে কারণ দর্শানোর নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার নোটিসের জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দিতে পারেননি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ সংশ্লিষ্ট সাংসদরা। প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ এবং অভিযোগের জবাব প্রস্তুত করার জন্য তাঁরা আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে সেই সময় চাওয়ার বিষয়টি জানানো হলে শীর্ষ আদালত চার সপ্তাহ পরে মামলাটির পরবর্তী শুনানির কথা জানিয়েছে।
তবে সময় দেওয়ার পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট দ্রুত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথাও স্পষ্ট করেছে। শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী উল্লেখ করেন, ইতিমধ্যেই প্রায় তিন মাস পেরিয়ে গিয়েছে এবং বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি প্রয়োজন। সংবিধানের দশম তফসিলের গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে লোকসভার স্পিকারকে প্রক্রিয়াটি দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে আদালত। আদালত কোনও কঠোর সময়সীমা বেঁধে না দিলেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
মামলার শুনানিতে তৃণমূলের হয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্রুত নিষ্পত্তির পক্ষে সওয়াল করেন। অন্য দিকে লোকসভার স্পিকারের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, সাংবিধানিক পদাধিকারীর ক্ষেত্রে আদালতের তরফে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া সমীচীন হবে না। এর পর আদালত জানায়, স্পিকারকে কোনও কঠোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে না, তবে সাংবিধানিক ব্যবস্থার অধীনে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এই মামলার সূত্রপাত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের পর। তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে ২০ জন সাংসদ এনসিপিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তাঁদের সদস্যপদ বাতিলের দাবি জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন করেছিলেন অভিষেক। সেই আবেদনের ভিত্তিতে লোকসভা সচিবালয় সংশ্লিষ্ট সাংসদদের নোটিস পাঠিয়ে তাঁদের অবস্থান জানতে চায়। প্রথমে স্বল্প সময়ের মধ্যে জবাব দিতে বলা হলেও পরে সময়সীমা বাড়িয়ে ২২ সেপ্টেম্বর করা হয়েছিল। সেই সময়সীমাও পেরিয়ে যাওয়ার পর ফের চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়।
অন্য দিকে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের বক্তব্য, তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান বৈধ এবং এনসিপিআইয়ের সঙ্গে তাঁদের যুক্ত হওয়া রাজনৈতিক সংযুক্তির অংশ। দলত্যাগবিরোধী আইনের আওতায় তাঁদের লোকসভা সদস্যপদ বহাল থাকবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর আগামী চার সপ্তাহে সাংসদদের জবাব এবং লোকসভার স্পিকারের দফতরের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর থাকবে। পরবর্তী শুনানিতে এই প্রক্রিয়ার অগ্রগতি আদালতের সামনে আসার কথা।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে স্পিকারকে চিঠি দিয়ে দাবি করেছেন, ২০ সাংসদের সদস্যপদ সংক্রান্ত বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় তাঁদের স্ট্যান্ডিং কমিটিতে না রাখার বিষয়টিও বিবেচনা করা হোক। ফলে সাংসদদের সদস্যপদ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি সংসদীয় কমিটিতে তাঁদের ভূমিকা নিয়েও রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন