৫৫ বছর পর অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলা থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হলেন শুভেন্দু অধিকারী। অমিত শাহের ঘোষণার পর কাঁথি, নন্দীগ্রাম-সহ জেলায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে কাঁথি। শান্তিকুঞ্জ সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ের সামনে আবির খেলায় মেতে ওঠেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। চলে মিষ্টিমুখ, ফাটানো হয় আতসবাজি। একই ছবি দেখা যায় নন্দীগ্রামেও। যে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মাটি থেকে শুভেন্দুর রাজনীতির উত্থান, সেই নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া বিজেপির কার্যালয়েও উল্লাসে সামিল হন কর্মী-সমর্থকেরা। দিঘা, কোলাঘাট, হলদিয়া-সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীরা অকাল হোলির আনন্দে মাতেন। সেই উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে জেলার বাইরেও।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইতিমধ্যেই কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী, স্ত্রী সুতপা অধিকারী, তাঁদের কন্যা তিয়ান, ছোট ভাই তথা কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী এবং তাঁর স্ত্রী। শুক্রবার বিকেলে শুভেন্দুর প্রিয় ভাইপো দেবদীপ অধিকারীও কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন।
ছেলের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় আবেগাপ্লুত শুভেন্দুর মা গায়েত্রী অধিকারী। তিনি বলেন, “আজ আমি খুব খুশি। শুভেন্দুর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা হওয়ায় ভীষণ আনন্দিত।” ছেলের পছন্দের খাবারের কথাও জানান তিনি। বলেন, ইলিশের ভাপা, পোস্তবড়া, ডাল ও মুরগির মাংস খেতে ভালোবাসেন শুভেন্দু। শপথের পর ছেলে বাড়ি ফিরলে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে শুভেন্দুর মঙ্গল কামনায় মহিষাদলের রাজবাড়ির গোপাল জিউর মন্দিরে বিশেষ পুজোর আয়োজন করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। শুভেন্দুর দাদা কৃষ্ণেন্দু অধিকারী বলেন, “আজ শুধু আমাদের পরিবারের নয়, কাঁথি ও অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার মানুষের গর্বের দিন।” ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীর কথায়, “রাজনীতিতে বহু চড়াই-উতরাই দেখেছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সহযোগিতায় দাদা মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, এটা গোটা বাংলার কাছেই গর্বের বিষয়।”
উদয় বাংলা : ৫৫ বছর পর আবার অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার মাটি থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর উত্থান। ১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিন দফায় তমলুকের বিধায়ক অজয় মুখোপাধ্যায় যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে এবার বিজেপির প্রতীকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে মহাকরণে বসতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই নয়, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে বাংলার রাজনৈতিক পালাবদলের মুখ হিসেবেও ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিলেন তিনি। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে কাঁথি। শান্তিকুঞ্জ সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ের সামনে আবির খেলায় মেতে ওঠেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। চলে মিষ্টিমুখ, ফাটানো হয় আতসবাজি। একই ছবি দেখা যায় নন্দীগ্রামেও। যে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মাটি থেকে শুভেন্দুর রাজনীতির উত্থান, সেই নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া বিজেপির কার্যালয়েও উল্লাসে সামিল হন কর্মী-সমর্থকেরা। দিঘা, কোলাঘাট, হলদিয়া-সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীরা অকাল হোলির আনন্দে মাতেন। সেই উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে জেলার বাইরেও।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইতিমধ্যেই কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী, স্ত্রী সুতপা অধিকারী, তাঁদের কন্যা তিয়ান, ছোট ভাই তথা কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী এবং তাঁর স্ত্রী। শুক্রবার বিকেলে শুভেন্দুর প্রিয় ভাইপো দেবদীপ অধিকারীও কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন।
ছেলের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় আবেগাপ্লুত শুভেন্দুর মা গায়েত্রী অধিকারী। তিনি বলেন, “আজ আমি খুব খুশি। শুভেন্দুর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা হওয়ায় ভীষণ আনন্দিত।” ছেলের পছন্দের খাবারের কথাও জানান তিনি। বলেন, ইলিশের ভাপা, পোস্তবড়া, ডাল ও মুরগির মাংস খেতে ভালোবাসেন শুভেন্দু। শপথের পর ছেলে বাড়ি ফিরলে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।
১৯৭০ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্ম শুভেন্দু অধিকারীর। অনেকেই তাঁকে স্বাধীনতা সংগ্রামী সর্বাধিনায়ক সতীশচন্দ্র সামন্তের সঙ্গে তুলনা করেন, কারণ একই দিনে জন্ম হয়েছিল সতীশচন্দ্র সামন্তেরও। রাজনীতির হাতেখড়ি বাবার হাত ধরেই। বাবা শিশির অধিকারী দীর্ঘদিন ধরেই মেজো ছেলেকে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে দেখতে চেয়েছিলেন। সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় তিনিও গর্বিত বলে জানিয়েছেন।
কাঁথির মানুষের কাছে শুভেন্দু এখনও “বুবাই” নামেই পরিচিত। সেই বুবাই আজ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন, এই ভাবনাতেই আবেগে ভাসছেন এলাকার মানুষ। ছোটবেলার বন্ধু কনিষ্ক পণ্ডা বলেন, ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে বেড়ে ওঠা শুভেন্দুর এই সাফল্যে তিনি গর্বিত। দীর্ঘদিনের লড়াই ও সংগ্রামের ফলেই আজ এই জায়গায় পৌঁছেছেন শুভেন্দু।
যদিও বাড়ি কাঁথিতে, শুভেন্দুর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বড় অধ্যায় জড়িয়ে রয়েছে নন্দীগ্রামের সঙ্গে। বর্তমানে তিনি নন্দীগ্রামের নন্দনায়কবাড় এলাকার ভোটার। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন তিনি। এরপর আমফান থেকে করোনা পরিস্থিতি—সবক্ষেত্রেই নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন বলেই দাবি স্থানীয়দের।
কাঁথির মানুষের কাছে শুভেন্দু এখনও “বুবাই” নামেই পরিচিত। সেই বুবাই আজ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন, এই ভাবনাতেই আবেগে ভাসছেন এলাকার মানুষ। ছোটবেলার বন্ধু কনিষ্ক পণ্ডা বলেন, ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে বেড়ে ওঠা শুভেন্দুর এই সাফল্যে তিনি গর্বিত। দীর্ঘদিনের লড়াই ও সংগ্রামের ফলেই আজ এই জায়গায় পৌঁছেছেন শুভেন্দু।
যদিও বাড়ি কাঁথিতে, শুভেন্দুর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বড় অধ্যায় জড়িয়ে রয়েছে নন্দীগ্রামের সঙ্গে। বর্তমানে তিনি নন্দীগ্রামের নন্দনায়কবাড় এলাকার ভোটার। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন তিনি। এরপর আমফান থেকে করোনা পরিস্থিতি—সবক্ষেত্রেই নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন বলেই দাবি স্থানীয়দের।
এদিকে শুভেন্দুর মঙ্গল কামনায় মহিষাদলের রাজবাড়ির গোপাল জিউর মন্দিরে বিশেষ পুজোর আয়োজন করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। শুভেন্দুর দাদা কৃষ্ণেন্দু অধিকারী বলেন, “আজ শুধু আমাদের পরিবারের নয়, কাঁথি ও অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার মানুষের গর্বের দিন।” ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীর কথায়, “রাজনীতিতে বহু চড়াই-উতরাই দেখেছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সহযোগিতায় দাদা মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, এটা গোটা বাংলার কাছেই গর্বের বিষয়।”


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন