শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ নিলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, ক্ষুদিরাম টুডু ও অশোক কীর্তনীয়া। ব্রিগেডে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ।
উদয় বাংলা : পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রথম দফার মন্ত্রিসভায় এখনও পর্যন্ত পাঁচজন মন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, ক্ষুদিরাম টুডু এবং অশোক কীর্তনীয়া।
নতুন মন্ত্রিসভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ দিলীপ ঘোষ। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি হিসেবে বাংলায় দলের সংগঠন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। আরএসএসের পূর্ণকালীন প্রচারক হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর রাজনীতির ময়দানে উঠে আসেন দিলীপ। খড়গপুরের বিধায়ক থাকার পর মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে লোকসভার সাংসদ হন তিনি। বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে তাঁর অবদানকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মন্ত্রিসভার একমাত্র মহিলা সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। পেশায় ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা ২০১৯ সালে বিজেপিতে যোগ দেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই দলের মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী হন। পরে তাঁকে বিজেপির বাংলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও চলতি বছরের শুরুতে সহ-সভানেত্রী করা হয়। ২০২১ সালে আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন তিনি। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ফের ওই কেন্দ্র থেকেই জয় পেয়েছেন অগ্নিমিত্রা। যদিও ২০২২ সালের আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন।
বাঁকুড়ার রানিবাঁধ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক ক্ষুদিরাম টুডুও এ দিন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পেশায় শিক্ষক ক্ষুদিরাম সাঁওতালি ভাষায় শপথবাক্য পাঠ করেন। সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তিনি তৃণমূল প্রার্থী তনুশ্রী হাঁসদাকে পরাজিত করেছেন। এর আগেও দু’বার রানিবাঁধ কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি।
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন নিশীথ প্রামাণিকও। মাথাভাঙা কেন্দ্র থেকে জয়ী নিশীথ বাংলায় শপথ নেন। রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও পরিচিত মুখ নিশীথ প্রামাণিক বিজেপির তরুণ নেতৃত্বের অন্যতম প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত।
এ দিন বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়াও মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনিও বাংলায় শপথ গ্রহণ করেন। রাজ্যপাল আর এন রবির উপস্থিতিতে শপথ নেওয়ার পর নতুন দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির প্রথম সরকার গঠনের পর রাজনৈতিক মহলের নজর এখন নতুন মন্ত্রিসভার কাজকর্ম ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের দিকে।
নতুন মন্ত্রিসভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ দিলীপ ঘোষ। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি হিসেবে বাংলায় দলের সংগঠন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। আরএসএসের পূর্ণকালীন প্রচারক হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর রাজনীতির ময়দানে উঠে আসেন দিলীপ। খড়গপুরের বিধায়ক থাকার পর মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে লোকসভার সাংসদ হন তিনি। বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে তাঁর অবদানকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মন্ত্রিসভার একমাত্র মহিলা সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। পেশায় ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা ২০১৯ সালে বিজেপিতে যোগ দেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই দলের মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী হন। পরে তাঁকে বিজেপির বাংলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও চলতি বছরের শুরুতে সহ-সভানেত্রী করা হয়। ২০২১ সালে আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন তিনি। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ফের ওই কেন্দ্র থেকেই জয় পেয়েছেন অগ্নিমিত্রা। যদিও ২০২২ সালের আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন।
বাঁকুড়ার রানিবাঁধ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক ক্ষুদিরাম টুডুও এ দিন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পেশায় শিক্ষক ক্ষুদিরাম সাঁওতালি ভাষায় শপথবাক্য পাঠ করেন। সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তিনি তৃণমূল প্রার্থী তনুশ্রী হাঁসদাকে পরাজিত করেছেন। এর আগেও দু’বার রানিবাঁধ কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি।
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন নিশীথ প্রামাণিকও। মাথাভাঙা কেন্দ্র থেকে জয়ী নিশীথ বাংলায় শপথ নেন। রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও পরিচিত মুখ নিশীথ প্রামাণিক বিজেপির তরুণ নেতৃত্বের অন্যতম প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত।
এ দিন বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়াও মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনিও বাংলায় শপথ গ্রহণ করেন। রাজ্যপাল আর এন রবির উপস্থিতিতে শপথ নেওয়ার পর নতুন দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির প্রথম সরকার গঠনের পর রাজনৈতিক মহলের নজর এখন নতুন মন্ত্রিসভার কাজকর্ম ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের দিকে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন