রাজ্য সরকারকে নিশানা করে মিঠুনের তীব্র মন্তব্য, “পশ্চিমবঙ্গ এখন একমাত্র ধর্মশালা, যেখানে অভারতীয়রা খাটিয়া পেতে আরামে শুয়ে থাকে। অন্য রাজ্যে এটা হয় না।”
হাওড়া: বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) নিয়ে রাজ্যে ক্রমেই তীব্র হচ্ছে রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্ক। তৃণমূল কংগ্রেস যেখানে হুঁশিয়ারি দিচ্ছে যে একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলেই নয়াদিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাও করা হবে, সেখানে বিজেপির বক্তব্য, একজন অবৈধ ভোটারের নাম তালিকায় থাকলেও একইভাবে ঘেরাও হবে কমিশনের অফিস। এই উত্তেজনাপূর্ণ আবহে শাসকদল তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা ও অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।
শনিবার হাওড়ায় বিজেপির এক কর্মী সম্মেলনে অংশ নিয়ে মিঠুন বলেন, “তৃণমূল যেভাবে এসআইআর নিয়ে সরব হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে তারা অভারতীয়দের জন্যই লড়াই করছে। আমার একটাই প্রশ্ন, অভারতীয়দের প্রতি এত ভালবাসা কেন?” তাঁর অভিযোগ, “নির্বাচন কমিশন কোথাও বলেনি যে হিন্দু বা ভারতীয় মুসলমানদের ভোট দিতে দেবে না। কিন্তু তৃণমূল রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে যাতে মানুষ বিভ্রান্ত হয়।”
রাজ্য সরকারকে নিশানা করে মিঠুনের তীব্র মন্তব্য, “পশ্চিমবঙ্গ এখন একমাত্র ধর্মশালা, যেখানে অভারতীয়রা খাটিয়া পেতে আরামে শুয়ে থাকে। অন্য রাজ্যে এটা হয় না।” তাঁর দাবি, এসআইআর ঘোষণার পর থেকেই সীমান্তে চোরাপথে বাংলাদেশে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বহু বাংলাদেশি ধরা পড়ছে। কেন তারা পালাচ্ছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
বিধানসভা ভোটের আগে দলের কর্মীদের উদ্দেশে মিঠুনের বার্তা, “সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে। এটাই আমাদের শেষ লড়াই। যদি এ রাজ্য বাংলাদেশ হয়ে যায়, আমরা কোথায় যাব? এবারের লড়াই আরও জোরদার হবে।”
এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক তৈরি করাই তৃণমূলের রাজনৈতিক অস্ত্র বলে দাবি করে মিঠুন বলেন, “ভয় দেখানো ছাড়া তাদের আর কোনও পথ নেই। এত যে ভৌতিক ভোট, সব চলে যাবে বলেই এত ভয়। কতবার ভূতে এসে ভোট দেবে?” বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের প্রতিধ্বনি করে তিনি আরও বলেন, “এসআইআর ঠিকঠাক হলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাক্তন হবেন, আমিও তাতে সহমত।”
হাওড়া: বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) নিয়ে রাজ্যে ক্রমেই তীব্র হচ্ছে রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্ক। তৃণমূল কংগ্রেস যেখানে হুঁশিয়ারি দিচ্ছে যে একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলেই নয়াদিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাও করা হবে, সেখানে বিজেপির বক্তব্য, একজন অবৈধ ভোটারের নাম তালিকায় থাকলেও একইভাবে ঘেরাও হবে কমিশনের অফিস। এই উত্তেজনাপূর্ণ আবহে শাসকদল তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা ও অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।
শনিবার হাওড়ায় বিজেপির এক কর্মী সম্মেলনে অংশ নিয়ে মিঠুন বলেন, “তৃণমূল যেভাবে এসআইআর নিয়ে সরব হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে তারা অভারতীয়দের জন্যই লড়াই করছে। আমার একটাই প্রশ্ন, অভারতীয়দের প্রতি এত ভালবাসা কেন?” তাঁর অভিযোগ, “নির্বাচন কমিশন কোথাও বলেনি যে হিন্দু বা ভারতীয় মুসলমানদের ভোট দিতে দেবে না। কিন্তু তৃণমূল রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে যাতে মানুষ বিভ্রান্ত হয়।”
রাজ্য সরকারকে নিশানা করে মিঠুনের তীব্র মন্তব্য, “পশ্চিমবঙ্গ এখন একমাত্র ধর্মশালা, যেখানে অভারতীয়রা খাটিয়া পেতে আরামে শুয়ে থাকে। অন্য রাজ্যে এটা হয় না।” তাঁর দাবি, এসআইআর ঘোষণার পর থেকেই সীমান্তে চোরাপথে বাংলাদেশে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বহু বাংলাদেশি ধরা পড়ছে। কেন তারা পালাচ্ছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
বিধানসভা ভোটের আগে দলের কর্মীদের উদ্দেশে মিঠুনের বার্তা, “সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে। এটাই আমাদের শেষ লড়াই। যদি এ রাজ্য বাংলাদেশ হয়ে যায়, আমরা কোথায় যাব? এবারের লড়াই আরও জোরদার হবে।”
এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক তৈরি করাই তৃণমূলের রাজনৈতিক অস্ত্র বলে দাবি করে মিঠুন বলেন, “ভয় দেখানো ছাড়া তাদের আর কোনও পথ নেই। এত যে ভৌতিক ভোট, সব চলে যাবে বলেই এত ভয়। কতবার ভূতে এসে ভোট দেবে?” বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের প্রতিধ্বনি করে তিনি আরও বলেন, “এসআইআর ঠিকঠাক হলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাক্তন হবেন, আমিও তাতে সহমত।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন