জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন। মানুষের উপর আস্থা রেখে একাধিক অভিযোগ ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরলেন তিনি।
উদয় বাংলা : বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর আগে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে রাজ্যে। বুধবার জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের একবার বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন। সভামঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, “বিজেপি-কমিশন মিলে আমার সব কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু আমার কাছে শুধু মানুষ আছে।” তাঁর এই মন্তব্যে ভোটের আগে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
নির্বাচনের ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে প্রশাসনিক স্তরে একাধিক বড় রদবদল হয়েছে। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ শীর্ষ আমলাদের সরানোর পাশাপাশি ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকেও বদলি করা হয়েছে। এমনকি ভোটের আগে ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে অপসারণ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির নির্দেশেই নির্বাচন কমিশন এই সব পদক্ষেপ নিয়েছে। যদিও কমিশনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
ময়নাগুড়ির সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গকে ভেঙে বিহারের সঙ্গে যুক্ত করার ষড়যন্ত্র করছে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং এক প্রার্থীকে গাছে বেঁধে মারার হুমকির কথাও তুলে ধরেন তিনি। এই ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
সভামঞ্চ থেকেই মা-বোনেদের প্রণাম জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের আশীর্বাদই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। একই সঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প ভবিষ্যতেও চালু থাকবে। মানুষের অধিকারের জন্য রাস্তা থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত লড়াইয়ের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি এবং জানান, এই লড়াইয়ের কৃতিত্ব তাঁর নয়, বরং সাধারণ মানুষের।
বিজেপিকে ‘বসন্তের কোকিল’ বলে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করা হলেও মানুষ শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকেই ভোট দেবেন। বাংলা ভাষাকে অপমান করার অভিযোগেও তিনি গেরুয়া শিবিরকে নিশানা করেন এবং ভোটের আগে বিজেপির প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এলপিজি ইস্যুতেও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। গ্যাস বুকিংয়ের সময়সীমা বাড়ানো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি এবং দাবি করেন, কেন্দ্রীয় নীতির ফলে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। এর পাশাপাশি রাজ্য সরকার কেরোসিনের বরাদ্দ বাড়িয়েছে বলেও জানান তিনি। সব মিলিয়ে ভোটের আগে ময়নাগুড়ির সভা থেকে মমতার বার্তা স্পষ্ট—প্রশাসনিক চাপ ও রাজনৈতিক লড়াইয়ের মাঝেও তিনি মানুষের সমর্থনেই ভরসা রাখছেন।
![]() |
উত্তরবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার। |
নির্বাচনের ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে প্রশাসনিক স্তরে একাধিক বড় রদবদল হয়েছে। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ শীর্ষ আমলাদের সরানোর পাশাপাশি ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকেও বদলি করা হয়েছে। এমনকি ভোটের আগে ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে অপসারণ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির নির্দেশেই নির্বাচন কমিশন এই সব পদক্ষেপ নিয়েছে। যদিও কমিশনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
ময়নাগুড়ির সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গকে ভেঙে বিহারের সঙ্গে যুক্ত করার ষড়যন্ত্র করছে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং এক প্রার্থীকে গাছে বেঁধে মারার হুমকির কথাও তুলে ধরেন তিনি। এই ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
সভামঞ্চ থেকেই মা-বোনেদের প্রণাম জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের আশীর্বাদই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। একই সঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প ভবিষ্যতেও চালু থাকবে। মানুষের অধিকারের জন্য রাস্তা থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত লড়াইয়ের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি এবং জানান, এই লড়াইয়ের কৃতিত্ব তাঁর নয়, বরং সাধারণ মানুষের।
বিজেপিকে ‘বসন্তের কোকিল’ বলে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করা হলেও মানুষ শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকেই ভোট দেবেন। বাংলা ভাষাকে অপমান করার অভিযোগেও তিনি গেরুয়া শিবিরকে নিশানা করেন এবং ভোটের আগে বিজেপির প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এলপিজি ইস্যুতেও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। গ্যাস বুকিংয়ের সময়সীমা বাড়ানো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি এবং দাবি করেন, কেন্দ্রীয় নীতির ফলে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। এর পাশাপাশি রাজ্য সরকার কেরোসিনের বরাদ্দ বাড়িয়েছে বলেও জানান তিনি। সব মিলিয়ে ভোটের আগে ময়নাগুড়ির সভা থেকে মমতার বার্তা স্পষ্ট—প্রশাসনিক চাপ ও রাজনৈতিক লড়াইয়ের মাঝেও তিনি মানুষের সমর্থনেই ভরসা রাখছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন