ক্লাসরুমে পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের সময় হঠাৎ স্ক্রিনে ভেসে উঠল অনুপযুক্ত ছবি। ওয়াশিংটনের একটি স্কুলে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
উদয় বাংলা ডেস্ক : স্কুলে কিশোর পড়পয়াদের ক্লাস নিচ্ছিলেন যুবতী শিক্ষিকা। স্ক্রিনে পাওয়ারপয়েন্টের মাধ্যমে পড়া বোঝাচ্ছিলেন তিনি। আচমকা অঘটন। হঠাৎ স্ক্রিনে ভেসে উঠল মহিলার অনাবৃত স্তনের ছবি। পড়ুয়ারা তো হতবম্ব। তখন তারা একে অপরের মুখের দিকে তাকাচ্ছে। কেউ অবাক হয়ে শিক্ষিকাকে দেখছে। কেউ সংকোচে মাথা নিচু করে নিয়েছে। ততক্ষণে ভুল বুঝতে পেরে পাওয়ারপয়েন্ট প্রজেক্ট ক্লোজ করে দিয়েছেন শিক্ষিকা। কিন্তু ততক্ষণে অনেকটাই দেরী হয়ে গিয়েছে। ক্লাসের মধ্যে গুঞ্জন। ‘সরি গাইজ’– বলে ক্লাস থেকে বেরিয়ে গেলেন শিক্ষিকা।
বিষয়টার এখানেই শেষ নয়। ক্লাসের বাইরে রটে গেল ঘটনাটি। পড়ুায়েদর অভিভাবকরাও জানতে পারলেন। চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন সেই শিক্ষিকা এবং স্কুল কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি ওয়াশিংটনের স্নোহোমিশের গ্লেসিয়ার পিক হাইস্কুলের। চাপে পড়ে অভিভাবকদের উদ্দেশে চিঠি লিখেছেন স্কুলের প্রিন্সিপাল অ্যালিসিয়া। সেই চিঠিতে এই উদ্বেগজনক ভুলটিকে একটি 'দুর্ঘটনা' হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একজন শিক্ষিকা ক্লাসরুমে প্রেজেন্টেশন দেওয়ার সময় পড়ুয়াদের সামনে অন্য কারও অনাবৃত বক্ষের ছবি প্রদর্শন করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। প্রেজেন্টেশন চলার সময় এমন চারটি ছবি স্ক্রিনে ভেসে ওঠে। প্রিন্সিপাল এই ভুলটিকে একটি 'দুর্ঘটনা' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সংবাদমাধ্যমের হাতে আসা ওই চিঠিতে প্রিন্সিপাল লিখেছেন, “স্কুলের ক্লাসরুমে একটি ঘটনা সম্পর্কে আমরা আপনাদের অবহিত করতে চাই, যেখানে অনিচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষার্থীদের সামনে কিছু অনুপযুক্ত ছবি প্রদর্শিত হয়েছে। আমাদের ধারণা, ক্লাসরুমের বাইরেও আরও অনেকের কাছেই এই ছবিগুলো পৌঁছে গিয়েছে। তাই আপনারা যদি চান, তবে আপনাদের সন্তানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বা বোঝানোর একটি সুযোগ আমরা আপনাদের দিতে চাই। ওই বিষয়বস্তুর মধ্যে নগ্নবক্ষের ছবি অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা শিক্ষিকার পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন চলাকালীন খুব অল্প সময়ের জন্য দৃশ্যমান হয়েছিল।”
তিনি জানান, তদন্তাধীন এই উদ্বেগজনক ভুলটি স্কুলের শ্রেণিকক্ষের পাঠ্যউপকরণের মানদণ্ড বা প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
'সিয়াটল রেড' রেডিওর উপস্থাপক জেসন র্যান্টজ জানান, তাকে ওই চাঞ্চল্যকর উপস্থাপনাটি পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে যে, উপস্থাপনার একটি স্লাইডে ছোট ছোট 'প্রিভিউ বক্স'-এর আদলে ওই চারটি নগ্নবক্ষের ছবি প্রদর্শিত হয়েছিল। তিনি বলেন, স্লাইডের বিন্যাস বা লেআউটটি এমন ছিল যে, ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছিল যেন সেগুলো কোনও একটি ফোল্ডারের ভেতরের ছবির 'প্রিভিউ'।
ছবিগুলো ওই শিক্ষকের নিজের, নাকি অন্য কোনও মহিলার—তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাছাড়া তদন্ত চলাকালীন ওই শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও কোনও তথ্য জানা যায়নি।
স্কুলের একজন মুখপাত্র 'দ্য পোস্ট'-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, "যেহেতু এটি শিক্ষিকার ব্যক্তিগত বিষয় সংক্রান্ত একটি ঘটনা এবং বর্তমানে এর তদন্ত চলছে, তাই আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনও তথ্য দিতে বা মন্তব্য করতে পারছি না। আমরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য আমাদের নির্ধারিত ও প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়াগুলি অনুসরণ করছি।"
![]() |
| এআই জেনারেটেড প্রতীকী ছবি। |
উদয় বাংলা ডেস্ক : স্কুলে কিশোর পড়পয়াদের ক্লাস নিচ্ছিলেন যুবতী শিক্ষিকা। স্ক্রিনে পাওয়ারপয়েন্টের মাধ্যমে পড়া বোঝাচ্ছিলেন তিনি। আচমকা অঘটন। হঠাৎ স্ক্রিনে ভেসে উঠল মহিলার অনাবৃত স্তনের ছবি। পড়ুয়ারা তো হতবম্ব। তখন তারা একে অপরের মুখের দিকে তাকাচ্ছে। কেউ অবাক হয়ে শিক্ষিকাকে দেখছে। কেউ সংকোচে মাথা নিচু করে নিয়েছে। ততক্ষণে ভুল বুঝতে পেরে পাওয়ারপয়েন্ট প্রজেক্ট ক্লোজ করে দিয়েছেন শিক্ষিকা। কিন্তু ততক্ষণে অনেকটাই দেরী হয়ে গিয়েছে। ক্লাসের মধ্যে গুঞ্জন। ‘সরি গাইজ’– বলে ক্লাস থেকে বেরিয়ে গেলেন শিক্ষিকা।
বিষয়টার এখানেই শেষ নয়। ক্লাসের বাইরে রটে গেল ঘটনাটি। পড়ুায়েদর অভিভাবকরাও জানতে পারলেন। চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন সেই শিক্ষিকা এবং স্কুল কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি ওয়াশিংটনের স্নোহোমিশের গ্লেসিয়ার পিক হাইস্কুলের। চাপে পড়ে অভিভাবকদের উদ্দেশে চিঠি লিখেছেন স্কুলের প্রিন্সিপাল অ্যালিসিয়া। সেই চিঠিতে এই উদ্বেগজনক ভুলটিকে একটি 'দুর্ঘটনা' হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একজন শিক্ষিকা ক্লাসরুমে প্রেজেন্টেশন দেওয়ার সময় পড়ুয়াদের সামনে অন্য কারও অনাবৃত বক্ষের ছবি প্রদর্শন করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। প্রেজেন্টেশন চলার সময় এমন চারটি ছবি স্ক্রিনে ভেসে ওঠে। প্রিন্সিপাল এই ভুলটিকে একটি 'দুর্ঘটনা' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সংবাদমাধ্যমের হাতে আসা ওই চিঠিতে প্রিন্সিপাল লিখেছেন, “স্কুলের ক্লাসরুমে একটি ঘটনা সম্পর্কে আমরা আপনাদের অবহিত করতে চাই, যেখানে অনিচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষার্থীদের সামনে কিছু অনুপযুক্ত ছবি প্রদর্শিত হয়েছে। আমাদের ধারণা, ক্লাসরুমের বাইরেও আরও অনেকের কাছেই এই ছবিগুলো পৌঁছে গিয়েছে। তাই আপনারা যদি চান, তবে আপনাদের সন্তানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বা বোঝানোর একটি সুযোগ আমরা আপনাদের দিতে চাই। ওই বিষয়বস্তুর মধ্যে নগ্নবক্ষের ছবি অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা শিক্ষিকার পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন চলাকালীন খুব অল্প সময়ের জন্য দৃশ্যমান হয়েছিল।”
তিনি জানান, তদন্তাধীন এই উদ্বেগজনক ভুলটি স্কুলের শ্রেণিকক্ষের পাঠ্যউপকরণের মানদণ্ড বা প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
'সিয়াটল রেড' রেডিওর উপস্থাপক জেসন র্যান্টজ জানান, তাকে ওই চাঞ্চল্যকর উপস্থাপনাটি পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে যে, উপস্থাপনার একটি স্লাইডে ছোট ছোট 'প্রিভিউ বক্স'-এর আদলে ওই চারটি নগ্নবক্ষের ছবি প্রদর্শিত হয়েছিল। তিনি বলেন, স্লাইডের বিন্যাস বা লেআউটটি এমন ছিল যে, ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছিল যেন সেগুলো কোনও একটি ফোল্ডারের ভেতরের ছবির 'প্রিভিউ'।
ছবিগুলো ওই শিক্ষকের নিজের, নাকি অন্য কোনও মহিলার—তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাছাড়া তদন্ত চলাকালীন ওই শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও কোনও তথ্য জানা যায়নি।
স্কুলের একজন মুখপাত্র 'দ্য পোস্ট'-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, "যেহেতু এটি শিক্ষিকার ব্যক্তিগত বিষয় সংক্রান্ত একটি ঘটনা এবং বর্তমানে এর তদন্ত চলছে, তাই আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনও তথ্য দিতে বা মন্তব্য করতে পারছি না। আমরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য আমাদের নির্ধারিত ও প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়াগুলি অনুসরণ করছি।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন